সুভাষ মজুমদার
লক ডাউন কার্যকর করতে সকাল থেকে পথে নামলে সিঙ্গুর থানার পুলিশ কর্মীরা। সাধারণ মানুষকে বলে বলেও তাদের টনক নড়ানো গেল না। তাই পুলিশ কর্মীরা পথে নেমে সাধারণ মানুষকে বোঝালেন তারপর কাজ না হওয়াতে বল প্রয়োগ করতে বাধ্য হলেন। সকাল থেকেই সিঙ্গুরের বিভিন্ন এলাকায় সরাকরি নির্দেশ অগ্রাহ্য করে বেশির ভাগ দোকান বাজার খোলা ছিল অন্যান্য দিনের মতোই চায়ের দোকানে ভিড় করা আড্ডা, বাজারে একসাথে প্রচুর লোকের জনসমাগম। পুলিশের কাছে অভিযোগ যেতেই পথে নামলো পুলিশ। রীতিমত হুঙ্কার দিয়ে বন্ধ করলো দোকান পাঠ। একসাথে জমায়েত দেখলেই জেলে ঢোকানোর হুমকি দিচ্ছে পুলিশ।

অন্যদিকে ধনিয়াখালিতেও একই চিত্র। মানুষ তার নিজের ভালোটা বোঝে না। ফলে তাকে তার ভালোর জন্য পুলিশকে বল প্রয়োগের রাস্তা ধরতে হলো। অন্যান্য দিনের মতোই ধনিয়াখালির সিনেমা তলা এলাকায় সরাকরি নির্দেশ অগ্রাহ্য করে বেশির ভাগ দোকান বাজার ছিল খোলা। রাস্তায় বাইক নিয়ে বের হয় বহু মানুষ। যেন ছুটির মেজাজে বন্ধ পালন করছেন সবাই। এই জনসমাগম আটকাতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকে পথে নামে ধনিয়াখালি থানার পুলিশ। লকডাউন না মেনে রাস্তায় বের হওয়া জনতার উপর লাঠি চার্জ করতেই শুনশান হয়ে যায় এলাকা। মানুষ আর পথে বেড়চ্ছেন না।

একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে তারকেশ্বরে। তারকেশ্বরের থানা রোড, জয় কৃষ্ণ বাজার, পদ্মপুকুর চাউল পট্টি এলাকায় সরকারি নির্দেশ অগ্রাহ্য করে বেশ কিছু দোকান বাজার খোলা রাখে। মোড়ে মোড়ে অন্যান্য দিনের মতোই চায়ের দোকানে চলে খোশ মেজাজে দেদার আড্ডা। অভিযোগ আসতেই রাস্তায় নেমে পুলিশ। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করে লাঠি চার্জ করে। লক ডাউনের আইন না মানায় দুজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

ছবি : সুভাষ মজুমদার