রাজ্যে তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অথচ গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত বঙ্গবাসীর রায়দান নিয়ে তেমন নিশ্চয়তা ছিল না। যদিও বিজেপি বাংলা দখল করেই ফেলেছে; এমনটাই প্রচার করেছিল। এমনকি কেন্দ্র সর্বশক্তি নিয়ে বাংলায় ঝাপিয়ে পড়েছিল। তাঁদের সেই আশায় জল ঢেলে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে শাসকদল হিসেবে ফিরে এসেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে দলবদল থেকে শুরু করে সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও অনেক পরিবর্তন ঘটেছে তৃণমূল কংগ্রেসে। রাজ্যস্তর থেকে জেলা এমনকি অঞ্চলগুলির সংগঠন ও নেতৃত্ব নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছে।
শনিবার মঙ্গলকোট বিধানসভার বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর উদ্যোগে ও উপস্থিতিতে ওই এলাকার ঝিলু-১ নং অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের নিয়ে সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সাংগঠনিক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোট পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ তথা ক্ষীরগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মেহেবুব চৌধুরী এবং পূর্ত ও পরিবহন কর্মাধ্যক্ষ মুন্সি রেজাউল হক ও ঝিলু-১ নং অঞ্চল সভাপতি এবং অঞ্চল প্রধান-সহ তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ কর্মীবৃন্দ।
সাধারণত তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক আলোচনা সভায় নেতারা দলের সাধারণ কর্মীদের কাজে উৎসাহ দেওয়া থেকে শুরু করে আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়েই আলোচনা করেন। এছাড়া অঞ্চলে দলের কাজ, সেগুলির অগ্রগতি, কাজ করতে গিয়ে কর্মীদের সুবিধা অসুবিধা ও অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, শনিবার ছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। তৃতীয়বার বাংলার মসনদে বসার পর এদিনই ছিল প্রথম দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন দলের ছাত্র প্রতিনিধিদের দলনেত্রী নতুন ভাবনার কথা জানিয়েছেন। জেলায়-জেলায় বড় পর্দায় তৃণমূল সুপ্রিমোর ভার্চুয়াল বক্তৃতা সম্প্রচার করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।