লকডাউন হোক মানবিকভাবে। কড়াকড়ি চলতে পারে, যেন বাড়াবাড়ি না হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নির্দেশ মেনেই রাজ্যজুড়ে পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ দারুণ কাজ করছে। কলকাতার নগরপাল অনুজ শর্মা জানান, জরুরি প্রয়োজন হলে ১০৭৩-এ ফোন করলে ট্যাক্সি মিলবে, তবে ৩ জনের বেশি ওই গাড়িতে উঠতে পারবেন না।

লকডাউন নিশ্চিত করতে চলছে নাকা চেকিং। রাজ্যের মাইক্রো স্পটগুলিতে চলছে নজরদারি। ড্রোন উড়িয়েও পরিস্থিতি নজর রাখছে পুলিশ। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফেক নিউজ ছড়িয়ে প্রায় ১০০ জন গ্রেফতার হয়েছে। লকডাউন অমান্যকারীদের ধরপাকড় চলছে।

তার মধ্যেই প্রবীণ ও অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করছেন পুলিশকর্মীরা। তাঁরা রক্তদান চালিয়ে যাচ্ছেন। শনিবার অবধি ১০ হাজারের বেশি ইউনিট রক্ত পাওয়া গিয়েছে শুধু রাজ্য পুলিশের রক্তদান শিবির থেকে।

কলকাতা পুলিশ দারুণ কাজ করছে। শনিবার ১১ এপ্রিল ৯ মাসের এক শিশুকে নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ি থামাতে চাইছিলেন এক মহিলা। সন্তানের ডায়ারিয়া ছিল। তা দেখেই সিঁথি থানার পুলিশ ওই মহিলাকে পৌঁছে দেয় আর জি কর হাসপাতালে। আবার কলকাতা পুলিশের সহযোগিতায় পথ দুর্ঘটনায় নিহত দুজনের দেহাবশেষ কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়া গিয়েছে। এ জন্য কলকাতা পুলিশকে ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।

