সারপ্রাইজ ভিজিট শুরু করেছিলেন আর জি কর হাসপাতাল দিয়ে। এরপর তিনি যান কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এন আর এস, এস এস কে এম হাসপাতালে। সেখান থেকে তিনি যান রাজারহাটে কোয়ারান্টিন কেন্দ্রে। তিনি বলেন, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেজন্য হোটেল, গেস্ট হাউসের ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার।

নিজেদের পরিবারের সদস্যদের থেকে দূরে রাখুন। কোনও ভয় নেই। নিয়ম মেনে চললে এই রোগ সারানো যায়। আমরিতে যিনি মারা গিয়েছেন তাঁর ডায়বেটিস, হাইপারটেনশন ছিল। আগে থেকে রোগ না লুকিয়ে চিকিৎসা করালে এই মৃত্যু এড়ানো যেত। এরপর বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালেও যান মুখ্যমন্ত্রী। সুপার, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে অন্য হাসপাতালের মতো এখানেও বলেন, আপনারা যাঁরা মানুষের সেবায় নিয়োজিত তাঁদের স্যালুট জানাতে এসেছি।

আপনারা ভিতরে আছেন। কিছু দরকার হলেই জানাবেন, আমরা পাশে আছি। ১০০ বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ডের কাজ কতটা এগোলো, কটি বেড আছে, সেই খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার কয়েকজন ছুটি পাবেন বলে জানান চিকিৎসকরা। যে আটজনের করোনা পজিটিভ তাঁরাও স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের মনোবল বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী এরপর যান এম আর বাঙুর হাসপাতালে। সেখানে দাঁড়িয়ে অরূপ বিশ্বাসকে ফোন করে বলেন, হাসপাতালের কাছে কোনও ভালো হোটেল বা গেস্ট হাউসে থাকার ব্যবস্থা করুন।

মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের বলেন আপনারা খুব ভালো করছেন। তাঁরা বলেন, দিদি আপনার নেতৃত্বেই কাজ করছি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সুস্থ থাকা সবার আগে জরুরি। নাহলে আমাদের সকলের বিপদ হবে। তাই ভালো থাকুন। স্বাস্থ্য দফতর থেকে তো পাবেন, তার বাইরে এদিন মাস্ক, স্যানিটাইজার দেওয়া হলো।
