করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকার সকল নাগরিককে সুরক্ষিত রাখতে যেভাবে তৎপরতার সাথে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এমত অবস্থায় বিধায়ক সমীর পাঁজার উদ্যোগে উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার ১৬টি অঞ্চলের প্রায় ৩৫,০০০ অসহায়, দুঃস্থ পরিবারের মুখে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে সুরক্ষারেখা মেনে, পাশাপাশি এর সাথে সাথেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্য আপাতকালীন ত্রাণ তহবিলে সাধ্যমত ২৮,৬৫,৯৬৪ টাকা তুলে দিয়েছিলেন কিছুদিন আগেই উলুবেড়িয়ায় পুলিশ সুপার ও মহকুমাশাসকের মাধ্যমে।
লকডাউন ঘোষণা হবার পর থেকেই এলাকার প্রায় প্রতিটি গ্রামে গ্রামেই দৌড়ে বেড়িয়ে মানুষের সমস্যা, সমাধান করেছেন বিধায়ক সমীর পাঁজা। কখনও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে হাসপাতালের সুপার, ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক—আবার কখনো স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের বিডিও থেকে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, কর্ম্যাধক্ষগন ও প্রধানদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। সর্বক্ষণ এলাকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখতেন।

এবারে নিজস্ব ফেসবুক পেজ কে ব্যবহার করে পরোক্ষভাবে দাঁড়ালেন বিধায়ক সমীর পাঁজা। পুরাশ কানপুর হরিদাসনন্দী মহাবিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খিলা অঞ্চলের কমলচক গ্রামের বাসিন্দা রিয়া মাঝি। শারীরিক ভাবে প্রতিবন্ধী রিয়া। মা, বাবা, ছোট্ট ভাই নিয়ে সংসার। পরিবারের আর্থিক অবস্থা সংকটে থাকায় বিধায়ক সমীর বাবুর শরণাপন্ন হন রিয়া। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন বিধায়ক সমীরবাবু। স্বভাবতই ছাত্রী রিয়া মাঝির চোখে মুখে খুশির হাওয়া। খাদ্যসামগ্রী পেয়ে ছাত্রী রিয়া মাঝি জানায়, আমি শারীরিক প্রতিবন্ধী। পরিবারের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় বিধায়ক সমীর স্যারকে জানিয়েছিলাম ওনার ফেসবুক পেজে। তারপরেই ২৪ ঘন্টাও কাটেনি, আমার বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন বিধায়ক স্যার। এই সংকটের সময় আমার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, এই অবদান ভুলবো না কোনও দিন। আপনি , আপনার ফ্যামিলির সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আমার প্রণাম নেবেন MLA স্যার।