| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস — ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই : নিকোলাস বিশ্বাস নিকোলাসের ছবি বাস্তবকে তুলে ধরে কবিতার মতো : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বঙ্গবাণী-র রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ই জীবনানন্দের আবিষ্কর্তা : অসিত দাস দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ : দিলীপ মজুমদার প্রতিদিনের রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অথ তসলিমা কথা…. : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বেগম রোকেয়ার সমাধি আবিষ্কার যেন প্রেমেন্দ্র মিত্র-র তেলেনাপোতা আবিষ্কার : অসিত দাস মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার রোহিঙ্গা সংকটে কোন নির্দেশনা নেই : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দ্বিখণ্ডিত নির্বাসন : অশোক মজুমদার শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে আর্থার কোনান ডয়্যালের সাক্ষাৎকার ও প্ল্যানচেট-আলোচনা : অসিত দাস শ্রাবণের ঝিরঝিরে হাওয়ায় কাঁচের চুড়ির রিমিঝিম : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতা ফিরিয়ে দিক তসলিমার দ্বিখন্ডিত বাসার একখণ্ড : অশোক মজুমদার তরুণের বিদ্রোহ : তখন এবং এখন : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘বনলতা সেন ও অভিমানের অন্ধকার’ শিক্ষা ও সমাজ-সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তসলিমা নাসরিন — সবিনয় নিবেদন : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে খুশবন্ত সিংয়ের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আম্বেরিশ দেওয়ানজি

Reporter
খুশবন্ত সিং / ৬৮৪ জন পড়েছেন
আপডেট মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারি সমর্থন করে বিতর্কিত হয়েছেন, কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। আম্বেরিশ দেওয়ানজি ও তিনজন সহযোগী সাংবাদিক ২০০৪ সালে খুশবন্ত সিংয়ের এই সাক্ষাৎকারটি নেন। রেডিফ ইন্টারভিউ হিসেবে ২৭ অক্টোবর ২০০৪ সালে এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন : কুড়ি বছর পর আপনি যখন পেছনে ফিরে তাকান ইন্দিরা গান্ধীকে কীভাবে দেখেন?

খুশবন্ত : ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে দুটি বিষয় বিবেচ্য : একটি রাজনীতিবিদ হিসেবে, অন্যটি মানুষ হিসেবে। রাজনীতিবিদ হিসেবে কেমন, সবার জানা; কিন্তু মানুষ হিসেবে কেমন, তা তাঁর পরিবারের সদস্য ও ব্যক্তিগত কর্মচারী ছাড়া কারো জানার কথা নয়। বাকি সব বানোয়াট এবং অনুমাননির্ভর।

প্রশ্ন : আপনি তাকে কীভাবে চেনেন?

খুশবন্ত : আমার সঙ্গে যখন তাঁর প্রথম দেখা, তখনো বিয়ে করেননি, কাশ্মির যাওয়ার পথে লাহোর এসেছেন এবং যে-বন্ধুরা তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তিনি তাদের সঙ্গে থেকেছেন। আমাদের বাড়িতে তাঁর একটা ছবি আছে। খুব লাজুক, তেমন কথা বলেন না। তারপর যখন তাঁর সঙ্গে দেখা, তিনি তখন কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট। তিনি একটি সভার সভানেত্রী ছিলেন, আর আমি মাদাম কামার ওপর বক্তৃতা করছিলাম। তারপর তিনি (লাল বাহাদুর) শাস্ত্রী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হলেন। নিউইয়র্ক টাইমস ইন্দিরার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে একটি নিবন্ধ রচনার দায়িত্ব আমাকে দিলো।

তাঁর সম্পর্কে একটি বিরূপ নিবন্ধ রচিত হলো। কারণ আমি জনগণের মুখের কথা উদ্ধৃত করে লিখেছি, তাঁর পক্ষে দেশ চালানো সম্ভব নয়। কোনো মহিলা কখনো ভারতের নেতৃত্ব দেননি। আমাদের রাজিয়া সুলতানা থাকতে পারে, কিন্তু ও পর্যন্তই। আমি লিখেছি, নেহরুর কন্যা হওয়া ছাড়া তাঁর আর কোনো যোগ্যতা নেই; বাস্তবতা হচ্ছে, বাবার হাত ধরে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হওয়া ছাড়া তাঁর কোনো রাজনৈতিক ভিত্তি নেই।

প্রশ্ন : কিন্তু তিনি তো প্রধানমন্ত্রী হলেন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময় ক্ষমতায় থাকলেন?

খুশবন্ত : আসল ঘটনা হচ্ছে (লাল বাহাদুর) শাস্ত্রীর পর জনগণ গুলজারি লাল নন্দা কিংবা মোরারজি দেশাইকে চাচ্ছিলেন না, কাজেই তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেন। যে কজন তাঁকে এ-পদের জন্য বেছে নিয়েছিলেন, তাঁরা ভেবেছিলেন তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু এ কজন তাঁর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক প্রকৃতি এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ভেতরই যে একটি শক্তি রয়েছে, সে হিসাব করতে পারেননি।

তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই মোরারজি দেশাই এবং কাম্বরাজের মতো অন্যদের ঠেলে শেষপ্রান্তে পাঠিয়ে দিতে সমর্থ হলেন। তিনি খানিকটা একনায়কের মতো শাসন করতে লাগলেন। তখন মানুষ বলতে শুরু করেন, মন্ত্রিপরিষদে পুরুষ আছেন একজনই, আর সব হিজড়া। আসলে তিনি মন্ত্রীদের সে-পর্যায়েই নামিয়ে এনেছিলেন।

প্রশ্ন : ইন্দিরা গান্ধীর শাসন আপনি কীভাবে দেখছেন?

খুশবন্ত : তাঁর শাসনে আকর্ষণীয় তেমন কিছু নেই। সমালোচনা সহ্য করার শক্তি তাঁর ছিল না। কিছু মানুষকে তিনি তাঁর জন্য চ্যালেঞ্জস্বরূপ মনে করে তাঁদের প্রতি বিরাগভাজন হয়ে ওঠেন, তাঁদের একজন জয়প্রকাশ নারায়ণ, যিনি সত্যিই ভালো ও সৎ মানুষ। জয়প্রকাশ নারায়ণকে তিনি দেশ পরিচালনার নেতৃত্বশক্তির প্রতি হুমকি মনে করতেন; তখন তাঁর শাসন নিয়ে মানুষের মোহ কেটে যাচ্ছিল। আরো সমস্যা ছিল— খরা ও হুমকি এবং এর সঙ্গে জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতা হিসেবে অভ্যুদয়।

তাঁর রাজত্বে দুর্নীতি ভয়াবহ রকম বেড়ে যায়। দুর্নীতির ব্যাপারে তিনি বরং সহনশীল ছিলেন। এটা তাঁর ঋণাত্মক দিক। তিনি জানতেন, তাঁর কয়েকজন মন্ত্রী বড় ধরনের দুর্নীতিবাজ। ব্যাপারটা যতক্ষণ তাঁর সঙ্গে মানিয়ে গেছে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। এদিকে তিনি যতক্ষণ মানিয়ে নিতে পেরেছেন দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী— সহ্য করেছেন, আবার না মিললে একই অভিযোগে তাঁকে অব্যাহতিও দিয়েছেন। দুর্নীতি নিয়ে তাঁর কোনো কঠোর মনোভাব ছিল না। তাঁর আমলে দুর্নীতি আকাশ ছুঁয়েছে।

শিক্ষিত ও পরিশীলিত মানুষের সঙ্গে তিনি অস্বস্তিবোধ করতেন। ফলে যশপাল কাপুর, তাঁর অফিসের স্টেনোগ্রাফার আর. কে. ধাওয়ান এবং তাঁর পাশে ঘুরঘুর করা মোহাম্মদ ইউনুসের মতো মানুষের উত্থান ঘটেছে। আমি বিশ্বাস করি এর কারণ – ইন্দিরা গান্ধীর সত্যিকারের শিক্ষা ছিল না। তিনি শান্তিনিকেতন গেলেন, তারপর বিদেশে ব্যাডমিন্টন স্কুলে, তারপর অক্সফোর্ডে। তিনি কোথাও পরীক্ষায় পাশ করেননি। কোনো ডিগ্রিও জোগাড় করতে পারেননি। শিক্ষিত মানুষ হিসেবে স্বীকৃত না হওয়ায় তাঁর মধ্যে এক ধরনের হীনমন্যতা জন্মে বলে আমার ধারণা। যখন তিনি তাঁর অসুস্থ মা কমলাকে নিয়ে সুইজারল্যান্ড যান, ফারসি ভাষা শেখেন।

পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথা থাকলেও অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং নিষ্কলুষ রেকর্ডের অধিকারী মানুষের সঙ্গে তিনি একধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। দু-নম্বরি মানুষজনের সঙ্গে তিনি স্বস্তিবোধ করতেন।

প্রশ্ন : তার যে-নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে এত লেখালেখি হয়েছে তা ভারতকে কেমন করে প্রভাবিত করেছে?

খুশবন্ত : তাঁর নিরাপত্তাহীনতার কারণেই তিনি গণতন্ত্র নামের প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তিনি তাঁর অনুগত সমর্থকদের দিয়ে পার্লামেন্ট ভরে ফেলেন— যোগ্যতার চেয়ে আনুগত্য বেশি গুরুতবপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি অনুগত জজদের ডিঙিয়ে পদোন্নতি দিয়েছেন, জনপ্রশাসনকে দুর্নীতিগ্রস্ত করেছেন।

মানুষকে পরস্পরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ায় তিনি ছিলেন ওস্তাদ। তিনি কাউকে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। যখন দেখতেন এই লোকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছেন তখন তাঁকে কোনো জ্যেষ্ঠ পদে না বসিয়ে তার ঘনিষ্ঠ একজন সহযোগীকে সেখানে বসাতেন। তিনি জানতেন, এতে দুজনের মধ্যে বিরোধ বাধবেই।

সবচেয়ে বড় উদাহরণ ভিপি সিং। তার বড় ভাই (সান্তা বক্স সিং) বিশ্বাস করতেন তাকে মন্ত্রী বানানো হবে। কিন্তু তা না করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কম যোগ্যতাসম্পন্ন ভিপি সিংকে বেছে নিলেন। এতে দুই ভাইয়ের মধ্যে শত্রুতা বাড়ল। তিনি দক্ষ হিসাব শেষে ভাইদের পরস্পরের বিরুদ্ধে শত্রুতা সৃষ্টি করে ও জিইয়ে রেখে সংসার ভাঙার কাজটি করলেন। যে-খেলা তিনি খেলেছেন, শেষ পর্যন্ত তা দেশের জন্য মঙ্গল ডেকে আনেনি।

প্রশ্ন : ইন্দিরা গান্ধীর সবচেয়ে বড় অর্জন কী?

খুশবন্ত : তাঁর জীবনের মহত্তম মুহূর্ত, শ্রেষ্ঠতম বিজয় তাঁর সকল মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে পাকিস্তানের আক্কেলগুড়ুম করে (একাত্তরে) বাংলাদেশ সংকট মোকাবেলা করা।

ভারতে ঢুকেপড়া শরণার্থীর জোয়ার নিয়ে দেশটি যখন ভয়ংকর খাদ্যসংকটে, তিনি আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছেন, কী ঘটেছে তা জানাতে দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন, কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া কারো সমর্থন পাননি। অবশ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন আগে থেকেই ভারতের সঙ্গে ছিল। যখন তিনি বুঝতে পারলেন সংকট শিখরে পৌঁছেছে, তিনি বিচক্ষণতার প্রমাণ দিলেন। যেমন যখন ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ হাইজ্যাক করা হলো, আমাদের জানা আছে, ভারতীয়দের প্রচেষ্টাতেই জাহাজটি লাহোরে নেমেছে। তারপর সেখানে তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টোর উপস্থিতিতে জাহাজটি উড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর নির্বুদ্ধিতা প্রতিষ্ঠিত হলো। ঘটনাটি ভারতের হাতে প্রয়োজনীয় একটি ছুঁতো তুলে দিলো। যেহেতু যুদ্ধ এগিয়ে আসছে, ভারতের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তানের (এখন বাংলাদেশ) মধ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার দরকার ছিল। ফলে পাকিস্তানি উড়োজাহাজ ভারতের চারপাশ ঘুরে শ্রীলংকায় নেমে তেল ভরে দুই অংশের মধ্যে চলাচল করতে থাকে। আমি মনে করি, তাঁর পরামর্শেই ভারতীয় সেনাবাহিনী মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলে। সে-সময়ে (তখন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট) জেনারেল ইয়াহিয়া কী ঘটছে ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি যুদ্ধ ঘোষণা দিলেন, আমার মনে হয় ভারতীয় বাহিনী তখন বাংলাদেশের একশ মাইল ভেতরে। এক পক্ষকালেরও কম সময়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। পাকিস্তানি বাহিনী শহর রক্ষার পরিকল্পনা করল, কিন্তু ভারতীয় বাহিনী শহরগুলো পাশ কাটিয়ে সরাসরি ঢাকার দিকে এগিয়ে গেল। যে-কোনো মানদন্ডে এটা অত্যন্ত দক্ষ একটা পরিকল্পনা, ভারতরত্ন খেতাব তাঁর প্রাপ্য ছিল বলেই পেয়েছেন।

প্রশ্ন : কিন্তু শিখরে ওঠার সমস্যা হচ্ছে ওখান থেকে পড়ে যেতে পারেন। তারপর আমরা পেলাম জরুরি অবস্থা।

খুশবন্ত : হ্যাঁ, এটা সত্য। কিন্তু যখন জরুরি অবস্থার কথা আসে, বিরোধী দলের আচরণও ছিল ন্যক্কারজনক। কোনো সন্দেহ নেই, দেশ তখন নৈরাজ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। আমার মনে পড়ছে – স্কুল খুলছে না, কলেজ বন্ধ, বড় বড় মিছিল, দাঙ্গা। নয়াদিল্লিতে জয়প্রকাশ নারায়ণ যখন বিশাল র‌্যালি করলেন, তিনি বিক্ষুব্ধ মিছিলকারীদের বললেন, এমপিদের ঘেরাও করো, তাদের অফিস করতে বাধা দাও। সে-সময়ে গুজরাটে এমনই ঘটছিল (নবনির্মাণ দাঙ্গায় পার্লামেন্ট অবরুদ্ধ ছিল), তিনি দিল্লিতে একই কাজ করার আহবান জানালেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যেন তাঁদের কাজে যোগ দিতে না পারেন। আরো খারাপ কাজ করলেন— পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে আহবান জানালেন, তারা যেন এমপিদের পতন ঘটিয়ে দেয়।

যে-কোনো গণতন্ত্রে প্রতিবাদেরও একটা সীমা আছে, কিন্তু তা সীমা ছাড়িয়ে গেল। অন্য নেতারা ইন্দিরার ভগ্নদশা দেখে ভাবছিলেন, তিনি নিজে থেকেই তাঁর ধ্বংস ডেকে আনবেন।

আমি জয়প্রকাশ নারায়ণকে জানতাম এবং খুব পছন্দ করতাম। আমি তাঁকে চিঠিতে জানাই, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদের সীমা তিনি লঙ্ঘন করছেন। তিনি একটি দীর্ঘ জবাব লিখেন, আমি তা ইলাসট্রেটেড উইকলিতে প্রকাশ করেছিলাম। কিন্তু কিছু ঘটার আগেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় হয়ে গেল। ইন্দিরা গান্ধী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন। আমি বিশ্বাস করি, তিনি ঠিক কাজটিই করছেন, তাঁর হাতে আর কোনো বিকল্প ছিল না।

প্রশ্ন : এত বছর পরেও কি আপনি মনে করেন জরুরি অবস্থা ঘোষণা যুক্তিযুক্ত ছিল?

খুশবন্ত : আমি এখনো বিশ্বাস করি, যখন তিনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, তখন এটা করার সংগত কারণ ও অধিকার তাঁর ছিল। বিরোধীদলীয় নেতারা সে-সময়ে বেপরোয়া, দায়িত্বহীন এবং দেশবিরোধী আচরণ করতে থাকেন। তাঁরা নৈরাজ্যের সমারোহ উপভোগ করছিলেন।

আমার স্পষ্ট মনে আছে, জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে, স্কুল খোলে, কলেজে ক্লাস শুরু হয়, সময়মতো ট্রেন ছাড়ে; দেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসায় দেশজুড়ে এক ধরনের কৃতজ্ঞতার আবহ বিরাজ করে। এতে অবশ্যই জনগণের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়। আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করি এবং সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা সমীচীন হবে না বলে জানাই। তাঁকে বলি, আমার মতো যাঁরা তাঁকে সমর্থন করেছেন, তাঁরা আর কেউ বিশ্বাস করবেন না – তাঁরা বলছেন, আমরা কিছুই করতে পারব না, অন্যথায় আমাদের কারাগারে পাঠানো হবে। সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইন্টেলিজেন্স ইন্দিরা গান্ধীকে ভুলপথে পরিচালিত করে তাঁকে ধারণা দিলো যে, তিনি দারুণ জনপ্রিয় এবং নির্বাচন দিলেই তিনি জিতে যাবেন। এটা বিশ্বাস করে তিনি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে নিলেন। যখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো তিনি জেনে বিস্মিত হলেন যে, তিনি দেশবাসীর ঘৃণা সঞ্চয় করেছেন এবং নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।

প্রশ্ন : আগের প্রশ্নের জবাবে আপনি বলেছেন যখন ভারতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়, দেশে স্বস্তি ফিরে আসে। তারপরও তিনি নির্বাচনে হেরে গেলেন। তাহলে সমস্যাটি কোথায়?

খুশবন্ত : সমস্যা আমার মতে, ক্ষমতার অপব্যবহার।

প্রশ্ন : তাতে সঞ্জয় গান্ধীও রয়েছেন?

খুশবন্ত : যখন সঞ্জয়ের কথা বলা হয়… তাঁর কোনো বৈধতা ছিল না। তিনি কেবল প্রধানমন্ত্রীর ছেলে। তিনি যা করতে চেয়েছেন তা সঠিক। এতসব পারিবারিক প্রোপাগান্ডা কাজে আসেনি, সঞ্জয় তাঁর কাজকে দিলেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। শুরু হলো বস্তি উচ্ছেদ, জনগণ মামলা আদালতে নিয়ে গেল, মামলা বছরের পর বছর চলতে থাকল। তিনি বললেন, বস্তি উচ্ছেদ করো; কিন্তু বস্তিবাসীকে বিকল্প আবাসন দাও। বিকল্প ব্যবস্থা করার কাজ চলছিল। পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে সঞ্জয় সম্পর্কে যা প্রচারিত হয়েছে তা অতিরঞ্জিত। সিনেমার লাইন থেকে, গ্রাম থেকে নারী ও পুরুষ ধরে এনে (লাইগেশন ও ভেসেক্টমি করানো)… এর এক-দশমাংশ সত্যি হতে পারে; কিন্তু এসব দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল আর তিনি তার জন্য মূল্য দিলেন। জরুরি অবস্থাকে দৈত্য বানিয়ে ফেলা হলো।

প্রশ্ন : কিন্তু জরুরি অবস্থার দানবীয় চিত্র উপস্থাপিত হওয়ার কারণও নিশ্চয়ই রয়েছে?

খুশবন্ত : ইন্দিরা অনেককে কারাবন্দি করেছেন, এমনকি পঁচাশি বছরের বৃদ্ধকেও। যে-ই মুখ খুলেছে তাকেই জেলে পাঠানো হয়েছে। এটা যে কেবল ইন্দিরার বিরুদ্ধে বললে তা নয়। সঞ্জয়, তার স্ত্রী মানেকা, তার শাশুড়ি, মোহাম্মদ ইউনুস— কারো বিরুদ্ধে কিছু বললেই নির্ঘাত কারাবাস।

প্রশ্ন : কিন্তু জরুরি অবস্থা আর ড্রাকোনিয়ান আইন বহাল থাকলে এমনই তো হওয়ার কথা।

খুশবন্ত : তা সত্যি, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী তা অনুধাবন করেননি।

প্রশ্ন : সংকট শুরু হয়েছে জরুরি অবস্থা জারির মধ্য দিয়ে, না এটা দীর্ঘদিন বহাল রাখার কারণে?

খুশবন্ত : আমি মনে করি, জরুরি অবস্থা স্বল্পমেয়াদি হতে পারত। যখন তিনি বুঝতে পারলেন জরুরি অবস্থার অপব্যবহার হচ্ছে তাঁর পাশের বহুলোক এর অপব্যবহার করছেন, তাঁর বাস্তবে ফিরে আসা উচিত ছিল। জয়পুরের মহারানী গায়ত্রী দেবী, গোয়ালিয়রের মহারানী বিজয়া রাজ সিন্ধিয়াকে জেলে পকেটমার আর বেশ্যাদের সঙ্গে রেখে তাঁর চরিত্রের প্রতিহিংসাপরায়ণ দিকটি উন্মোচিত করেছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে, এ-কারণে অনেক শত্রুর সৃষ্টি হয়েছে। সব মিলিয়ে তাঁর গোটা পরিবারের বিরুদ্ধে ঘৃণা সঞ্চারিত হয়েছে।

প্রশ্ন : আপনি কি মনে করেন না, জাস্টিস সিনহা তাঁর বিরুদ্ধে যে-রায় দিয়েছেন তাতেই তাঁর গদি ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল?

খুশবন্ত : এটি একটি দ্ব্যর্থক রায় : তিনি পার্লামেন্টে বসতে পারবেন, কিন্তু ভোট দিতে পারবেন না। (ননি) পাল্কিওয়ালা, তাঁর আইনজীবী বললেন, আপিলে জিতে যাবেন। তিনি বললেন, এটা অনেকটা রাস্তায় গাড়ি চলাচলের তুচ্ছ অপরাধের জন্য কারাবন্দি করে রাখার মতো। ততদিনে তিনি নার্ভাস হয়ে পড়েন। সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের মতো মানুষ আর সঞ্জয় গান্ধী জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি যা করেছেন, যদি তা না করতেন তিনি আরো বড় মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারতেন।

ইমার্জেন্সি ঘোষণার পর পাল্কিওয়ালা ইন্দিরার হয়ে মামলা লড়তে অস্বীকার করলেন। মিসেস গান্ধীর লোকেরা পাল্কিওয়ালাকে হেনস্তা করলেন, টাটা কোম্পানির অনেক বোর্ড থেকে তাঁকে সরিয়ে দিলেন। এ-ধরনের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার কাজ চলতেই থাকে— আর তা কেবল সারাক্ষণ শত্রুই তৈরি করে; এটা তাঁদের না করলেও চলত।

প্রশ্ন : কিন্তু তারপর তো তিনি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন। এটা কি জনতা পার্টির অদক্ষতার কারণে, নাকি জনগণ বলেছে, তোমাদের অনেক শাস্তি দিয়েছি, এখন তোমাদের ফেরত চাই। নাকি দুটোর সমন্বয় ঘটেছে?

খুশবন্ত : আমার মনে হয় ঠিকই বলেছেন, ততদিন তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও তিক্ততা প্রশমিত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোরারজি দেশাই এবং চরণ সিং সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলেন। লোকজন বলাবলি করতে লাগল, ইন্দিরা তাঁদের চেয়ে অনেক ভালো ছিলেন।

প্রশ্ন : কিন্তু গদিতে তাঁর পরবর্তী ক-বছর আরো বেশি খারাপ ছিল; আগে লক্ষ্য সাধনের যে-শক্তি তাঁর ছিল, তখন আর তা নেই।

খুশবন্ত : আমার মনে হয় সঞ্জয় গান্ধীর মৃত্যু এর কারণ (জানুয়ারি ১৯৮০ তিনি ক্ষমতাসীন হলেন, ছ-মাস পর সঞ্জয়ের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু)। সঞ্জয় তাঁর ওপর খবরদারি করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর ইন্দিরার নোঙর ছিঁড়ে গেল। তিনি বড় ছেলে রাজীবকে উপেক্ষা করে (তিনি তাঁকে মনে করতেন বুদ্ধু, বুদ্ধির ঘাটতিসম্পন্ন মানুষ) সঞ্জয়কে প্রধানমন্ত্রীর পদের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

সঞ্জয়ের মৃত্যুর পর তিনি দোনোমনো হয়ে পড়েন, মনস্থির করতে পারছিলেন না, নার্ভাস ব্রেকডাউনের কবলে পড়েন… রাতে ঘুমাতে পারতেন না, চোখের নিচে গভীর কালি পড়ে। আমার মনে হয়, এ রকম মানসিক অবস্থার মধ্যে তিনি আনাড়ির মতো অপারেশন ব্লু-স্টার পরিচালনার আদেশ দেন।

প্রশ্ন : অপারেশন ব্লু-স্টার করে তিনি ভুল করেছেন বলে আপনি মনে করেন?

খুশবন্ত : আমি মনে করি তিনি বিপথে পরিচালিত হয়েছেন। তিনি নিজের বিবেচনা শক্তি প্রয়োগ করলে ভালো করতেন। তাঁর কোনো পূর্ববিদ্বেষ ছিল না— মুসলমানদের বিরুদ্ধে না, শিখদের বিরুদ্ধেও না। তিনি অনেকের সঙ্গে আলাপ করতেন, বিভিন্নজনের কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী পরামর্শ পেতেন। তিনি (প্রেসিডেন্ট) জৈল সিংহকে বিশ্বাস করতেন না। কারণ তিনি দুদিকেই চাল মারছিলেন, কখনো কখনো (পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী) দরবার সিংয়ের বিরুদ্ধে (জাধায়েল সিং) ভিন্দ্রানওয়ালেকে সমর্থন দিয়েছেন।

তিনি সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলেন; আমি নিশ্চিত, তারা (সেনাবাহিনী) তাঁকে যাই বলে থাকুক, ব্যক্তিগতভাবে জেনারেল অরুণ বৈদ্য এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল কে. এস. সুন্দরজি তাঁকে আশ্বস্ত করলেন, একবার সৈন্যরা স্বর্ণমন্দির ঘেরাও করে ভেতরে গেলে কোনো লড়াই বাধবে না এবং ভিন্দ্রানওয়ালে আত্মসমর্পণ করবেন। আমি জানি তাঁরা আরো বলেছিলেন, অপারেশন দু-ঘণ্টার বেশি চলবে না। এর সবটাই ছিল ভুল হিসাব।

ভিন্দ্রানওয়ালে একজন ঠগ, ধর্মোন্মাদ, উন্মত্ততার মধ্যে লড়াই করে যাবেন। দু-ঘণ্টার বদলে লড়াই দুদিন দুরাত ধরে চলল। অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটল। আমি জানি, দুই বা তিনদিন পর তিনি যখন মন্দিরে গেলেন, সরোবরে ভাসমান লাশ দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তখনো রক্তের দাগ লেগে ছিল, তা মুছে ফেলা হচ্ছে। তাই তিনি মেজর জেনারেল কে. এস. ব্রারকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এ কী?’

যখন তাঁকে বলা হয়, কোনো লড়াই হবে না, তিনি তা বিশ্বাস করেছিলেন।

অনুবাদ : আন্দালিব রাশদী

ভারতীয় সাহিত্যজগৎ ও সাংবাদিকতার গ্র্যান্ড ওল্ডম্যান সর্দার খুশবন্ত সিং ২ ফেব্রুয়ারি ১৯১৫ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বহু বছর আগে নিজের অবিচুয়ারি ও এপিটাফ লিখে রেখে গেছেন। মৃত্যু নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা খুব কমই হয়ে থাকে, খুশবন্ত সিং নিজেকে নিয়ে তাই করেছেন। দীর্ঘায়ু সর্দার শতায়ু হতে হতে সেঞ্চুরি মিস করেছেন। নার্ভাস নাইনটি নাইনে এমন একটি দুর্মূল্য উইকেট পড়ে যাবে, খুশবন্ত-ভক্তদের কেউই তা চাইতেন না। ২০ মার্চ ২০১৪ তা ঘটে গেল।

নারী ও যৌনতার মিশেল দিয়ে এমনকি বার্ধক্যেও তিনি এত বেশি লিখেছেন যে, ‘ডার্টি ওল্ডম্যান’ খেতাবটি তাঁর বেলায় বেশ মানিয়ে যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘ওভার রেটেড’ সাহিত্যিক বলায় মার খাওয়ার দশা হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারি সমর্থন করে বিতর্কিত হয়েছেন, কিন্তু নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।

আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন


Currently Maintained by the2.dev