শিবশঙ্কর ভারতী : ভ্রমণ ও সাধুসঙ্গ (১-৪ খণ্ড, ২০১০), তীর্থ হিমালয়ে, তিন তীর্থে, ভারতের মন্দিরে মন্দিরে, ভারতের চারধাম, ভারততীর্থে পঞ্চপাণ্ড।
শিশিরকুমার চক্রবর্তী : কেদার বদরী স্মরণে।
শিশুতোষ সামন্ত : মানসের পথে। মানস-দর্পণে, হিমাচলের পথে প্রান্তরে।
শীতলাকান্ত চট্টোপাধ্যায় : দেশ পর্যটন (১৮৭৭)।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় : বাঙালের আমেরিকা দর্শন, ভ্রমণ সমগ্র (ভবকুঁড়ের বাইরে দূরে)।
শ্রীঅমিত : দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ ভ্রমণ।
শ্রীআনন্দম (স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়) : আনন্দধারার দেশে (১ম-২য়-৩য় খণ্ড)।
শ্রীদেবল : এই ভারতের পূণ্যতীর্থে।
শ্রীশুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী : হিমালয় ভ্রমণ (১৩১৯)।
শ্রীমৎ শঙ্কর স্বামী : তিব্বতে অজ্ঞাত গুপ্তমঠ।
শ্রীলা বসু : বাংলার টেরাকোটা মন্দিরঃ আখ্যান ও অলংকরণ (২০১৫, আনন্দ)।
শুভংকর : নন্দামন্দার দেশে।
শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী : হিমালয় ভ্রমণ।
শেফালী নন্দী : সন্ধানীর চোখে পশ্চিম (১৯৫৩), পান্নাদ্বীপ (১৯৫৫), গীতিমুখর ভিয়েনা (১৯৫৯)।
শৈবাল মিত্র : যাচ্ছি তাই।
শৈলেন্দ্রনারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী : আলোক তীর্থ (১ম খণ্ড), তপোভূমি নর্মদা (১-৮ খণ্ড)।
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় : হিমালয় তীর্থ ভ্রমণ (২০১০)।
সতীনাথ ভাদুড়ি : সত্যি ভ্রমণ কাহিনী (১৯৫১)।
সতীশচন্দ্র ঘোষ : চট্টগ্রামের বিবরণী (১৯১৬)।
সত্যেন্দ্রকুমার বসু : ভারতভ্রমণ (১৯১২,বঙ্গবাসী কার্যালয়)।
সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার : আমার দেখা রাশিয়া (১৯৫২)।
সত্যচরণ শাস্ত্রী (চট্টোপাধ্যায়) : কৈলাশ যাত্রা (১৯২৪)।
সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার : আমার দেখা রাশিয়া।
সত্যেন্দ্রপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় : হিমবন্তের দেব দেউল।
সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর : বোম্বাই চিত্র বা আমার বাল্যকাল ও আমার বোম্বাই প্রবাস।
সচ্চিদানন্দ সরকার : রাজপথ তীর্থপথ।
সমর গুহ : উত্তরা পথ।
সমর রায় : মেঘনা থেকে গঙ্গা।
সমরেশ বসু (কালকূট) : অমাবস্যায় চাঁদের উদয় (১৯৭৫), বাণী ধ্বনি বেণুবনে (১৯৭৫), তুষার সিংহের পদতলে (১৯৭৬), বনের সঙ্গে মেলা (১৯৮০), অমৃত কুম্ভের সন্ধানে (১৯৮৮), পূর্ণকুম্ভ পুনশ্চ (১৯৮৮)।
সমরেশ মজুমদার : যাযাবরী, অন্যরকম ভ্রমণ।
সমীর রক্ষিত : ফিনল্যান্ড ভ্রমণ।
সন্দীপ চট্টোপাধ্যায় : বুদ্ধপথের সন্ধানে (ভিরাসাত আর্ট পাবলিকেশন)।
সঞ্জয় সেন : নেপাল থেকে।
সঞ্জয়কুমার রায় : মুর্শিদাবাদের আঞ্চলিক ইতিহাস : জিয়াগঞ্জের সাতকাহন।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় : পালামৌ (১২৮৭-৮৮-৮৯-এ বঙ্গদর্শন-এ, ৬-কিস্তিতে প্রকাশিত)।
সরোজ চক্রবর্তী : তুষারতীর্থ কৈলাশ।
সাধনকুমার ঘোষ : পথে বিপথে (১৯৭৮)।
সাধনচন্দ্র বসু : ধ্যান মৌন হিমালয়।
সারদাপ্রসাদ ভট্টাচার্য : উত্তরাখণ্ড পরিক্রমা (১৯১২)।
স্বপন রায় : ঘরেতে ভ্রমণ এল (রোহিনী নন্দন, ২০২১)।
স্বর্ণকুমারী দেবী : দার্জিলিঙের চিঠি, গাজিপুরের চিঠি (ভ্রমণ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত রচনা)।
স্বামী অখণ্ডানন্দ : তিব্বতের পথে হিমালয়ে।
স্বামী অপূর্বানন্দ : কৈলাশ ও মানসতীর্থ।
স্বামী অভেদানন্দ : পরিব্রাজক, কাশ্মীর অমরনাথ তিব্বত ভ্রমণ, কাশ্মীর ও তিব্বতে।
স্বামী বিবেকানন্দ : পরিব্রাজকের ডায়েরি।
স্বামী ত্যাগীশ্বরানন্দ : উত্তরাস্যাং দিশি।
স্বামী দিব্যাত্মানন্দ : পুণ্যতীর্থ ভারত।
স্বামী যোগানন্দ সরস্বতী : হিমাদ্রি শিখরে।
সুকুমার চক্রবর্তী : এভারেস্ট মানুষ তেনজিং নোরগে (নোরগে কথিত, জেমস রামজে উলম্যান লিখিত Man of Everest -এর অনুবাদ)।
সুবীর ভট্টাচার্য : কলকাতার স্থাননাম।
সুনন্দন চক্রবর্তী : বাঙাল চক্কর (পরবাস)।
স্বামী রামানন্দ ভারতী : হিমারণ্য।
স্বামী শ্যামলানন্দ : হিমালয়ের চার ধাম।
স্বামী সহদেবানন্দ : অমৃতের সন্ধানে নর্মদায়।
সুকৃতি রায়চৌধুরী : তপোময় তুষারতীর্থ।
সুদিন চট্টোপাধ্যায় : ভারতকন্যা কেরালা।
সুদীপ্ত বিশ্বাস : পর্যটকের চোখে আজকের চিন (একুশ শতক)।
সুধা সেন : ধ্যানস্তব্ধ হিমালয়।
সুধাংশুকুমার ঘোষ : কাশ্মীরের অমর কথা।
সুধাময় মুখোপাধ্যায় : হিমালয়ের তিন তীর্থ।
সুধীর বসু : হিমালয় দর্শন।
সুধীররঞ্জন মুখোপাধ্যায় : মুখর লন্ডন (১৯৫৪), লন্ডন প্যারিস (১৯৬৩)।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় : ইউরোপ (১ম ও ২য় খণ্ড, ১৯৩৮, ১৯৪৫), দ্বীপময় ভারত ও শ্যামদেশ (১৯৪০), পশ্চিমের যাত্রী (১৯৪৯), বৈদেশিকী (১৯৪৩)।
সুধীরকুমার মণ্ডল : উত্তরভারতে মন্দিরে মসজিদে।
সুধীরকুমার আচার্য : নেপালের পথে।
সুধীরচন্দ্র দাঁ : বর্দ্ধমান পরিক্রমা।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় : রাশিয়া ভ্রমণ (১৯৮৪), কবিতার জন্য সারা পৃথিবী, তিন সমুদ্র সাতাশ নদী, আমার ভ্রমণ মর্ত্যধামে (১৯৮৮), ছবির দেশে কবিতার দেশে (১৯৯১), পায়ের তলায় সর্ষে (১ম ও ২য় খণ্ড, ১৯৮৬), মানস ভ্রমণ, নীল চাঁদ দ্বিতীয় মধুযামিনী, সুদূর ঝর্ণার জলে।
সুনীল চৌধুরী : পাহাড় পাহাড় খেলা, ত্রিশূলী তীর্থের পথে, অভিযাত্রীতীর্থ সুন্দরডুঙ্গা, হিমালয় ভ্রমণ ও গাইড, হিমালয়ের মানুষ, হিমালয়ের পথে প্রান্তে, হিমালয়ের হৃদয় হতে।
সুবীর ভট্টাচার্য : গহনে ট্রেকিং গোপনে ভ্রমণ, নীল নির্জনে সবুজ আহ্বানে, শিখরে শিখরে বাঙালি (একুশ শতক)।
সুবোধ ঘোষ : হিমালয় অভিযান ও শেরপা তেনজিং।
সুবোধ চক্রবর্তী : ট্যুরিস্ট গাইড।
সুবোধকুমার চক্রবর্তী : এই সুন্দর দেধ, আমাদের দেশ: উড়িষ্যা, আমাদের দেশ: অন্ধ্র, রম্যাণি বীক্ষ্য (২৭-খণ্ড) [ রাজস্থান, সৌরাষ্ট্র, দ্রাবিড়, কালিন্দি, মহারাষ্ট্র, উৎকল, উত্তর ভারত, হিমাচল, দক্ষিণ ভারত, কাশ্মীর, কামরূপ, কোশল, মগধ, গৌড়, অন্ধ্র, কর্ণাট, কেরল, কোঙ্কণ, অবন্তী, ভাগীরথী, অরণ্য, কিষ্কিন্ধা, তামিল, নেপাল, ভুটান, হিমালয়, প্রাচী, মধ্যভারত পর্ব ] কুটিল কুমায়ুন (১৯৬৯), সুন্দর নেহারি (১৯৭০), কেরালার উপকূলে (১৯৭১), চোখের আলোয় দেখেছিলেম (১৯৭২), কাশ্মীরি বাহার (১৯৭৩), রূপমতীর দেশে (১৯৭৫), কানাডা দেখা হল না (১৯৭৬), আমাদের দেশ: সাগর থেকে মরুতে (১৯৮৪), দ্বীপে দ্বীপান্তরে, একজন লামা ও মানস সরোবর, শাশ্বত ভারত-তীর্থের কথা, ছোটদের রম্যাণী বীক্ষ্য।
সুপর্ণা চক্রবর্তী : ক্যানভাসে মংপু।
সুভাষ মিস্ত্রী : সুন্দরবন ভ্রমণ (পত্রলেখা)।
সুভাষ মুখোপাধ্যায় : আমার বাংলা (১৯৫১), ডাক বাংলার ডায়েরি (১৯৬৫), আবার ডাক বাংলার ডাকে (১৯৮১), টো টো কোম্পানী (১৯৮৪), চরৈবেতি চরৈবেতি (২০০০), যেতে যেতে দেখা, ভিয়েতনামে কিছুদিন।
সুমন বিশ্বাস : যাত্রাপথের গল্প, হিমালয়ের অন্দরমহলে।
সুমন গুপ্ত : বৈদ্যনাথধাম।
সুমিত চট্টোপাধ্যায় : অচেনা গাড়োয়াল।
সুরেন্দ্রনাথ রায় : উত্তর পশ্চিম ভারত ভ্রমণ (১৯০৭)।
সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় : জাপানে (১৯১০)।
সুরেশচন্দ্র সাহা : হিমালয় যখন টানে।
সুরেন্দ্রনাথ রায় : উত্তর-পশ্চিম ভ্রমণ।
সুশীলকুমার বসু : রাজস্থানের পথে।
সুশীলচন্দ্র ভট্টাচার্য : মানস সরোবর ও কৈলাশ, হিমালয়ের পাঁচ ধাম।
সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় : কাবুলিওয়ালার বাঙালি বউ, মোল্লা ওমর তালিবান ও আমি।
সূর্যকুমার নায়ক : কৈলাশের ডায়েরি।
সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায় : বোলপুর একটি শহরের ইতিবৃত্ত (আশাদীপ)।
সেরিনা জাহান : ধূসর মস্কো (একুশ শতক)।
সৈয়দ মুজতবা আলী : দেশে বিদেশে (১৯৪৯), ভবঘুরে ও অন্যান্য (১৯৬২), মুসাফির (১৯৭১), জলে ও ডাঙায়, চাচা কাহিনী, গুরুদেব ও শান্তিনিকেতন।
সৌম্যেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় : হিমালয়ের পথে ভিলাঙ্গনা পাঁওয়ালী কান্থা।
সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর : যাত্রী (১৯৭৪)।
হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য : শ্রীচৈতন্যের ভারত পরিক্রমা।
হরেন ঘোষ : হিমালয়ে ঘুমের দেশে, হিমচক্র প্রকাশি হিমাদ্রি।
হরিপ্রভা তাকেদার : বঙ্গমহিলার জাপান যাত্রা (১৯১৫)।
হেমলতাদেবী (সরকার) : নেপালে বঙ্গনারী (১৯১২), তিব্বতে তিন বৎসর।
হেমদাকান্ত চৌধুরী : পুরীর চিঠি (১৯১১)।
হেমাঙ্গ বিশ্বাস : আবার চীন দেখে এলাম (১৯৭৫)।
হুমায়ুন আহমেদ : পায়ের তলায় খড়ম, উঠোন পেরিয়ে দুই পা, যশোহা বৃক্ষের দেশে।
হুমায়ুন কবীর : দিল্লী ওয়াশিংটন মস্কো (১৯৬৪)।
হিমাংশু দাস : এভারেস্ট ডায়েরী।
হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত : খাজুরাহো সুন্দরী, সোমনাথ সুন্দরী।
হিরন্ময় ভট্টাচার্য : মর্ত্যের অমরাবতী।
হীরেন সিংহরায় : আমার আফ্রিকা, উত্তরের আলোয় অচেনা উইরোপ (দে পাবলিকেশন)।
★★★আপাতত বাংলা ভাষায় রচিত ৫০২ জন লেখকের ভ্রমণ বিষয়ক দ্বিসহস্রাধিক গ্রন্থের সুলুকসন্ধান করতে পেরেছি মাত্র। আরও অসংখ্য গ্রন্থ আমাদের এই তালিকায় নেই। কারণ তার সন্ধান করতে পারি নি এখনো। ব্যক্তি এককের পক্ষে তার সন্ধান পাওয়া সময় সাপেক্ষ পরিশ্রমসাধ্য কাজ। ব্যয়বহুলও বটে! বঙ্গদেশের অসংখ্য লাইব্রেরিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। রয়েছে গ্রন্থপ্রেমী মানুষের ব্যক্তিগত সংগ্রহে।
আগ্রহীদের সাহায্য ব্যতিরেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই তালিকা সম্পূর্ণ করা প্রায় অসম্ভব! লাইব্রেরি, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা, অথবা গিল্ড এগিয়ে না এলে, বাংলা ভাষায় রচিত এই সমস্ত অমূল্য গ্রন্থাদি মুদ্রিত হরফে প্রকাশিত হয়েও, কালের কপোলতলে চিরতরে হারিয়ে যাবে।
এবারে ভাবার সময় এসেছে। বুধজনেরা নিশ্চয়ই বুঝবেন, এই সমস্ত অমূল্য গ্রন্থাদি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা। রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তরের অধীনে একটি আর্কাইভ অথবা ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে পর্যটন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি এক ক্লিকেই পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে, তা দ্বিভাষিক করা যেতে পারে, তাতে বাঙালি তথা বিশ্বের মানুষের কাছে আমাদের সম্পদ কে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে, প্রকৃত আগ্রহীদের সাহায্য প্রার্থনীয়।
সংগ্রহ ও সংকলন : শুভাশিস মণ্ডল, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
এ বিষয়ে বলাই বাহুল্য যে বর্তমান শাসকের দুর্মুল্য গ্রন্থ সংরক্ষণের সদিচ্ছার অভাব। এজন্য বহু গ্রন্থ অচিরেই বিনষ্ট হচ্ছে।