বাংলার নদী আন্দোলনের ইতিহাসে ২০২৩ সালটি আগামীদিনে একাধিক কারণে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে— এমনটাই মনে হয়। বিশেষত নদিয়া জেলার ভৌগোলিক এলাকা যদি ধরা হয়, সেক্ষেত্রে বিষয়টি আরও যেন যুক্তিযুক্ত ও প্রাসঙ্গিক হবে। কারণ ২০২৩ সালে নদিয়া জেলার নদী আন্দোলন বেশ কয়েকটি সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে কিছুটা সাফল্যের মুখ দেখেছে। জেলার নদীকর্মীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে সরকার পক্ষ নদিয়া জেলার একাধিক জলধারা সংস্কারের কাজে হাত লাগাতে বাধ্য হয়েছেন। যেমন চাকদহের বুড়িগঙ্গা এবং শান্তিপুরের সুরধুনী নদীখাত সংস্কারের কাজ ইতিমধ্যে সেচ দপ্তরের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছে। অন্যদিকে জেলার আরও কয়েকটি জলধারা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা সরকার কর্তৃপক্ষকে জানানো সম্ভব হয়েছে। বিষয়গুলি নিয়ে অন্তত ভাবনা-চিন্তা করতে তাদেরকে বাধ্য করা গেছে। এমনকি সাম্প্রতিক অতীতে জেলা প্রশাসনকে দিয়ে জলঙ্গি নদী থেকে বাঁধাল তুলে দেওয়ার মতো ঐতিহাসিক ঘটনাও ঘটেছে। খাল, বিল, জলাভূমি বাঁচাও, নদী বাঁচাও আন্দোলনের গুরুত্ব তো এখানেই।

সম্প্রতি নদী বাঁচানোর দাবি নিয়ে এমনই এক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী রইল নদিয়া জেলা। ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ (শনিবার) নদিয়া জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরে ‘নদী কনক্লেভ ২০২৩’-এর আয়োজন করা হয়েছিল। কৃষ্ণনগর তথা নদিয়া জেলার প্রধান নদী জলঙ্গির অনতিদূরে কৃষ্ণনগর শিশু উদ্যান প্রাঙ্গণে (আর.এন. টেগোর রোড, কদমতলা) এই নদী কনক্লেভ বসেছিল। এতে অংশগ্রহণ করার জন্য বহু দূর-দূরান্ত থেকে পরিবেশকর্মীরা এদিন কৃষ্ণনগরে এসেছিলেন। শুধু নদিয়া জেলা নয়, জেলার বাইরের একাধিক সংগঠনের মানুষজন এই নদী কনক্লেভের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত হয়েছিলেন। এই বিরাট কর্মযজ্ঞের আয়োজন করেছিল কৃষ্ণনগর তথা নদিয়া জেলার অন্যতম পরিবেশ সংগঠন ‘জলঙ্গি নদী সমাজ’ (Jalangi River Society)।

আন্তর্জাতিক নদী দিবসের (২৪ সেপ্টেম্বর) ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ এই নদী কনক্লেভ বসেছিল। এই নদী কনক্লেভে শুধু নদীকর্মী, পরিবেশকর্মীরাই নন, বহু মৎস্যজীবী, কৃষিজীবীরাও অংশগ্রহণ করেছিলেন। কৃষ্ণনগর সি.এম.এস. স্কুলের একদল শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষকদের নেতৃত্বে এদিন শিশু উদ্যানে উপস্থিত হয়েছিল। তারাও নদী, জলাশয়, পরিবেশ সম্পর্কিত এদিনের আলোচনায় শ্রোতা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিল এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে জ্ঞান আহরণ করেছিল। শিক্ষার্থীদের কাছে এটি পরিবেশ কর্মশিবিরের ন্যায় ছিল। এই নদী কনক্লেভের মধ্যে দিয়ে জলঙ্গি নদী নির্ভর মৎস্যজীবী, কৃষিজীবী পরিবারের সম্মুখে আবির্ভূত কিছু বাস্তব সমস্যার কথা শোনা হয় তাদেরই মুখ থেকেই। নদী, পুকুর, খাল, বিল, জলাভূমি, বাঁওর-সহ প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং সেগুলির সংরক্ষণ বিষয়ে এগিয়ে আসার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করে সকলের মধ্যে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা করা হয়। সকাল এগারোটা থেকে সভা শুরু হয় এবং সারাদিনব্যাপী নদী নিয়ে বক্তব্য পেশ, গান, প্রদর্শনী, আঁকা, আলোচনা, পর্যালোচনা চলতে থাকে। প্রায় সন্ধ্যা নামার আগে পর্যন্ত সভা চলে।

জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সকলেই নদিয়া জেলার প্রাণস্বরূপ জলঙ্গি নদীর দূষণ, জেলার জলাভূমিগুলির মৃতপ্রায় অবস্থা, নদীপাড়ের মানুষের বহুবিধ সমস্যা ইত্যাদি সম্পর্কে যথেষ্ট অবহিত। জেলার প্রকৃতি পরিবেশের এই সমস্যাগুলি হঠাৎ করে একদিনে আবির্ভূত হয়নি, দীর্ঘ গণসচেতনতার অভাব এবং নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্রমান্বয় দায়িত্বহীনতা, নজরদারির অভাবে এইরূপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান ধ্বংসের মুখে, জীববৈচিত্র্য প্রবল সংকটে। অবস্থা ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় কেবলমাত্র কোনও কোনও জনপ্রতিনিধির মুখে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি শোনা যায়, বাকি সময় তাঁরা শীতঘুম দেন। এই নদী কনক্লেভের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল প্রকৃতি পরিবেশের এই ধরণের সমস্যাগুলিকে এবং বিশেষ করে জেলার প্রধান নদী জলঙ্গির করুণ অবস্থাকে পুনরায় নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মুখে প্রতিবাদের সুরে উপস্থাপিত করা। ‘নদী কনক্লেভ ২০২৩’-এর মধ্যে দিয়ে জেলা তথা রাজ্যের একাধিক সংগঠনের মধ্যে যোগসূত্রতা স্থাপনের প্রচেষ্টা করা হয়। দত্তপুলিয়ার ‘শ্রীমা মহিলা সমিতি’, চাকদহের ‘বুড়িগঙ্গা বাঁচাও কমিটি’, শান্তিপুরের ‘পরিবেশ ভাবনা মঞ্চ’, ‘বিজ্ঞান অন্বেষক’ পত্রিকা, ‘জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বার্তা’ পত্রিকা, ‘নদিয়া বাজার’ পত্রিকা, পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ (কৃষ্ণনগর কেন্দ্র), ‘গোবরডাঙা গবেষণা পরিষৎ’, ‘আমরা কৃষ্ণনগরবাসী’ সামাজিক গণমাধ্যম গ্রুপ, ‘নদিয়া পরশমণি’ পত্রিকা, ‘সিলিকোসিস আক্রান্ত সংগ্রামী শ্রমিক কমিটি’-সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা নদী কনক্লেভে অংশ নিতে এসেছিলেন। আগামীদিনে নদী বাঁচানোর আন্দোলন আরও জোরদারভাবে করার লক্ষ্য এখানে স্থির হয়।

জলঙ্গি নদীর পাট পচানো কালোজল বর্তমানে নদীপাড়ের মানুষদের কাছে অন্যতম বড়ো সমস্যা। অন্যদিকে এই সমস্যার পশ্চাতেও রয়েছে নদীপাড়ের মানুষেরাই। নদিয়া জেলার একটি অন্যতম প্রধান অর্থকরী শস্য হলো পাট। বিঘের পর বিঘে জমি ধরে পাট চাষ করা হয়। তারপর জমি থেকে পাট কেটে তা জলে ডুবিয়ে পচানো হয়। তারপর সেটি থেকে মূল্যবান তন্তু বার করা যায়। কিন্তু গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক জলাশয়গুলি প্রচুর পরিমাণে কমে যাওয়ায়, বর্তমানে পাট পচানোর জন্য জেলার বহু কৃষকই জলঙ্গি নদীর উপর নির্ভরশীল। আর সে কারণেই ফি-বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে জলঙ্গি নদীর জল কালো হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে প্রচুর মাছ মারা যাচ্ছে। মৎস্যজীবীরা সংকটে পড়ছেন। নদীপাড়ের মানুষেরা নদীর জল ব্যবহার করতে পারছেন না। এই নদী কনক্লেভে মৎসজীবী, কৃষিজীবীরা তাঁদের এইসব সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

এই নদী কনক্লেভে মৎস্যজীবীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন হরি হালদার। কৃষিজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ ঘোষ, যিনি মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের ফলে জলঙ্গি নদীপাড়ের গ্রামগুলির প্রকৃত অবস্থা এখন কিরকম সেবিষয়ে সকলকে অবগত করেন। মুর্শিদাবাদের লালগোলা থেকে আগত জাহাঙ্গীর মিঞা জলঙ্গি নদীর উৎস ভৈরবের খননকার্য শুরু হওয়ার সময়কার তাঁর অভিজ্ঞতার কথা সকলকে বলেন এবং সেই খননকার্য শেষ পর্যন্ত অসমাপ্ত থাকার বিষয়েও সকলকে অবগত করেন। পরিবেশকর্মী বিবর্তন ভট্টাচার্য চাকদহের বুড়িগঙ্গা জলধারা সংস্কারের ক্ষেত্রে তাদের সফলতার বিষয়টি এদিন সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন এবং জলঙ্গি নদী সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রশাসন ও সরকারের উদাসীনতার কথা বলে তিনি মঞ্চ থেকে সরাসরি জঙ্গী আন্দোলনের ডাক দেন। পরিবেশকর্মী তাপস বিশ্বাস এদিন বাংলার পরিবেশ আন্দোলন বিষয়ে তাঁর দীর্ঘদিন ধরে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। জ্যোতির্ময় সরস্বতী এদিন তাঁর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে নদী আন্দোলনের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রজন্মের এগিয়ে আসাটা কতটা জরুরি— সেবিষয়ে সকলকে অবহিত করেন এবং নতুনদের আন্দোলনে নিয়োজিত হওয়ার জন্য আহ্বান করেন। শান্তিনিকেতন নিবাসী শুভলক্ষ্মী গোস্বামী জলঙ্গি নদী ও কৃষ্ণনগরের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা সকলকে জানান এবং পাশে থাকার বার্তা দেন।
বিজ্ঞানকর্মী জয়দেব দে জলঙ্গি নদী-সহ অন্যান্য ছোটো বড়ো সকল নদীকে বাঁচানোর ক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেন এবং সকলকে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন। সম্প্রতি শিয়ালমারী নদী বাঁচানোকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত প্রচার কর্মসূচির বিষয়টিও তিনি এদিন উত্থাপন করেন। ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্যে পরিবেশ সংরক্ষণে রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের বিষয়টি উঠে আসে। যেমন প্রচলিত আইনগুলি সংশোধনের অজুহাতে দেশি-বিদেশি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলিকে সুবিধে করে দেওয়া, উন্নয়নের নামে উচ্ছদ ও পরিবেশ ধ্বংস করার বিষয়গুলি নিয়ে তিনি এদিন বলেন। বর্ণব চক্রবর্তী নদী আন্দোলনের পাশাপাশি তাদের ষোলো বিঘা বসতির পুকুর বাঁচানোর বিষয়ে, সংগঠিত সিলিকোসিস আন্দোলনের সফলতার বিষয়ে এবং যশোর রোড গাছ বাঁচাও আন্দোলন সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন। এদিনের সমগ্র সভা সুচারুভাবে পরিচালনা করেন শুভময় সরকার। উল্লেখ্য, শিক্ষক সমিত দত্ত এদিন তাঁর নিজের লেখা জলঙ্গি নদী সমাজের প্রত্যয়ের গানটি নিজকণ্ঠে সকলের সামনে পরিবেশন করেন। গানের কথাগুলি ছিল এইরূপ—
“বাঁচতে যদি চাও নদী বাঁচাও
উচ্চস্বরে তোলো আওয়াজ,
নদীকে বাঁচাতে লড়বো যে একসাথে
আমরা জলঙ্গি নদী সমাজ।
নদী শুধু নদী নয় নদী সভ্যতার প্রাণ ভোমরা—
নদীর দয়ায় বাঁচছি রোজ আমরা ও তোমরা।”
এদিন শিশু উদ্যান প্রাঙ্গণে মঞ্চের ঠিক পাশেই সভা চলাকালে চিত্রশিল্পী সুব্রত বসু কর্তৃক নদীর করুণ অবস্থা দর্শানো ছবি অঙ্কন। এর মধ্যে দিয়ে শিল্পী হয়তো জনগণকে আশু বিপদ সম্পর্কে সচেতন করছিলেন। সভা প্রাঙ্গণের অপরপ্রান্তে আবার ছিল নদী বিষয়ক বিভিন্ন প্রকাশন। ‘বিজ্ঞান অন্বেষক’ পত্রিকার বিশেষ নদী সংখ্যা এবং পরিবেশ পত্রিকা ‘জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বার্তা’ (ত্রৈমাসিক)-এর বেশ কয়েকটি সংখ্যা সেখানে ছিল। ‘গোবরডাঙা গবেষণা পরিষৎ’-এর বিজ্ঞান, পরিবেশ বিষয়ক অন্যান্য বইপত্রও সেখানে ছিল। আগ্রহী নদীকর্মীদের সেগুলি দেখার ও সংগ্রহ করার সুযোগ ছিল। শিশু উদ্যান প্রাঙ্গণে এদিন জলঙ্গি নদী সমাজের বিগতদিনের কর্মসূচিগুলি পোস্টার প্রদর্শনীর মধ্যে দিয়ে তুলে ধরা হয়। এছাড়া নদী কনক্লেভে ‘আমাদের কথা’ বলে একটি পর্ব রাখা হয়েছিল, যেখানে নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নদীকর্মীদের কাজকর্ম নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করার ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল।

‘নদী কনক্লেভ ২০২৩’-এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল তথ্যচিত্র ‘শিকড়’ প্রদর্শন। দুপুরের মধ্যাহ্নভোজনের পর এটি প্রদর্শিত হয়। শিশু উদ্যানের তিনতলার ঘরে ‘শিকড়’ তথ্যচিত্রটি দেখানো হয়। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্দেশক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের নির্মিত এই তথ্যচিত্রটি ছিল এক ঘন্টা ছয় মিনিটের। নির্দেশক নিজেও এদিন উপস্থিত ছিলেন। এই তথ্যচিত্রটিতে নদিয়ার তেহট্টের জনজীবনকে নির্দেশক তুলে ধরেন, যার মূল উপজীব্য বিষয় ছিল নদিয়ার তেহট্টের জনজীবনের সেকাল একাল— এই জনপদের পরিবর্তনের বিভিন্ন আঙ্গিক, পাশাপাশি তেহট্ট জনপদের প্রধান জলধারা জলঙ্গি নদীর প্রবাহমানতার বদলে যাওয়ার প্রসঙ্গ।
কৃষ্ণনগরের নদীকর্মী ও পরিবেশপ্রেমীরা জলঙ্গি নদী সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছেন। কখনও পথনাটিকা করে নদী বাঁচানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। আবার কখনও নদী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এমনকি ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জলঙ্গি নদী বাঁচানোর দাবি নিয়ে কৃষ্ণনগরের পরিবেশ সংগঠন তাদের মনোনীত নির্দল প্রার্থীকে ভোটে পর্যন্ত দাঁড় করিয়েছেন। ফি-বছর ‘নদী দিবস’ পালনের বিষয়টিও এইসব নদীকর্মীদের পরিবেশ সচেতনতামূলক একটি কর্মসূচি এবং নদী, জলাভূমি বাঁচানোর প্রতীকী উদ্যোগ। এভাবেই কৃষ্ণনগর তথা জেলার নদীকর্মীরা জলঙ্গি নদীকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নদী আন্দোলন তার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাক এবং নদীকর্মীরা তাঁদের অভীষ্ট লক্ষ্যকে স্পর্শ করুক— এই কামনা করি।
লেখক: সম্পাদক, ‘জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বার্তা’ (ত্রৈমাসিক)।
খুব ভালো লেখা
অনেক ধন্যবাদ।
বেশ ভালো লেখা হয়েছে।
এভাবেই পাশে থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ।
ভালো রিপোর্টিং হয়েছে। শুধু একটি ছোট ত্রুটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সেটি হল এ পি ডি আর সাংগঠনিকভাবে এই নদী কনক্লেভের সঙ্গে যুক্ত ছিল না।
অনেক ধন্যবাদ দাদা।
জায়গাটি সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।
Khub valo laglo sir ????……
নদীর দূষণ মুক্ত করে নিজের প্রাণ বাঁচাও…..❤️
সঠিক।
দারুণ।
ধন্যবাদ।
খুব ভালো লিখেছেন স্যার। আশা করছি নদী আন্দোলন তার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছবে এবং তার আসল লক্ষ্য অর্জন করবে খুব শীঘ্রই। ????????
ধন্যবাদ তুষার। যুক্ত হও।
সুন্দর লেখা। আশাব্যঞ্জক ছবি। “ নদী আন্দোলন তার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাক এবং নদীকর্মীরা তাঁদের অভীষ্ট লক্ষ্যকে স্পর্শ করুক— এই কামনা করি ‘’—-এই কামনার সাথে সহমত আমরাও।
অনেক ধন্যবাদ। নজরুল সম্মান অর্জনের জন্য আপনাকে পুনরায় অভিনন্দন জানাই। খুব ভালো লাগলো। পাশে থাকবেন।
খুব সুন্দভাবে রিপোর্টিং করেছেন sir । আশা করি এটা পরে কমবেশি অনেক এই নিজেদের চারপাশে র যত্ন নেবে। পরে খুব ভালো লাগলো স্যার ????????
ভালো থেকো। পরিবেশ রক্ষার কাজে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ করবো।
খুব ভাল লাগল পড়ে
এমন পাঠক আছে বলেই লিখি।