ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজন-সহ নানা সময় সিএবি-র পাশে থাকে রাজ্য সরকার। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এজন্য মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি প্রকাশ্যে কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন। ভারত-দঃ আফ্রিকা সিরিজ আপাতত বাতিল হলেও ঠিক ছিল বুধবার ১৮ মার্চ ওই ম্যাচ হবে ইডেনে। কিন্তু করোনা-সতর্কতার জেরে যখন ওই ম্যাচ আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে অন্ধকারেই রেখেছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিসিসিআই। স্পষ্টত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। সিদ্ধান্ত নিয়ে তারপর বলা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ, সরকারের সচিবদের সঙ্গে তো কথা বলা উচিত ছিল বিসিসিআইয়ের। আমরা কিছু না করলে বলতো, কিছু করিনি! এদিন রাজকোটে ছিলেন সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠকে অভিষেকের খোঁজ করেন। পরে সিএবি প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতির খবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সুরক্ষার কথা ভেবে নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ দেন। যদিও সভা শেষের দিকে সিরিজ বাতিলের খবর আসে। তা টুইট দেখে পড়ে শোনান মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস। না, বিসিসিআই বা সিএবি-র কেউ সে কথা মুখ্যমন্ত্রী বা এমনকী ক্রীড়ামন্ত্রীকেও প্রথমে জানাননি।