একদিকে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে থেকে ভরসা দিতে, তাঁদের স্বার্থরক্ষায় ব্যর্থ কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ ব্যবহার নিয়ে বেআইনি কাজ চলছে! এর প্রতিবাদে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি টুইটারে লিখেছেন, কীসের ভিত্তিতে সব সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারীদের ওই অ্যাপ বাধ্যতামূলক ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে? এমন নির্দেশ কোনও আইনবলে দেওয়া যায় না। কেউ যদি এর অপব্যবহার করে বা তথ্য চুরি হয় এই অ্যাপের মাধ্যমে তাহলে তথ্যপ্রযুক্তি আইন লঙ্ঘনের দায় কার? মহুয়া এরপর লিখেছেন, নাগরিকরা নিশ্চিত থাকুন সরকার এই অ্যাপ ব্যবহার করতে কাউকে জোর করতে পারে না।

এর আগে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়েও সরব হন মহুয়া। নির্মাণকাজ চলার সময় ব্যবহৃত মিক্সার মেশিনে ঢুকে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছিলেন ১৮ জন শ্রমিক। তাঁরা এভাবে মহারাষ্ট্র থেকে লখনউযাচ্ছিলেন। ইন্দোরে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ তাঁদের গাড়ি থেকে নামায়, গাড়িটা আটক করা হয়। এফআইআর দায়ের হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তা যে হয়নি আরও একবার সেই ছবি সামনে এলো। শ্রমিকরা যে কোনও মূল্যে ফিরতে চাইছেন। আর কেন্দ্র শীর্ষ আদালতে বলছে, শ্রমিকরা রাস্তায় নেই। সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে!

বিজেপির দখলে থাকা মধ্যপ্রদেশে শ্রমিকদের এই দুরবস্থার ছবি তুলে মহুয়া মৈত্র অমিত শাহকে প্রশ্ন করেছেন, এঁদের দেখে কি আপনার ঘুসপেটিয়া বা অনুপ্রবেশকারী মনে হচ্ছে? বাস্তবকে মিথ্যা আর মাস্কের আড়ালে না লুকিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন? গরিব মানুষকে ন্যূনতম সম্মান দিতে ব্যর্থ মোদী-শাহরা! শ্রমিকরা খাবার পাচ্ছেন না, মজুরি নেই। আর শুধু মন্দির-মসজিদ চলছে!