“মা, তোমার ঐ মাছ দেওয়া শাড়িটা আজ পরবো? দো-তলার জানলা থেকে চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল নীলা।
রান্নাঘরে মৌসুমী ডালসম্বার দিচ্ছিল। চিমনীর আওয়াজ, ফোড়নের ফটফট শব্দে কিচ্ছু শোনা যাচ্ছিল না। রান্নাঘরের জানলা যদিও খোলা ছিল। চিমনী বন্ধ করে মেয়েকে বলল, “কি বলছিস বল?”
“বলছি, তোমার ঐ রাস্ট কালারের মাছ দেওয়া শাড়িটা আজ আমাকে পরতে দেবে?”
“ওটা? না না, একদম নতুন শাড়ি। আমি একবার মাত্র পরেছি। শাড়িটাও বড়। তুই সামলাতে পারবি না। এই তাড়াহুড়োর সময় তোকে শাড়ি পরানোর আমার একদম সময় নেই বলে দিচ্ছি।”
“দাও না মা! ঠিক আছে তোমাকে পরিয়ে দিতে হবে না। দ্যাখো না আমি নিজেই ঠিক সুন্দর করে পরে নিতে পারব”, তাড়াতাড়ি একতলায় নেমে এসে মায়ের গলা জড়িয়ে আবদার করল নীলা।
“কি আছে কলেজে? শাড়ি পরে যাবার আবার কি হল? আজ তোর দিদুনের কাছে যাবার কথা না?”
“যাব তো। কলেজে আজ কবি সম্মেলন আছে। কবি সন্দীপ মিত্র আসছেন। আমিও পাঠ করব আমার কবিতা”।
মৌসুমী হেসে বলল, “তাহলে তো আর না করা যায় না। দেখিস বাবা, বড় শাড়ি পরে হোঁচট খেয়ে উল্টে পড়ে যাস না যেন। ব্লাউজ কোনটা পরবি? গতবারের পুজোয় কেনা আজরকের ডিজাইনার ব্লাউজটা ওর সঙ্গে ভালো লাগবে”।
মায়ের সম্মতি পেয়ে মুচকি হেসে নীলা তৈরি হতে গেল। শাড়ি পরতে তার ভালোই লাগে। শাড়ির সঙ্গে মানানসই করে সাজতেও। বিশেষ করে যখন মুগ্ধতার ঝলক দেখে দু-জন প্রিয় মানুষের চোখে। অর্ক আর রাই। অর্ক তেইশ আর রাই পঁচাশি।
রাই তার পিসিদিদা। রাইরঙ্গিনী মৈত্র। নিঃসন্তান, বিধবা মানুষটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন। মুখরা, জেদী বলে পরিবারের কারোর সঙ্গে বিশেষ বনিবনা হয় না। কেউ পোঁছেও না সেরকম। একমাত্র এই নাতনীটির সঙ্গে তার বিশেষ ভাবভালোবাসা। রঙ্গরসিকতার সম্পর্ক। নীলা মাঝেমাঝেই তাঁকে আদর করে রাই বলে ডাকে। এমন সুন্দর নাম দিদুনের! সেটা কি হারিয়ে যাবে?
নীলার মরমী কবিমন এমন অনেককিছু হারাতে চায় না। কবিতা লেখার ফাঁকে ফাঁকে গল্পও লেখে সে। রাইয়ের পঁচাশিবছরের দীর্ঘ জীবন থেকে গল্প খুঁজে নেয় এক গল্পলিখিয়ে। তার মলিন বিছানায় বসে সে বারবার শোনে পিসেদাদু আর দিদুনের আঠালাগা দাম্পত্যপ্রেমের কথা। রাইরঙ্গিনী নাম নিয়ে কম ঠাট্টা করতেন না গ্রামের ইস্কুলের সাদাসিধে অঙ্কের মাস্টারমশাইটি। বন্ধুবান্ধবদের বলতেন, “আমার শ্বশুরমশাইটি বড়ই রসিক ছিলেন! তিন মেয়ের নামের বাহার দেখো! রাইরঙ্গিনী ,শিবসিমন্তিনী, শ্যামসোহাগিনী !”
এসব কথা উঠলেই দুই সখির মত হেসে গড়িয়ে পড়ে নীলা আর রাই। নীলার মনখারাপ হলেও দিদুনের কাছে খানিকটা আদর খেয়ে আসে। এলোমেলো বকবক করে। মনখারাপ চড়ুইপাখির মত নিমেষে ফুরুত হয়ে উড়ে যায়।
আজ অবশ্য নীলার মন খুব ভালো। তার কবিতার প্রশংসা হয়েছে। অর্কর চোখেমুখেও ছিল অপার মুগ্ধতা। কবি সম্মেলনের শেষ হবার পরে একটু একলা হতেই অর্ক আজ তাকে ছাড়তেই চাইছিলনা।
“আরেকটু থাক না। তোকে আজ যা দেখাচ্ছে না! ছাড়তে মন চাইছে না। “নানা পোজে কত ছবি তুলল। নিজের লেখা নতুন কবিতা শোনাল। নতুন একটা ভালো থাই রেস্টুরেন্টের খোঁজ পেয়েছে নাকি। সেখানে খাওয়াবার লোভ দেখালো। শেষে মরীয়া হয়ে মুখ ভার করে বলল, “তোর জন্যে আজ ইউনিভার্সিটির দুটো ইমপর্ট্যান্ট ক্লাস বাঙ্ক করে এসেছি। আর তোরই আমার জন্যে সময় নেই!”
“কি করব বল? রাই মানে দিদুনের হোমে আজ টাকাটা না দিলেই নয়। আমি যাব বলে আগে থেকে ফোন করে রেখেছি। সে বেচারী অপেক্ষা করে বসে থাকবে। না গেলেই ফোনে কান্নাকাটি। সামলানো মুশকিল হয়ে যায় তখন।”
অর্কর একমাথা ঘনচুল একটু ঘেঁটে দিল নীলা। তারপর আদরমাখানো গলায় বলল, “সামনের উইক এন্ডে ঠিক দেখা করব তোর সঙ্গে। প্রমিস। রাগ করিস না প্লীজ্। “মনে মনে বলল, “অর্কটা বড্ড ভালো।একটু আদরেই গলে যায়।”
বৃদ্ধাশ্রমের একতলার অফিসে মাসখরচের টাকা মিটিয়ে রাইয়ের ঘরে যেতেই তারিফের বন্যা!
“কি করেছিস রে নীলু! পাছাপেড়ে শাড়ি, কানে ঝোলা দুল, ঠোঁটে রঙ, কপালে টিপ, চোখে কাজল! বলি, কলেজের ছোঁড়াগুলোর মাথার ঠিক ছিল তো! অর্কবাবু অজ্ঞান হয়ে যায়নি?”
“কি সব যে বলো রাই? মুখে কিছু আটকায় না তোমার!” কপট রাগ দেখালো নীলা। আজ কলেজে আমার কবিতাপাঠ ছিল।”
“ও, তা শোনা দিকি, কি পদ্য বললি”।
“ওসব তুমি বুঝবে না। একগ্লাস জল দাও তো আগে। বাপরে যা গরম! নাও, তোমার জন্যে এই জলপাইয়ের আচারটা কিনে আনলাম। খুব টেস্টি”।
রাইরঙ্গিনী নাতনীর জন্যে ওর পছন্দের দানাদার আনিয়ে রেখেছেন। স্টীলের বাটিতে দুটো দানাদার আর এক গ্লাস জল দিলেন। তাঁর আদরের নীলুর মুখ দেখেই বুঝলেন, আজ তাঁর নাতনীর মন বড় প্রসন্ন। তাহলে কথাটা পেড়েই ফেলা যেতে পারে।
“হ্যাঁরে, ঝিঙ্কির বিয়ের কতদূর কি এগোল? কেনাকাটা চলছে?”
“চলছে, বোধহয়”, রাইয়ের চানাচুরের কৌটো থেকে একমুঠো চানাচুর মুখে দিয়ে বলল নীলা।
“তা গয়নাকাপড় কি দিচ্ছে ওর বাপ-মা?”
“আশ্চর্য, আমি কি করে জানব?”
“কেন জানবি না তোর জ্যাঠতুতো দিদির বিয়ে বলে কথা! ক’সেট গয়না দিল? ক’টা বেনারসী, কাঞ্জিবরণ। সব দেখে জানাবি আমাকে।”
“আহ রাই, কতবার বলেছি না, ওটা কাঞ্জিবরণ নয়, কাঞ্জিভরম্। তুমি না কিছুতেই শুধরোবে না”।
“রাখতো তোর কাঞ্জিভরম আর কাঞ্জিভরন। আমরা তো আগে বলতাম সাউথ ইন্ডিয়ান শাড়ি। সেই যে আমার টিয়েরঙা….”
নীলা জানে এবার সেই শাড়ির গল্পের পুনরাবৃত্তি হবে। যুগে যুগে, কালে কালে রামায়ণ-মহাভারতের প্রক্ষিপ্ত অংশের মত তাতেও জুড়বে সুখদুঃখের নতুন অনুভূতি। সেই কবেকার টিয়ারঙের কাঞ্জিভরমের মায়ায় এখনো জড়িয়ে আছে বুড়ি!
বহু বছর আগে, সম্ভবতঃ বিয়ের কয়েক বছর পরই তিরুপতিতে তীর্থ করতে গেছিল রাই আর তার প্রেমিক বর। ভদ্রলোকের পয়সা ছিল না বটে কিন্তু শৌখিন ছিলেন। স্কুলের চাকরি ছাড়াও গ্রামে জমিজমা থেকে কিছু আয় হত। সদরে সাইকেল চালিয়ে গিয়ে গোটাকতক টিউশানি করতেন। হাতে পয়সা জমলে, ছুটি পেলে বছরে একবার করে বেড়িয়ে পড়তেন। রাইয়ের সন্তানহীনতার দুঃখ ভোলাতে। রঙ্গিনীর আব্দারে একটা টিয়ারঙের ‘সাউথ ইন্ডিয়ান’ও কিনে দিয়েছিলেন তিরুপতির বড় শোরুম থেকে। তোলা শাড়িটি রাই বড় যত্ন করে সূতীর কাপড় মুড়ে শুকনো নিমপাতা দিয়ে বাক্সে রেখেছিলেন। কালে ভদ্রে বিয়েবাড়িতে ঘুরিয়ে পরতেন। পতিপ্রেমের আয়নায় নিজেকে দেখে মুগ্ধ হতেন। গ্রামের বৌ-ঝিদের চোখ টাটাত। বর্ষার পরে ঠাঠা ভাদুরে রোদের তাপ নিতে নিতে টিয়ারঙের সেই শাড়ি সইত রাইয়ের মেজ জায়ের ঈর্ষার জ্বলন।
হঠাৎই সে মেজজা’ই একদিন শাড়িখানা চেয়ে বসল। তার ভাইয়ের বিয়েতে পরে বরযাত্রী যাবে। রাইয়ের একেবারেই ইচ্ছে ছিল না সাধের শাড়িটা হাতছাড়া করার। শেষমেশ কত্তার কথায় দোনোমোনো করে দিতেই হল। কিন্তু সে শাড়ি আর ফেরত এল না। বাপেরবাড়ি থেকে ফিরে ইনিয়ে বিনিয়ে মেজ জা বলল বিয়েবাড়িতে বাক্সের মধ্যে থেকেই নাকি সে শাড়ি চুরি হয়ে গেছে।
“বিয়েবাড়ি না চোরের বাড়ি! যত্তসব ন্যাকামো!” শাড়ির শোকে রাই কতদিন ভালো করে খায়নি। ভালোমানুষ স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করেছে। মেজ’জা কণিকার সঙ্গে মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়েছে। রাই এখনো বিশ্বাস করে কণিকাই শাড়িখানা আত্মস্থ করেছিল।
“ও রাই, অনেকদিন তো হোলো, তোমার সে শাড়িও এতদিন কালের গর্ভে চলে গেছে। আর দুঃখ পেয়ো না”। দিদুনের গলা জড়িয়ে বলে নীলা।
“তাহলে বল, আমাকে আর একটা কাঞ্জিবরণ কিনে দিবি?
“আমি? অত পয়সা কোথায় পাব বলো তো এখন? চাকরি পেলে প্রথম মাসেই তোমাকে কিনে দেব, কথা দিচ্ছি।”
“আরে না না, তোকে কিনে দিতে হবে না। আমাকে তুই চুপিচুপি সঙ্গে করে নিয়ে যাবি সিল্ক হাউসে। গাড়িভাড়া আমি দেব। তোকে হোটেলেও খাওয়াব। মরার আগে ঝিঙ্কির বিয়েতে একটা কাঞ্জিবরণ আমি আরেকবার পরতে চাই।নীলু, নিয়ে যাবি তো আমায় বল?”
“সেকি, তুমি ভালো করে করে হাঁটতে পারো না? কোথায় নিয়ে যাব তোমায়? বাড়িতে সবাই আমাকে খুব বকাবকি করবে।”
“ছাড়তো, কাউকে বলতে হবে না। তুই আর আমিই তো যাব”। রাইয়ের পঁচাশি বছরের ভাঙাচোরা মুখে কিশোরীর কৌতুক।
নীলা জানে তার রাইয়ের মাথায় এমন উদ্ভট খেয়াল, ছেলেমানুষি মাঝে মাঝে ভর করে। এইতো মাস দুয়েক আগে ঝড়বৃষ্টি মাথায় করে নীলা দেখা করতে এসেছিল তার সঙ্গে। হঠাৎই ।আগে থেকে কোনো খবর না দিয়ে। মেঘলা দিনের অন্ধকারে রাই ঘরে শুয়েছিল। ঘরে ঢুকতেই নীলার চোখে পড়ল রাইরঙ্গিনীর হাতে একটা ঢাউস ডায়ালের হাত ঘড়ি। রোগা হাতে ঢলঢলে স্টীলের ব্যান্ড।
“এটা আবার কি করেছ রাই? কার ঘড়ি পরেছ?”
“কার আবার? আমার। টিভির বিজ্ঞাপনে ফোন নম্বর পেলাম। ফোন করতেই দু-দিন পরে এসে ওরা ঘড়িটা দিয়ে গেল। নগদ পয়সা নিয়ে গেল”।
“কি যে সব কর! ওরা কত ফ্রড হয়, জানো?”
“তোরা অনলাইন ফাইনে রোজ কত কি কিনছিস আর আমি কিনলেই দোষ! সুন্দর না? আমার একটা হাতঘড়ি পরার কবে থেকে খুব শখ ছিল জানিস। আমার বর মানে তোর পিসেদাদু বলল, গাঁঘরে মেয়েরা এসব নাকি পরে না। ঘড়ি পরে এখানে করবেটাই বা কি? তার থেকে চলো তোমাকে এক জোড়া কানের দুল গড়িয়ে দিই। তা সে আর পরা হল না। এতদিনের শখ এবার মিটিয়ে নিলাম। কি দেখছিস হাঁ করে? জানি, ঘড়ির ব্যান্ডটা একটু বড় হয়েছে। তুই কাটিয়ে এনে দিস তো।”
রাইয়ের ছেলেমানুষিতে সেদিন হেসে ফেলেছিল নীলা। ঘড়ির স্টীলের ব্যান্ডটা সেদিনই পাড়ার ছোট্ট দোকানটা থেকে কাটিয়ে এনে দিয়েছিল।
কাঞ্জিভরমের ভূতও যে রাইয়ের ঘাড় থেকে নামবে না, সেকথা জানত নীলা। মাঝেমাঝেই ফোনে ফিসফিসিয়ে বলত, “কিরে কবে যাব আমরা?”
“যাব, যাব। পিসেদাদুর আশকারাতেই তুমি না এমন বায়নাটে হয়েছ। নাহলে সাত ভাইবোনের সংসারে কে তোমার বায়না মেটাত শুনি?”
ফোনের ওপারে সেই ষোলো বছরের কিশোরীর মত রাইয়ের খিলখিলিয়ে হাসি।
তারপর একদিন নাছোড়বান্দা রাইয়ের জন্যে কলেজ কাটল নীলা। বাড়িতে না জানিয়েই প্রায় আধখোঁড়া পিসীদিদার হাত শক্ত করে ধরে দোকানে নিয়ে গেল।একখানা ঘিয়ে রঙা, সবুজ নক্সাপাড়ের মহার্ঘ কাঞ্জিভরম কেনা হল। গাড়িতে বসে আইসক্রিম খেতে খেতে রাইয়ের গদগদ মুখখানি দেখে নীলা স্বস্তি পেল।খুশিও হল।
ঝিঙ্কির বিয়েতে রাইরঙ্গিনীর বড় ভাইপো অসীম একা এসে নেমন্তন্ন কার্ড দিয়ে গেল। সঙ্গে এক কৌটো শুকনো সন্দেশ। না, পিসিমাকে বিয়েবাড়ি নিয়ে যাবার কথা মুখ ফুটে একবার উচ্চারণও করেনি। সাধের কাঞ্জিভরম অভিমানে বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে রইল আলমারির তাকে।
সে বছর শারদীয়া ‘সমর্পিতা’ পত্রিকায় একটি নবীন লেখিকার গল্প পাঠকদের খুব মনে ধরল। লেখিকা নীলা লাহিড়ী। সম্পাদকের দপ্তরে অনেকেই ফোন করে ভালোলাগা জানাল। অচেনা মানুষের শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন এল সোস্যাল মিডিয়ায়। বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়স্বজন ফোন কল আর বন্ধই হচ্ছিল না।
গল্পের প্রথমটা ছিল এইরকম…. “তামিলনাড়ুর প্রাচীন মন্দিরনগরী কাঞ্চীর অলিগলিতে কান পাতলে জানা যায় কাঞ্জিভরম্ শাড়ির ইতিহাস। ঐতিহ্য আর রঙে উজ্জ্বল এই শাড়িতে দামের ট্যাগ লাগানো হয় বিশেষ নকসা, রঙ, রেশমসুতো আর মজুরির নিরিখে। সে শাড়ির টানাপোড়েনও বড় সূক্ষ্ম। আলাদা করে দেখা যায় না। যে বানায়, যে পরায়, যে পরে, যে পরতে পারেনা তাদের সবার অহঙ্কার-হতাশা -আনন্দ-সুখ-দুঃখ ঐ শাড়ির বুননগাঁথায় অনুচ্চারিত থাকে।”
খুব সুন্দর লিখেছেন,কাঞ্জিভরম শাড়ির বর্ণনা দারুন লেগেছে
সঙ্গে গল্পের বিস্তার মানানসই, সব মিলিয়ে ভালো লাগলো।এরকম আরো ছোট গল্প আমাদের উপহার দাও।
ধন্যবাদ এবং অনেকটা ভালোলাগা। চেষ্টা করব প্রত্যাশা পূরণের।
একদম সিনেমার মতোই পড়লাম লেখাটাকে!
পড়লাম বলা ভুল .. যেন দেখলাম একটুও না থেমে ..
কয়েকজন ভালো চিত্র পরিচালকের মুখগুলো বড় মনে পড়লো পড়তে পড়তেই। তাঁদের অভাব আরো একবার বড় অসহায় করে এমন সুন্দর একটি লেখার সামনে দাঁড়ালে …
অভিভূত এমন পাঠ প্রতিক্রিয়া পেয়ে❤️
শাড়ির গল্প পড়তে পড়তে কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলাম। ভীষণ ভালোলাগা জড়িয়ে গেল গল্পটা ঘিরে।
খুব খুশি হলাম চিত্রভানু ।
এমন সুন্দর এক বার্তা সম্বলিত নিটোল গল্প…! কাঞ্জিভরমের আলমারিতে থেকে যাওয়া মন খারাপ করে দিলেও, নীলা আর রাইকিশোরী মন কেড়ে নিলো, গল্পের বুননের গুনে… খুব ভালো লাগলো..!!!!
মন ভালো করে দেওয়া পাঠপ্রতিক্রিয়া।
মুখবই বান্ধব বর্না কুণ্ডুর কাছে শাড়ি নিয়ে আপনার এই গল্পটার কথা শুনে পড়ে ফেললাম। অদ্ভুত ভালো লাগায় মন ভরে গেল। লেখার মুন্সিয়ানা মুগ্ধ করেছে। শুভ কামনা থাকল, মহোদয়া।
খুব খুশি হলাম। অকুন্ঠ শ্রদ্ধা জানবেন ????