কেউ কেউ রাজনীতি করতে নেমে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। তাঁদের বলি, এটা উত্তেজনা ছড়ানো, ফেক নিউজ ছড়ানোর সময় নয়। পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়ার সময় নয়। কাউকে দোষারোপ করার সময় নয়। ঘোলা জলে মাছ ধরার সময় নয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির উদ্দেশে এই বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল বলেন, নতুন একটা রোগ এসেছে তাকে মোকাবিলা করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের নজরে এসেছে রেশন দোকানে গিয়ে এক-দুটো পার্টি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। বলছে, আরও চাল দেব, পার্টি থেকে দেব। কেউ রেশন ডিলারদের বলছে, আমাদের চাল দাও আমরাই বিলি করব! এ সব চলবে না। সরকারের নিয়ম মেনে চাল, গম, চিনি দেওয়া হবে। ফ্রিতে সরকার রেশন দেবে ছ মাস, কদিন বাদে ডালও দেওয়া হবে। যাঁরা রেশনে চাল তোলেন না কোনওদিন তাঁরা গিয়ে বলছেন, চাল দিতে হবে। গরিব মানুষদের ঠিক দেওয়া হবে, কেউ অভুক্ত থাকবেন না, তবে এই সময়ে কাউকে পকেট ভরানোর সুযোগ দেওয়া হবে না। আমাদের দল চাল কিনে বিলি করেছে। অন্য দল সেবা করতে চাইলে কিনে দিক, তবে রেশন দোকান থেকে চাল নিয়ে বিলি করা যাবে না। রেশন ডিলার বা ডিসট্রিবিউটরদের ডিস্টার্ব বরদাস্ত করা হবে না।
মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, যারা লকডাউন চালু করল, তারাই নিয়ম ভাঙছে। ব্যাঙ্ক আর পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট খোলানো আর গ্যাস দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষকে বড়ো লাইনে দাঁড় করিয়েছে! এ ব্যাপারে ওদের সঙ্গে কথা বলতে বলেছি মুখ্য সচিবকে। রেশন দোকানে যাতে ভিড় না হয় আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি। এনজিও, ক্লাব, জনপ্রতিনিধিদের বলব, যাতে কোথাও ভিড় না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে।