১৫ নভেম্বর ২০২০ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স-এর কনফারেন্স কক্ষে কেন্দ্রিয় সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী রামদাস আটওয়ালে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এমসিসির প্রেসিডেন্ট আকাশ শাহ কেন্দ্রিয় মন্ত্রীকে স্বাগতম জানিয়ে বলেন, মন্ত্রী মশাই যে উদ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া দলিত এবং তফশিলী সমাজের মানুষের জন্যে কাজ করছেন তা অতুলনীয়। তিনি আরও বলেন ২০১১ ভারতীয় আদম সুমারিতে ১৬.৫ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ ২০১৪ কোটি ভারতীয় তফশিলী সমাজের। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যা ২৩.৪১ শতাংশ জাতীয় জনসনংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি। তিনি বলেন বাংলায় এমন ১০টি জেলা আছে যার তফশিলী জনসংখ্যা ৪০ শতাংশের ওপরে, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে এই সংখ্য্যা ৭১%। তিনি মন্ত্রীমশাই-এর কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন এই সব জেলায় কোনও বিশেষ প্রকল্প রূপায়িত করা গেলে বহু মানুষের উপকার হবে।
কেন্দ্রিয় মন্ত্রী রামদাস আঠোওলে এমসিসিকে দেশের গুরুত্বপূর্ণতম বণিক সংগঠন হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এই সংগঠনের নানান শ্রেণীর সঙ্গে যুক্ত থাকার কাজে তাকে মুগ্ধ করেছে। চেম্বারের বহুমুখী পরিকল্পনায় বহু গরীব মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয় হলেন রিপাব্লিকান পার্টির সদস্য; এই দলটি বাবা সাহেব আম্বেদকরের হাতে তৈরি। তিনি এই পার্টির সদস্য হওয়াতে নিজেকে গর্বিত মনে করেন।

মন্ত্রী মহোদয় বলেন, তার মন্ত্রক সমাজের সব স্তরের মানুষের ন্যায় বিচার দেওয়ায় বিশ্বাসী। যে সব শিল্প সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্যে কাজ করবে সেই শিল্পগুলিকে তার মন্ত্রক সবসময় সাহায্য করার জন্যে হাত বাড়িয়ে দেবে। তার মন্ত্রক যুবকদের জন্যে ২০ লক্ষ থেকে ১৫ কোটি টাকার ভেঞ্চার ক্যাপিট্যাল ফান্ড তৈরি করেছে। এছাড়াও তিনি তার মন্ত্রকের নানান প্রকল্পের বিশদ বর্ণনা দেন। মন্ত্রী বিভিন্ন শিল্পসংস্থাকে সিএসআর প্রকল্পে গরীব মানুষদের বাড়ী তৈরি করে দেওয়ার অনুরোধ করেন। এই প্রসঙ্গে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ললিত বেরিওয়ালা মন্ত্রীকে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দেওয়ার অনুরোধ জানান। সংগঠনের ট্রাস্টি এবং ভূতপূর্ব প্রেসিডেন্ট আত্মারাম সোন্তালিয়া প্রবীণ মানুষদের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে মন্ত্রী রামদাস আটওয়ালের সঙ্গে কথা বলেন।
ছবি : অংশুমান গাঙ্গুলি