রাজ্যের বেশ কিছু জেলা ও শহরে কমপ্লিট সেফটি রেসট্রিকশন্স ২৭ মার্চ অবধি জারি করেছিল রাজ্য সরকার। তবে অনেক জায়গাতেই সেই নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাস্তায় ফূর্তি করতে বেরিয়েছিলেন কিছু কাণ্ডজ্ঞানহীন লোকজন। এবার তাই কড়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। মঙ্গলবার ২৪ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, কমপ্লিট সেফটি রেসট্রিকশন্স ৩১ মার্চ অবধি গ্রাম, শহর সর্বত্র জারি থাকবে।

হাতজোড় করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন কষ্ট হলেও আপনারা ভালো থাকতে নিয়ম মেনে চলুন। রাস্তায় অকারণে নামা, ক্রিকেট খেলে বিপদ বাড়াবেন না। প্রথম ১ লাখ আক্রান্ত হতে ৬৭ দিন লেগেছিল। তারপরের ১ লাখ বাড়তে ১১ দিন আর তারপর ৪ দিনে আরও ১ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাজারে যাবেন। তবে গাদাগাদি করে দাঁড়াবেন না, দূরত্ব বজায় রাখুন, সংস্পর্শ এড়ানো। মাটিতে ফেলে নয়, গাড়িতে রেখে সংবাদপত্র তুলে দিতে হবে হকারদের হাতে।

কেন্দ্রীয় সরকার গরিব মানুষের কথা ভেবে এখনও কোনও সাহায্য না করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করলেন নতুন প্রকল্প। অসংগঠিত ক্ষেত্রে যুক্তদের ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্পের মাধ্যমে। ১৫ থেকে ৩০ এপ্রিল অবধি আবেদন করা যাবে। অর্থ বিষয়ক কিছু বিষয় ও নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এরপর কলকাতার নগরপাল অনুজ শর্মাকে নিয়ে সারপ্রাইজ ভিজিটে বেরোন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রথমেই যান আর জি কর হাসপাতালে। এরপর তিনি যান কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে তিনি কর্মচারী এবং ডাক্তারদের হাতে মাস্ক তুলে দেন।


