ছেলে ফিরেছেন বিলেত থেকে, করোনা আক্রান্ত হয়ে। মা স্বরাষ্ট্র দফতরের বিশেষ সচিব, বাবা চিকিৎসক। এমন শিক্ষিত পরিবারের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীনতা! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়েছেন, প্রভাব খাটিয়ে ওই যুবক দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে অবিবেচকের মতো কাজ করেছে। নিয়ম মেনে বাইরে থেকে আসা সকলকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। পরিজনদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে থাকতে হবে। ওই যুবক ও তাঁর মা মহিলা আমলার কীর্তির কথা সমালোচিত হওয়ার পর জানা যায় তাঁর চিকিৎসক বাবার চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কথা। ছেলেকে বিমানবন্দরে রিসিভ করার পর তিনি কৃষ্ণনগরে পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী দেখেন। ইতিমধ্যেই ওই চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসা আটজনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। দেখা হচ্ছে, বেলেঘাটা আইডি-তে ভর্তি চিকিৎসকের রিপোর্ট কী আসে। কৃষ্ণনগরে তাঁর চেম্বার সিল করা হয়েছে। সকলেই নিন্দা করেছেন ওই পরিবারের। বলছেন, এ কেমন শিক্ষা। নবান্নে ওই আমলার ঘর সিল করা হয়েছে। গোটা নবান্ন স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করেছেন কর্মীরা। কিন্তু ওই তিনজনের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন তাঁরা চিন্তিত। এমনই একজন স্বরাষ্ট্র দফতরের কর্মী ইন্দ্রনীল বাগচি। অফিসে ওই আমলার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁর বয়সের কারণে ও ডায়াবেটিস থাকায় ইন্দ্রনীলবাবুকে বেলেঘাটা আইডি-তে অনুরোধ করেন সহকর্মীরা। এরপর তিনি ও তাঁর স্ত্রী বেলেঘাটা আইডি-তে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে যান। ওই আমলার শাস্তি দাবি করেছেন ইন্দ্রনীলবাবুর স্ত্রী কোয়েলা বাগচি সেনগুপ্ত।
ছবি : শুভেন্দু দাস

