২ টাকা কেজি দরে যাঁরা রেশনে মাসে ৫ কেজি চাল, গম পান এরকম ৭ কোটি ৮৫ লক্ষ মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেবে রাজ্য সরকার। এই ব্যবস্থা চলবে আগামী সেপ্টেম্বর অবধি। শুক্রবার ২০ মার্চ নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৩১ মার্চ অবধি রাজ্য সরকারি দফতরে ৫০ শতাংশ কর্মী হাজিরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রোস্টার তৈরি হবে।সরকারের ই-অফিস চালু রয়েছে, বাড়ি বসেই কর্মীরা কাজ করবেন। বেসরকারি সংস্থাগুলিতেও এমন ব্যবস্থা করার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামো তৈরিতে স্টেট এমার্জেন্সি রিলিফ ফান্ড তৈরি করেছে সরকার। যাঁরা আগ্রহী তাঁরা সাহায্য করতে পারেন সোমবার থেকে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, যে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাইকর্মী, পুলিশরা এখন মানুষের সেবার কাজে নিয়োজিত তাঁদের পুজোর পর বিশেষ ছুটি দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এর আগেও অনেক রোগের মোকাবিলা করেছি আমরা। এটাতেও সম্ভব একটু সতর্ক থাকলে। মাস্ক না পেলে পরিষ্কার গেঞ্জির কাপড় দিয়ে মুখ, নাক ঢেকে রাখুন। এটাকে জীবাণুমুক্ত করে ফের ব্যবহার করা যায়। নিম, তুলসি খান। কোয়ারান্টিন বা হোম আইসোলেশন শুনে ঘাবড়াবেন না। এটা অনেকটা পক্সের রোগীকে আলাদা ঘরে রাখার মতো। রোগীর বাথরুম ব্যবহার করবেন না, ঘর পরিষ্কার করতে হলে গ্লাভস, মাস্ক ব্যবহার করবেন। শক্তিশালী থেকে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করলেই সকলে ভালো থাকতে পারব। রাজ্যে খাদ্যশস্যের অভাব নেই বলেও সকলকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার খোলা থাকবে, কেউ কৃত্রিম অভাব তৈরি করে কালোবাজারি চালালে বা গুজব রটালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, কলকাতার নগরপাল অনুজ শর্মা জানান, বালিগঞ্জের এক আবাসনের দুই মহিলা বিদেশ থেকে আসার পরে রাজ্যে মহামারী আইন লাগু থাকা সত্ত্বেও গৃহ পর্যবেক্ষণে থাকার নিয়ম না মানায়, তাঁদের পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

Mam my daughter is outside of India she has told that there is infective cases are rapidly increasing.l am helpless,if you help me then will be highly obliged for ever.