‘আমরা কি চা খাব না?’। জনতার কারফিউয়ের দিন এই প্রশ্ন করায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হন মৃদুল দেব। নানা মিম তৈরি করে মজা চলছিল। অনেকে এসে ছবিও তুলেছিলেন তাঁর সঙ্গে। এর মধ্যেই সামনে আসে মৃদুলবাবুর জীবন সংগ্রামের কথা।

তিনি রাজমিস্ত্রীর জোগালের কাজ করেন। দিন আনা দিন খাওয়া মৃদুলবাবুর বাড়িতে রয়েছেন স্ত্রী, পুত্র, বৃদ্ধা মা ও বিশেষভাবে সক্ষম বোন। লকডাউনে সমস্যায় পড়া মৃদুলবাবুর পরিবারের পাশে প্রথম দাঁড়ান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পাঠান খাদ্যসামগ্রী। এরপর একে একে ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। কিন্তু এবার সেই পরিবারের ভার নিলেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।

তিনি তাঁর প্রতিনিধিকে পাঠিয়ে ভিডিও কল মারফত কথা বলেন মৃদুলবাবুর সঙ্গে। বলেন, এদিন কিছু খাদ্যসামগ্রী পাঠালাম। চা পাঠাব, ঘরে বসেই খাবেন। কোনও কিছুর দরকার হলে আমাকে ফোন করে বলবেন। সাংসদের ভূমিকায় খুশি মৃদুলবাবু ও তাঁর পরিবার মিমিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বিখ্যাত ‘চা কাকু’ সবাইকে ঘরে থাকার আর্জি জানিয়েছেন। আর বলেছেন, ছেলেটার একটা কাজের ব্যবস্থা হলে ভালো হয়।