১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে থাকছে না ১০৯টি চেকপোস্ট। এতে কৃষিজাত পণ্য পরিবহন মসৃণ হবে, অনেক মানুষের হয়রানি থাকবে না। রাজ্য সরকারের ২০০ কোটি টাকা আয় কমলেও মানুষ যাতে ভালো থাকেন, কৃষক, মৎস্যজীবীরা যাতে ভালো থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। বুধবার ১১ মার্চ নবান্নে এ কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অ্যাগ্রো মার্কেটিং নিয়ে বৈঠকে আমরা অভিযোগ পেতাম চেকপোস্টে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ি দাঁড় করানোর ফলে কৃষিজাত পণ্য, মাছ ইত্যাদি নষ্ট হতো। ২২টি রেগুলেটেড মার্কেট অথরিটি চেকপোস্টগুলিতে পণ্য চেক করতো। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বা যাঁরা বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করেন তাঁরা চেকপোস্ট নিয়ে অভিযোগ জানাতেন। ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে কোনও চেকপোস্ট থাকবে না। ফলে সেল্ফ ডিক্লারেশন নিয়েই কৃষিজাত শস্য বা মাছ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে। গোটা রাজ্য এখন ‘ওপেন মার্কেট’ হিসেবে গণ্য হবে। চেকপোস্টগুলিতে যে ৬৫০ জন চাকরি করছেন তাঁদের কাছাকাছি কৃষক বাজার বা কিষাণ মাণ্ডিতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকদের পরিষেবার কাজে তাঁরা নিযুক্ত থাকবেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাতে আমরা সবুজ বিপ্লব করেছি। কৃষকদের নানা সুবিধা প্রদান করে সরকার। তাঁদের আয় তিনগুণ হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় অনেক পরিবারের সুবিধা হবে।করোনা নিয়ে রাজ্যে কারও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে ফের জানান মুখ্যমন্ত্রী। মুরগি থেকেও এই রোগ ছড়ায় না, ফলে চিকেন খেতেও কোনও বিধিনিষেধ নেই। গুজব রটিয়ে যাতে অন্য কোনও কিছুর দাম না বাড়ে সেজন্য এনফোর্সমেন্ট বিভাগকে তৎপর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শুরু। পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাস্তা অবরোধ-সহ এমন কিছু কেউ করবেন না যাতে পরীক্ষা দিতে কারও অসুবিধা হয়।