সম্মিলিত বিরোধীদের প্রার্থী হিসেবে যশবন্ত সিন্হার নাম ঘোষণার পরই জমে উঠেছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লড়াই। কিছুটা পিছিয়ে থেকে কয়েক ঘণ্টা পরে এনডিএ প্রার্থীর নাম জানায় বিজেপি নেতারা। স্বল্প পরিচিত দ্রৌপদী মুর্মু-কে সামনে রেখে আদিবাসী দলিত দেশবাসীর কাছে বার্তা দিতে চেয়েছে মোদি শিবির। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্তরে রাজনীতির অভিজ্ঞতাবিহীন দ্রৌপদী দেবী কতটা যোগ্য প্রার্থী হলেন, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।
দেখতে দেখতে রাষ্ট্রপতি ভবনে রামনাথ কোবিন্দের পাঁচ বছর পূর্ণ হতে চলল। জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ভোট নেওয়া হবে ১৮ জুলাই, গণনা ২১ জুলাই। প্রধানত দুই শিবিরের মধ্যে লড়াই। ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। কী হতে পারে এবারে?
ভারতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি সাধারণ নাগরিকদের কোনও ভূমিকা নেই। সংসদে ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই কেবল ভোটার। লোকসভায় ৫৪৩ জন সদস্য এবং রাজ্যসভায় আছেন ২৩৩ জন, অর্থাৎ সাংসদ ভোটার মোট ৭৭৬ জন। আর সারা দেশে বিধানসভার সদস্য আছেন ৪ হাজার ১২০ জন। অবশ্য ভোটের দিনে সব সাংসদ ও বিধানসভা সদস্যদের আসন পূর্ণ থাকবে এবং তারা সবাই ভোট দেবেন, এটা ধরে নিয়েই এই হিসেব। এবারে দেখা যাক কার ভোটের মূল্য কত। অঙ্কটা শুরু করতে হবে বিধায়কদের ভোটের মূল্য দিয়ে। বিধায়কদের ভোটের মূল্য একেক রাজ্যে একেক রকম। সংবিধানের ৪২-তম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের জনগণনাকেই ভিত্তি বলে ধরা হয়। পরবর্তীকালে সংবিধানের ৮৪-তম সংশোধন অনুযায়ী ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চালু থাকবে। ১৯৭১ সালের পরে হয়তো কোনও কোনও রাজ্যের জনসংখ্যা অন্যদের তুলনায় দ্রুতগতিতে বেড়েছে।

সেক্ষেত্রেও ১৯৭১ সালকেই গুরুত্ব দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়, যারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে তারা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। নিয়ম হলো, ১৯৭১ সালে সেই রাজ্যে জনসংখ্যা যা ছিল, তাকে ওই রাজ্যের এমএলএ সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে। এই ভাগফলকে এক হাজার দিয়ে ভাগ করে ভাগফলটিকে পূর্ণ সংখ্যায় রাউন্ড অফ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ১৯৭১ সালের জনগণনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৪৩ লক্ষ ১২ হাজার ১১ জন। একে বিধায়ক সংখ্যা ২৯৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৭২১। এই ভাগফলকে এক হাজার দিয়ে ভাগ করলে হয় ১৫০.৭২১। একে পূর্ণ সংখ্যায় রাউন্ড অফ করলে পাচ্ছি ১৫১। তাই এ রাজ্যে প্রতি এমএলএ-এর ভোট মূল্য ১৫১ এবং রাজ্যের সব বিধায়কের মিলিত ভোটমূল্য ৪৪ হাজার ৩৯৪। এভাবে সব রাজ্যের ভোট মূল্য স্থির করতে হবে। তাছাড়া যেসব কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে বিধানসভা আছে, সেগুলিকেও ধরতে হবে। এরকম কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল আছে তিনটি, পুদুচ্চেরি, দিল্লি এবং সম্প্রতি রাজ্যের মর্যাদা খোয়ানো জম্মু-কাশ্মীর। কেন্দ্র শাসিত জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা গড়ার কথা চলছে, এই মুহূর্তে নেই। তাই রাজ্যগুলির তালিকায় গত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরের নাম থাকলেও এবার নাম কাটা গেছে, আবার বিধানসভা না থাকায় কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবেও ভোটে অংশ নিতে পারছে না ওই অঞ্চল।তাছাড়া সাবেক জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের অঙ্গ ছিল লাদাখ এলাকা, বর্তমানে সেটি পৃথক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল, যার বিধানসভা নেই।

জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ সহ সবকটি রাজ্য ও দিল্লি এবং পুদুচ্চেরিতে মোট বিধায়কদের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ১২০ জন। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতিতে মোট বিধায়ক সংখ্যা কমে হবে ৪ হাজার ৩৩ জন। জম্মু-কাশ্মীর যখন রাজ্য ছিল, সেই হিসেবে সব রাজ্য এবং দিল্লি ও পুদুচ্চেরির বিধায়কদের ভোটের মিলিত মূল্য ছিল ৫ লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৭৪। হিসেব করে দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে সব রাজ্য এ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের এমএলএ-দের মিলিত ভোট মূল্য ৫ লক্ষ ৪৩ হাজার ২১০। এখানে অবশ্য ধরে নেওয়া হচ্ছে, সব এমএলএ আসনেই নির্বাচিত সদস্য আছে, কোনো আসন খালি নেই। এছাড়াও ধরে নেওয়া হচ্ছে, ভোটের দিন সবাই ভোট দেবেন, কারও ভোট বাতিল হবে না।
রাজ্য ভিত্তিতে বিধানসভা সদস্যদের ভোটমূল্য —
ক্র.নং রাজ্য/কেন্দ্র বিধানসভার ১৯৭১ সালে বিধায়ক-পিছু সব বিধায়কের
শাসিত অঞ্চল সদস্যসংখ্যা জনসংখ্যা ভোটমূল্য মোট ভোটমূল্য
১) অন্ধ্রপ্রদেশ ১৭৫ ২,৭৮,০০,৫৮৬ ১৫৯ ২৭,৮২৫
২) অরুণাচল প্রদেশ ৬০ ৪,৬৭,৫১১ ৮ ৪৮০
৩) আসাম ১২৬ ১,৪৬,২৫,১৫২ ১১৬ ১৪,৬১৬
৪) বিহার ২৪৩ ৪,২১,২৬,২৩৬ ১৭৩ ৪২,০৩৯
৫) ছত্তিসগঢ় ৯০ ১,১৬,৩৭,৪৯৪ ১২৯ ১১,৬১০
৬) দিল্লি ৭০ ৪০,৬৫,৬৯৮ ৫৮ ৪,০৬০
৭) গোয়া ৪০ ৭,৯৫,১২০ ২০ ৮০০
৮) গুজরাট ১৮২ ২,৬৬,৯৭,৪৭৫ ১৪৭ ২৬,৭৫৪
৯) হরিয়ানা ৯০ ১,০০,৩৬,৮০৮ ১১২ ১০,০৮০
১০) হিমাচল প্রদেশ ৬৮ ৩৪,৬০,৪৩৪ ৫১ ৩,৪৬৮
১১) জম্মু ও কাশ্মীর* ৮৭ ৬৩,০০,০০০ ৭২ ৬,২৬৪
১২) ঝাড়খণ্ড ৮১ ১,৪২,২৭,১৩৩ ১৭৬ ১৪,২৫৬
১৩) কর্ণাটক ২২৪ ২,৯২,৯৯,০১৪ ১৩১ ২৯,৩৪৪
১৪) কেরালা ১৪০ ২,১৩,৪৭,৩৭৫ ১৫২ ২১,২৮০
১৫) মধ্যপ্রদেশ ২৩০ ৩,০০,১৬,৬২৫ ১৩১ ৩০,১৩০
১৬) মহারাষ্ট্র ২৮৮ ৫,০৪,১২,২৩৫ ১৭৫ ৫০,৪০০
১৭) মণিপুর ৬০ ১০,৭২,৭৩৫ ১৮ ১,০৮০
১৮) মেঘালয় ৬০ ১০,১১,৬৯৯ ১৭ ১,০২০
১৯) মিজোরাম ৪০ ৩,৩২,৩৯০ ৮ ৩২০
২০) নাগাল্যান্ড ৬০ ৫,১৬,৪৯৯ ৯ ৫৪০
২১) উড়িষ্যা ১৪৭ ২,১৯,৪৪,৬১৫ ১৪৯ ২১,৯০৩
২২) পুদুচ্চেরি ৩০ ৪,৭১,৭০৭ ১৬ ৪৮০
২৩) পাঞ্জাব ১১৭ ১,৩৫,৫১,০৬০ ১১৬ ১৩,৫৭২
২৪) রাজস্থান ২০০ ২,৫৭,৬৫,৮০৬ ১২৯ ২৫,৮০০
২৫) সিকিম ৩২ ২,০৯,৮৪৩ ৭ ২২৪
২৬) তামিলনাড়ু ২৩৪ ৪,১১,৯৯,১৬৮ ১৭৬ ৪১,১৮৪
২৭) তেলেঙ্গানা ১১৯ ১,৫৭,০২,১২২ ১৩২ ১৫,৭০৮
২৮) ত্রিপুরা ৬০ ১৫,৫৬,৩৪২ ২৬ ১,৫৬০
২৯) উত্তরপ্রদেশ ৪০৩ ৮,৩৮,৪৯,৯০৫ ২০৮ ৮৩,৮২৪
৩০) উত্তরাখণ্ড ৭০ ৪৪,৯১,২৩৯ ৬৪ ৪,৪৮০
৩১) পশ্চিমবঙ্গ ২৯৪ ৪,৪৩,১২,০১১ ১৫১ ৪৪,৩৯৪
মোট (জম্মু-কাশ্মীর সহ)* ৪,১২০ ৫৪,৯৩,০২,০৫৫ — ৫,৪৯,৪৭৪
জম্মু-কাশ্মীর বাদে ৪,০৩৩ ৫৪,৩০,০২,০৫৫ — ৫,৪৩,২১০
*জম্মু–তাশ্মীর যখন রাজ্য ছিল তখনকার হিসেব। ২০২২ সালের ভোটে ওই এলাকা থেকে কোনো ভোটার নেই।
দেখা যাচ্ছে, একজন বিধায়কের সবথেকে বেশি ভোটমূল্য উত্তরপ্রদেশে, ২০৮। আর সবথেকে কম ভোটমূল্য সিকিমে, ৭। রাজ্যভিত্তিতে সবথেকে ভোটমূল্য আছে উত্তরপ্রদেশের, দ্বিতীয় মহারাষ্ট্র ও তৃতীয় স্থানে আছে পশ্চিমবঙ্গ।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাংসদদের মোট ভোট-মূল্য ও বিধায়কদের মোট ভোট-মূল্য প্রায় সমান। হিসেবটা হলো, বিধায়কদের মোট ভোট-মূল্য ৫ লক্ষ ৪৩ হাজার ২১০-কে সাংসদ সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে। সেই হিসেবে প্রতি সাংসদের ভোট-মূল্য হচ্ছে ৫,৪৩,২১০ ভাগ ৭৭৬ = ৭০০ (রাউন্ড অফ করে পূর্ণ সংখ্যায়)। তাই সাংসদদের মোট ভোট-মূল্য ৭০০x৭৭৬ = ৫,৪৩,২০০। অর্থাৎ এবার সাংসদ ও বিধায়কদের মোট ভোট মূল্য ৫,৪৩,২১০ + ৫,৪৩,২০০= ১০,৮৬,৪১০। তার মানে, ৫ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০৫ ভোট পেলে জেতা যাবে।

কোটা ও প্রেফারেন্স ভোট
এখানে সংক্ষেপে কয়েকটি টেকনিক্যাল ব্যাপারও বলে নেওয়া দরকার। তবে খুবই ছোট করে। প্রথমত, রাষ্ট্রপতি ভোটে দুই, তিন বা আরও বেশি প্রার্থী থাকতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি ভোটে বিজয়ী প্রার্থীকে অবশ্যই অর্ধেকের বেশি ভোট পেতে হবে, সেটাই কোটা। বিজয়ীকে কোটার সমপরিমাণ বা তার বেশি ভোট পেতে হবে। ভোট শেষ হবার পরেই কেবল কোটা গণনা করা সম্ভব। ফরমুলা হোল,—
মোট বৈধ ভোট
কোটা = ————————————————+ ১
যতগুলি আসন পূর্ণ করতে হবে + ১
যেহেতু রাষ্ট্রপতি ভোটে একটিই আসন পূর্ণ করতে হবে তাই এই ভাগটি ২ দিয়ে করতে হবে। ধরা যাক বৈধ ভোটের সংখ্যা ১০০। তাহলে ১০০-কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ৫০ হয়, তার সঙ্গে ১ যোগ করলে হয় ৫১। নিয়ম অনুসারে ৫১ ভোট না পেলে কোনও প্রার্থীই নির্বাচিত হবেন না। অর্থাৎ বৈধ ভোটের অর্ধেকের বেশি ভোট পেতেই হবে। যদি মাত্র দুজন প্রার্থী থাকে তাহলে একজন কোটার বেশি পাবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তিন বা ততোধিক প্রার্থী থাকলে কেউ যদি কোটার সমান বা বেশি ভোট না পান, তবে সবথেকে কম ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বাদ দিয়ে তার প্রাপ্ত ভোটের দ্বিতীয় পছন্দ অনুসারে বাকি প্রার্থীদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। প্রক্রিয়াটি চালাতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত একজন কোটার সমান বা তার বেশি না পান। প্রসঙ্গত রাজ্য সভার ভোটও এই নিয়মে হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে অনেক সময়েই একাধিক আসন পূরণ করার থাকে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি
এবার দেখা যাক রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্য কেমন। মাস দুয়েক আগে পাঁচ রাজ্য বিধানসভা ভোট হলো। উত্তর প্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের ভোটে সব বিরোধীরা এক হতে না পারায় পাঞ্জাব রাজ্য বাদে অন্যগুলিতে বিজেপি ভালো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়। আবার পাঞ্জাবে কংগ্রেস বিশ্রী ভাবে হারে, আপ বড় গরিষ্ঠতা পায়। উত্তরপ্রদেশে বিজেপির আসনসংখ্যা কিছুটা কমলেও অন্য তিন রাজ্যে তারা ভালো ফল করেছে। ফলে রাজনৈতিক ভারসাম্যের তেমন একটা পরিবর্তন হয়নি। এখন বিজেপির হাতে রয়েছে ৪৮.৬৭ শতাংশ ভোটমূল্য আর বাকি সবার মিলিতভাবে আছে ৫১.৩৩ শতাংশ ভোটমূল্য, অর্থাৎ এনডিএ-র বাইরের শক্তি এগিয়ে আছে ২.৬৬ শতাংশ ভোটমূল্যে। এখন বিজেপি যদি এনডিএ-র বাইরের কোনও শক্তিকে শামিল করতে পারে, বা দল ভাঙাতে পারে (এ ব্যাপারে বিজেপি যে সিদ্ধহস্ত, তাতো এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রের ঘটনাবলিতেই দেখা যাচ্ছে), তাহলে তারা ম্যাজিক ফিগার টপকে যেতে পারে। এটার সম্ভাবনা আছে, যেমন, উড়িষ্যার বিজু জনতা দলের হাতে রয়েছে ৩১ হাজার ৬৮৬ ভোটমূল্য যা মোট ভোটমূল্যের ২.৯৪ শতাংশ। তেমনি ওআইএসআর কংগ্রেসের হাতে রয়েছে ৪.২২ শতাংশ ভোটমূল্য। এদের কারও সহায়তা পেলে বা কিছু নির্দলের সমর্থন আদায় করতে পারলে এনডিএ-র কেল্লা ফতে হতে পারে। মোট কথা এখন যা শক্তি এনডিএ-র আছে সেই একক জোরে দ্রৌপদী মুর্মু-র জেতা সম্ভব নয়। অর্থাৎ এনডিএ-র বাইরের সব দল একত্র হলে তবে মোদি-অমিত শাহ কাত হবেন।

প্রার্থী পছন্দ করার ক্ষেত্রে অতীতেও মোদি চমক দিয়েছেন। তবে ফরমুলা একটাই, খুব কম গুরুত্বপূর্ণ, যাঁকে কম লোক চেনে, জানে, তেমন প্রার্থী করা। অনেকে মনে করেন, এভাবেই সব ক্ষমতা নিজের হাতে রাখতে পারেন মোদিজি। আর লোকসভায় যেহেতু প্রাধান্য রয়েছে, তাই রাষ্ট্রপতির বর্তমানে তেমন কিছু করারও নেই, একটা প্রতীকী উপস্থিতি মাত্র। কিন্তু আজকের অবস্থা না-ও থাকতে পারে, ২০২৪-এর ভোটে ত্রিশঙ্কু সংসদ আসতেই পারে। তখন কিন্তু দ্রৌপদী দেবীর থেকে অনেক কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবেন যশবন্ত। বিবেচক বিধায়ক ও সাংসদরা সে কথাটা কি ভাববেন না?