মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎপরতায় তাঁর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ সিপিআইএমের বিধায়ক জাহানারা খান। কিন্তু কেন?
জামুড়িয়ার সিপিআইএম বিধায়ক জাহানারা খান জানালেন, গত ১৭ মার্চ আমি আমার ভাই আমজাদকে নিয়ে তাঁর চিকিৎসা করাতে প্লেনে চেন্নাইয়ে যাই। সেখানে ওইদিন রাতেই হাসপাতালে পরীক্ষা করাতে গিয়ে জানতে পারি, ভাইয়ের পায়ে বোন ম্যারোতে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। ২৬ মার্চ পায়ে অস্ত্রোপচারের থেকেই ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। ২৮ মার্চ রাত ২টোয় আমজাদের মৃত্যু হয়। তখন চিন্তা হচ্ছিল ভাইয়ের দেহ নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারব তো?
জাহানারা বলেন, এরপর ফোন করলাম আমাদের দলের নেতা সুজন চক্রবর্তীকে। নবান্নে মুখ্য সচিবকেও জানানো হয়। তিনি পরামর্শ দেন আসানসোলের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলার। এর মধ্যে সুজন চক্রবর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা ভুলব না। কৃতজ্ঞতা জানাব আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার সুকেশকুমার জৈনকেও। তিনি চেন্নাইয়ের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে অ্যাম্বুল্যান্সে আমার ভাইয়ের দেহ জামুড়িয়ায় আনার ব্যবস্থা করেন। সোমবার রাত ২টোর সময় আমরা ফিরি। সকাল ৯টায় নিউ কেন্দায় ভাইয়ের দেহে মাটি দেওয়া হয়। ভাই কলকাতার বাঘাযতীনে একটা এডুকেশনাল কাউন্সেলিংয়ের কাজ করত। আমজাদের জন্য রাজ্য সরকার যা করল তা ভোলার নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়ে যেভাবে আমাদের চিন্তামুক্ত করলেন তাতে তাঁর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকব।