রোগ বা মহামারী কোনও জাতি, বর্ণ, ধর্ম দেখে হয় না। এখন রাজনীতি নিয়ে কথা বলার সময় নয়। তবু এ প্রশ্ন আসবেই, নিজামুদ্দিনে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া কেন হয়েছিল? কেন অ্যাকশন নেওয়া হয়নি? ১৩ মার্চ ওই অনুষ্ঠান হয়, লকডাউন ঘোষণা হয় ২৪ মার্চ। অথচ জানুয়ারি মাসের শেষে ভারতে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মিললেও কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে দিল্লিতে দাঙ্গাও হয়। বুধবার ৮ এপ্রিল নবান্নে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, তথ্য না জেনে অনেকে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিদেশ মন্ত্রক আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যকে কোনও তথ্য দেয়নি। বিদেশ থেকে যাঁরা এলেন তাঁরা তো পাসপোর্ট, ভিসা নিয়ে ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে এসেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার জানানোর ৬ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। নিজামুদ্দিন থেকে এ রাজ্যে আসা মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মায়ানমার-সহ বেশ কয়েকটি দেশের ১০৮ জনকে এবং বাংলা থেকে ওখানে যাওয়া ৬৯ জন ও তাঁদের সংস্পর্শে থাকা দুশোর উপর মানুষকে কোয়ারেন্টিনে দশ দিন ধরে রাখা হয়েছে। সব তথ্যই সব সময় কেন্দ্র বা রাজ্য প্রকাশ্যে আনতে পারে না। কোনও ঘটনা ঘটলে রাজ্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো হয়। আর ভালো কিছু হলে অনেকে ক্রেডিট নেয়।