কেউ বলছেন, ইনি পিএম না তান্ত্রিক? কেউ আবার বলছেন, যাক বাবা মোমবাতি বা টর্চের উপর দিয়ে গেল! কেউ আশঙ্কা করছেন, প্রদীপ, মোমবাতি কিনতে সবাই আবার দোকানে ছুটলে সোশ্যাল ডিসটান্সিংয়ের কী হবে! কিংবা ভক্তরা যেমন ধরে আনতে বললে বেঁধে আনতে বলে, ‘আসছে বছর আবার হবে’ স্লোগান তুলে করোনা যুদ্ধে রাস্তায় নামে, তাতে ৫ তারিখ সেই ভক্তরা বাজি ফাটাবে না বাড়িতেই আগুন লাগিয়ে লঙ্কাকাণ্ড হয়ে যাবে? সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরছে এমন অনেক লেখা, আজ সকাল ৯টায় মোদীর ভাষণের পর। তবে সেরা যেটা ঘুরছে তা হলো, ‘টুপি পরাতে এসেছিলাম, পরিয়েছি, চলে যাচ্ছি ‘।
সত্যি আমাদের দুর্ভাগ্য এমন বদ্ধপাগল, উন্মাদ, তুঘলকি একজন প্রধানমন্ত্রী। করোনা মোকাবিলায় দিশেহারা মোদীবাবুর নয়া দাওয়াই ৫ তারিখ রাত ৯টায় আলো বন্ধ করে ৯ মিনিট প্রদীপ, মোমবাতি বা টর্চ জ্বালাতে হবে। হিন্দুত্ববাদযুক্ত স্টান্টবাজি, এ যেন ফেকুবাবুর কারণ সুধা। রাজ্যগুলিকে কেন্দ্র সাহায্য কবে করবে তা তো জানানো উচিত ছিল। কোথায় কী?
স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার কমিয়ে গরিব, মধ্যবিত্তের পেটে লাথি মারা, ইএমআই নিয়েও পকেট কাটার রাস্তা তৈরি, রাজ্যে রাজ্যে পিপিই কিট না পাঠিয়ে কিট, মাস্ক সার্বিয়াতে পাঠানো, জাতীয় ত্রাণ তহবিল এড়িয়ে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গড়ে নোটবন্দির মতো আরও এক ঘোটালার জন্ম দেওয়া, এ সব কিছুই চাপা দিতে চাইছেন মোদীবাবু স্টান্টবাজি দিয়ে। গোমূত্র আর তন্ত্রসাধনা দিয়েই করোনা চিকিৎসা করবে জুমলাবাজিতে সিদ্ধহস্তরা।