লকডাউন চললেও অনেক জায়গায় ছুটির মেজাজে রাস্তায় মানুষ। চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। বেপরোয়া এইসব মানুষকে বাড়ি পাঠাতে লাঠি চালাতে বাধ্য হচ্ছে পুলিশ। রিক্সার চাকার হাওয়া খুলে দিতেও বাধ্য হচ্ছেন মানুষ, যাতে সরকারি নির্দেশ মেনে সকলে ঘরে থাকেন। দেশের অনেক রাজ্যে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিস্থিতিতে জানিয়ে দিয়েছে, মনে করলে সব রাজ্য কারফিউ জারি করতে পারে।বাংলায় ইমামদের সংগঠন জানিয়ে দিয়েছে, মসজিদে সকলের আসার দরকার নেই।

মসজিদে ৪-৫ জন আযানের সময় শুধু থাকবেন। এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কলকাতা হাইকোর্ট বন্দিদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিন সদস্যের কমিটি গড়ে দিয়েছে। কাদের জামিন আর কাদের প্যারোল দেওয়া হতে পারে সে বিষয়ে ৩১ মার্চ রিপোর্ট দেবে কমিটি। এতে রয়েছেন স্টেট লিগাল সার্ভিস অথরিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত, কারা বিভাগের ডিজি এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি।

জরুরি পরিষেবায় নিজেদের জীবন বিপন্ন করে যাঁরা কাজ করছেন তাঁদের কেউ কোনওভাবে হেনস্থা করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
