৪ এপ্রিল ২০২৩ (মঙ্গলবার) ছিল কবি হেমচন্দ্র বাগচীর ৩৭তম প্রয়াণ দিবস। নদিয়া জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরে ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মৃতি রক্ষা সমিতি’-র উদ্যোগে কবি হেমচন্দ্র বাগচীর ৩৭তম প্রয়াণ দিবস বিশেষভাবে পালন করা হয়। সেইদিন সকালে কবির মূর্তিতে মাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণির পুতুলপট্টি মোড়ে স্থাপিত কবির আবক্ষ মূর্তির সম্মুখে সকলে জড়ো হয়েছিলেন। ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মৃতি রক্ষা সমিতি’-র আহ্বানে কবির প্রয়াণ দিবসে শহরের একাধিক বিশিষ্ট মানুষ সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং কবি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্যে দিয়ে এদিনের স্মরণ অনুষ্ঠান পরিসমাপ্ত হয়। কে ছিলেন এই হেমচন্দ্র বাগচী? অনেকেই এই নামটির সঙ্গে পরিচিত নন। ভাবলে অবাক হতে হয় যে, বাংলা সাহিত্যের লোকেরাও অনেকে হেমচন্দ্র বাগচী— এই নামটির সঙ্গে পরিচিত নন! এদিকে ‘কল্লোল যুগ’ হল বাংলা সাহিত্যের পাঠক্রমের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব।

এই সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে কবি হেমচন্দ্র বাগচীর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে কিছু কথা জেনে নেওয়া যাক। কবি হেমচন্দ্র বাগচী ছিলেন বিংশ শতকের কবি। তাঁর জন্ম এবং প্রয়াণ দুটোই বিংশ শতকের মধ্যে সীমাবদ্ধ। জীবনকালের দিক থেকে তিনি ক্ষণজন্মা নন, তিনি ছিলেন দীর্ঘ জীবনের অধিকারী। তাঁর সামগ্রিক জীবনকাল ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। তবে এর মধ্যে একটা দীর্ঘ সময়কাল তিনি মানসিক বৈকল্যে কাটিয়েছিলেন। সময়কালের দিক থেকে অল্প কয়েক বছর তাঁর সাহিত্য প্রতিভার বিচ্ছুরণ ঘটেছিল। সেদিক থেকে কবি হেমচন্দ্র বাগচী ছিলেন ক্ষণজন্মা। কালানুক্রম অনুযায়ী তাঁর জীবনপঞ্জিটি এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে একটু বিস্তারিতভাবে পাঠকদের জানতে চাই।
কবি হেমচন্দ্র বাগচী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার নদিয়া জেলার মানুষ। ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দের ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়ার দিন তাঁর জন্ম। নদিয়া জেলার কালীগঞ্জ থানার অন্তর্গত গোকুলনগর (বেগে) গ্রামে বাগচী পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন রাখালদাস বাগচী। তিনি জমিদারি শেরেস্তায় চাকরি করতেন। আর হেমচন্দ্রের মাতার নাম নিলাজবরণী দেবী। হেমচন্দ্ররা ছিলেন তিন ভাই এবং ছয় বোন। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে চারবছর বয়সে গোকুলনগর গ্রামের পাঠশালাতেই হেমচন্দ্রের বিদ্যারম্ভ হয়। কয়েকবছর পর কবি হেমচন্দ্র বাগচীর পরিবারের একটি অংশ কৃষ্ণনগরে চলে আসে। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীতে তাঁকে ভর্তি করা হয়। শৈশবকালেই তাঁর কবি প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। তাঁর সম্পর্কে যেটুকু তথ্য সংগ্রহ করা গেছে, তার ভিত্তিতে বলা যায় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়া কালে কবি হেমচন্দ্র বাগচীর প্রথম স্বরচিত কবিতা ‘তৃষিত’ কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের ম্যাগাজিনে প্রকাশ পেয়েছিল।

হেমচন্দ্র বাগচী ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। তারপর ১৯২১ খ্রিস্টাব্দেই তিনি কৃষ্ণনগর কলেজে (যার বর্তমান নাম ‘কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ’) বিজ্ঞান বিভাগে আই.এস.সি.-তে ভর্তি হন। পরে বি.এস.সি.-তে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে হাওড়া জেলার বালী নিবাসী ভোলানাথ সান্যালের কন্যা সুবোধিনীর সাথে হেমচন্দ্রের বিবাহ হয়। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে হেমচন্দ্র কলিকাতার বঙ্গবাসী কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন। ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সংস্কৃতেও এম.এ. ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯২৮-৩১ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালেই কল্লোল, কালিকলম, প্রগতি, প্রবাসী, উত্তরা, মৌচাক, শনিবারের চিঠি, কবিতা, রামধনু, বঙ্গশ্রী-র মতো পত্রিকায় নিয়মিত তাঁর কবিতা প্রকাশিত হত।
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার পর তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৩১-৪১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি বাংলার একাধিক স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভবানীপুর পদ্মপুকুর ইনস্টিটিউশনে বাংলার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন বলে জানা যায়। ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি বি.টি. পাশ করেন। বিশের দশকের শেষের দিকেই কবি হেমচন্দ্র বাগচীর জীবনে একটা বড় পরিবর্তন এসেছিল, যখন তিনি কবিতা লেখার পাশাপাশি প্রকাশনা জগতেও প্রবেশ করেছিলেন। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে কলিকাতায় কর্ণওয়ালিশ স্ট্রীটে তিনি ‘বাগচী এণ্ড সন্স’ নামে একটি প্রকাশনী সংস্থা গড়ে তুলেছিলেন।

১৩৩৫ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণে কবি হেমচন্দ্র বাগচীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দীপান্বিতা’ প্রকাশ পেয়েছিল। লিখতে শিহরণ জাগছে যে, সেই কাব্যগ্রন্থের প্রথম সংস্করণটি হাতে নিয়ে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। দীপান্বিতার সেই প্রথম সংস্করণ এখন প্রায় দুষ্প্রাপ্য, যার মুদ্রিত বিনিময় মূল্য ছিল দেড় টাকা। মহানগর কলিকাতার বুকে হেমচন্দ্রের প্রকাশনী সংস্থা ‘বাগচী এণ্ড সন্স’ বেশ কদিন ভালোভাবেই চলেছিল। ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে হেমচন্দ্র প্রকাশক হিসেবে তাঁর ‘বাগচী এণ্ড সন্স’ থেকে কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘শতনরী’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেন। এরপর ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে হেমচন্দ্র বাগচীর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘তীর্থপথে’ প্রকাশ পায়। এইসময় কবি হেমচন্দ্র বাগচীর সাহিত্যজীবন ছিল মধ্যগগনে। তাঁর কর্মমুখর জীবনে এই সময় একই সঙ্গে বহু কাজ চলছিল। ১৩৪৪ বঙ্গাব্দে হেমচন্দ্র বাগচীর লেখা ‘মায়াপ্রদীপ’ প্রকাশিত হয়। এটি ছিল ছেলেমেয়েদের গল্প। বর্তমানে এটি দুষ্প্রাপ্য। এর প্রকাশকাল নিয়েও সংশয় রয়েছে। ১৩৪৪ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাস ‘বাগচী এণ্ড সন্স’ থেকে হেমচন্দ্র বাগচীর ‘তপনকুমারের অভিযান’ গ্রন্থটি প্রকাশ পায়। এই সময়ে হেমচন্দ্রের একের পর এক সাহিত্য সৃষ্টির নিদর্শন আমরা পাবো। ১৩৪৫ বঙ্গাব্দের (ইং ১৯৩৮ খ্রি.) বৈশাখ মাসে হেমচন্দ্র বাগচীর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘মানস-বিরহ’ প্রকাশিত হয়, যার প্রথম সংস্করণের মূল্য ছিল আট আনা।

আমার পক্ষে এই তথ্যগুলি সবই উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে— কবি হেমচন্দ্র বাগচীর সাহিত্যকর্মগুলি কাছ থেকে দেখার সুবাদে। আর সেই সুযোগটি অনেকটাই পাওয়া গিয়েছে কৃষ্ণনগরে ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মৃতি রক্ষা সমিতি’-র কাজ করতে গিয়ে। কবিপুত্র সুবীর বাগচীর প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতেই হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ করে রাখি— আমরা সমিতির পক্ষ থেকে ২০২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর কবির জন্মদিনে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করতে পেরেছি। গ্রন্থটি ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মারক গ্রন্থ’— এই শিরোনামে প্রকাশিত হয়। ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মৃতি রক্ষা সমিতি’-র পরিচালনায় সম্বৎসর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কবিকে শ্রদ্ধা-স্মরণ করা হয়। কৃষ্ণনগরে কবি হেমচন্দ্রের অনুরাগীরা ‘বিস্মৃতপ্রায় কবি’ হিসেবে হেমচন্দ্রকে ভবিষ্যতের হাতে তুলে দিতে নারাজ। কবির জীবন ও সৃষ্টিগুলি সম্পর্কে অন্তত যথাযথ চর্চা করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। অতি সম্প্রতি কৃষ্ণনগর পৌরসভার সৌজন্যে ঘূর্ণির পুতুলপট্টি মোড়ে কবি হেমচন্দ্র বাগচীর আবক্ষ মূর্তিটি সংস্কার (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩) করা সম্ভব হয়েছে। রাত্রিতে আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
সমকালে বাংলা সাহিত্যের দিকপালেরা কবি হেমচন্দ্র বাগচীর কাব্য প্রতিভার স্বীকৃতি দিতে ভোলেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে তাঁর থেকে অনেকটাই অনুজ কবি হেমচন্দ্র বাগচীর কবিতার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছিলেন। ১৩৪৫ বঙ্গাব্দে (ইং ১৯৩৯ খ্রি.) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পাদিত ‘বাংলা কাব্যপরিচয়’ গ্রন্থে হেমচন্দ্র বাগচীর ‘দুরাশা’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল। যার প্রথম সংস্করণের মূল্য ছিল দুই টাকা। কবি হেমচন্দ্র বাগচীর ‘দীপান্বিতা’ কাব্যগ্রন্থটি পড়ার পর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হেমচন্দ্রকে লেখা একটি চিঠিতে মন্তব্য করেছিলেন— “কল্যাণীয়েষু, তোমার দীপান্বিতা পড়ে আনন্দ পেয়েছি। বঙ্গ সাহিত্যের সম্পদ বর্ধন করার শক্তি তোমার আছে।” —এই চিঠিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি লিখেছিলেন, যা হেমচন্দ্র সম্পর্কে একটি মূল্যবান মানপত্র।

১৩৪৬ বঙ্গাব্দে কবি হেমচন্দ্র বাগচীর ‘কবিকিশোর’ গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল কবির নিজের সংক্ষিপ্ত আত্মজীবনী। বইটির অলংকরণে একাধিক সুদৃশ্য সাদাকালো ছবি ব্যবহৃত হয়েছিল। ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে হেমচন্দ্র বাগচী মালদহের আদিনা কলেজে অধ্যাপক পদে যোগদান করেছিলেন। অতঃপর ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে তিনি রাজশাহী কলেজে অধ্যাপক পদে স্থায়ী চাকরি পেয়েছিলেন। তবে মাত্র তিন মাস তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে হেমচন্দ্র বাগচী কৃষ্ণনগরে প্রত্যাবর্তন করেন।
কবির সম্পাদনায় ‘বৈশ্বানর’ পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশ পেয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে (এপ্রিল-মে, ১৯৪১ খ্রি.)। কৃষ্ণনগর থেকে এটি প্রকাশিত হয়। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে ‘বৈশ্বানর’ পত্রিকার দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ পায়। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে প্রকাশিত হয় ‘বৈশ্বানর’ পত্রিকার তৃতীয় সংখ্যাটি। আর ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে ‘বৈশ্বানর’ পত্রিকার চতুর্থ সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার মোট চারটি সংখ্যা প্রকাশ পেয়েছিল, যেগুলি আজ প্রায় দুষ্প্রাপ্য। কবির সৃষ্টিশীল জীবন আর বেশিদিন স্থায়ী হয় নি। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের একটু আগে থেকেই তাঁর মানসিক ব্যাধির গভীরতা প্রকাশ পেতে শুরু করে। সেখানেই সব শেষ হয়। ১৯৪৬ থেকে ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর কবি হেমচন্দ্র বাগচী মানসিক বৈকল্য নিয়েই বেঁচে ছিলেন। এক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে হেমচন্দ্রের খানিকটা সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়। উভয়ের মধ্যে যোগসূত্রতা ছিল বলেও জানা যায়। নজরুল নাকি একাধিকবার হেমচন্দ্রদের ঘূর্ণির বাড়িতে গিয়েওছিলেন। যাইহোক, কবি হেমচন্দ্র বাগচী ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দের ৪ এপ্রিল ৮২ বছর বয়সে তাঁর জন্মস্থান গোকুলনগর গ্রামেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বস্তুত, এই হল কবি হেমচন্দ্র বাগচী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ। কল্লোল যুগের উল্লেখযোগ্য একজন কবি হওয়া সত্ত্বেও, তিনি অনেকটাই বিস্মৃত। তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে বাংলা সাহিত্যের শিক্ষক বা শিক্ষার্থীদের মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ চর্চা হয় না বললেই চলে। হেমচন্দ্র সম্পর্কে চর্চার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য উপাদানেরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে— একথা স্বীকার করে নিতে দ্বিধা নেই। বিগত কয়েক বছরে ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মৃতি রক্ষা সমিতি’-র তত্ত্বাবধানে হেমচন্দ্র বাগচী সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা সচেতনতা বৃদ্ধি করা গিয়েছে। এখনো বহু পথ অতিক্রম করা বাকি। কবি অনুরাগীদের এই প্রয়াসকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না— সকলকে আহ্বান করি, আপনারাও এই কর্মকাণ্ডে শরিক হন।
লেখক: সম্পাদক, কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মৃতি রক্ষা সমিতি।
বিস্মৃত কবি হেমচন্দ্র বাগচী সম্পর্কে এই লেখাটি অত্যন্ত সুলিখিত ও মূল্যবান। লেখক আরও গবেষণা করে আরও তথ্য প্রকাশ করবেন, এমন আশা করি।
ধন্যবাদ আপনাকে। নিশ্চয় চেষ্টা করবো। ‘কবি হেমচন্দ্র বাগচী স্মারক গ্রন্থ’টি দেখতে অনুরোধ করবো।
বাংলা সাহিত্যের কবি বলতে এতদিন চেনা কতগুলো নাম এবং তাদের সাহিত্য কীর্তি শুনেছি প্রথম এনার সমন্ধে পড়লাম ভালোই লাগলো বেশ । নতুন একজন কবি কে চিনলাম ।
সুন্দর মন্তব্য। ধন্যবাদ।
Khub bhalo laglo boro dadu k nia lekha ta poray.Thank you.Ami onar boro chalay Amol Bagchi r natni.
ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
অতি মূল্যবান প্রতিবেদন। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কবি হেম বাগচী সম্পর্কে গবেষণা করতে সচেষ্ট হয়েছে তাঁর নামাঙ্কিত সমিতি।
ধন্যবাদ, দীপাঞ্জন।
আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম দাদা। অনেক ধন্যবাদ।
Darun hoyeche ????❤️❤️❤️❤️❤️????
ধন্যবাদ পবন।
খুব সুন্দর হয়েছে,,, এটা পরে ওনার ব্যাপারে অনেক কিছু ই জানলাম,,,!
খুব সুন্দর হয়েছে,,, এটা পরে ওনার ব্যাপারে অনেক কিছু ই জানলাম,,,! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ স্যার!????
বাংলা সাহিত্য জগতে, এতদিন শুধু নাম শুনে এসেছি কবি হেমচন্দ্র বাগচীর, কখনো সেই ভাবে এনার জীবন ও কর্ম নিয়ে জানা হয়নি,আজকে এনার ব্যাপারে পরে খুব ভালো লাগলো আর অনেক কিছু ই জানলাম,,,!
এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ স্যার!????
লেখাগুলি তোমরা পড়ছ বলে বেশ ভালো লাগছে।
আমাদের এত কাছের একজন প্রতিভাবান কবি সম্পর্কে আমাদেরকে অবগত করার জন্য লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ ।আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।