গত ১৬ অগাস্ট থেকে ফের শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প। এই ক্যাম্পের মাধ্যমেই চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম দেওয়া ও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বিষয়ক কাজকর্ম। শুরুর দিন থেকেই প্রায় সব জায়গাতেই দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে মানুষের ভিড়। স্বভাবতই ভীড়ের কারণেই ছোটখাট অশান্তি ও গোলমালের অভিযোগ উঠছে। তবে এই ক্যাম্পগুলিকে যে ব্যাপক সাড়া মিলেছে তা বলাই বাহুল্য।

হিসাব বলছে গত ২৪ অগাস্ট দুয়ারে সরকারের ১ কোটি রেজিস্ট্রেশন পূর্ণ হয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রথম পর্বে ১৮ দিনে ১ কোটি রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল। এবার ৯ দিনে ১ কোটি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। এই তথ্যই প্রমাণ করে, দুয়ারে সরকার প্রকল্পে কতটা সাড়া মিলেছে।
বৃহস্পতিবার মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর উদ্যোগে নিগন অঞ্চলে শুরু হল দুয়ারে সরকার প্রকল্পের ক্যাম্প। সেখানে বিধায়ক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোট পঞ্চায়েত সমতির জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধক্ষ্য মেহবুব চৌধুরী, নিগন অঞ্চল সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকে।

সম্প্রতি পদ্মার জলে প্লাবিত হয়েছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের চর বাজিতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম। কিন্তু গ্রামবাসীদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিতে নৌকায় চড়ে গ্রামে গ্রামে পৌঁছে গিয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। সেখানে হাঁটুজলে দাঁড়িয়েই চলে ফর্ম সংগ্রহ। অন্যদিকে, দুয়ারে সরকার ও পাড়ায় সমাধান প্রকল্পকে ঠিকভাবে পরিচালনা করতে রাজ্য সরকার অ্যাপেক্স কমিটি গঠন করেছে। অ্যাপেক্স কমিটির নেতৃত্বে আছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব।