আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সেই প্রশ্ন বাইরের কেউ তুলছেন না। উঠছে ভিতর থেকে। প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শাহাবুদ্দিন ইয়াকুব কুরেশি, যিনি এস ওআই কুরেশি নামেই বেশি পরিচিত, তিনি সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কাজ কর্মের।
প্রশ্নটা নির্বাচনী বন্ড নিয়ে। নির্বাচন কমিশন অতীতে বলেছিল এই বন্ড নির্বাচনে স্বচ্ছতার পরিপন্থী। কিন্তু সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস সংগঠনের করা মামলার শুনানিতে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশন মত বদলে বলেছে, নির্বাচনী বন্ড রাজনৈতিক দলগুলি নিতেই পারে, এই নিয়ে তাদের কোনও বিরোধিতা নেই। সুপ্রিম কোর্ট অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। বন্ডের মাধ্যমে টাকা পেয়েও গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। যার সিংহ ভাগ টাকাই এর আগে দেখা গিয়েছে বিজেপির ফান্ডে ঢুকেছে। এবারেও সম্ভবত তার ব্যতিক্রম হয়নি। বন্ডের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের অনুমতি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, দেখা উচিত এই অর্থ যেন সন্ত্রাসবাদীদের হাতে না যায়। এস ওয়াই কুরেশি এইখানেই প্রশ্ন তুলেছেন, তিনি চান কোর্ট বলুক, এই অর্থে যেন বিধায়ক কেনা বেচায় কোনও দল ব্যবহার না করে।। অনৈতিক কাজে যেন এই অর্থ ব্যবহার না হয়। কারণ সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত। ওই অর্থ কোনও অনৈতিক কাজে ব্যবহার হলে, সুপ্রিম কোর্টের অবশ্যই তা দেখার দায় এবং অধিকার দুইই আছে।
২০১৭ সালের বাজেট বক্তৃতায় তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রয়াত অরুণ জেঠলি খুব গুরুত্বপূর্ণ দুটি কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, রাজনৈতিক দলগুলির অর্থ গ্রহণের বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা যতক্ষণ না আসবে, ততক্ষণ সুষ্ঠু, পরিচ্ছন্ন নির্বাচন সম্ভব নয়। আর বলেছিলেন, গত ৭০ বছরেও আমরা এই স্বচ্ছতা অর্জন করতে পারিনি। এই দুই গুরুত্পূর্ণ মন্তব্যের পর অনেকেই আশা করেছিলেন, তিনি বোধহয় স্বচ্ছতার স্বার্থে নতুন কোনও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চলেছেন। না তা তিনি করলেন না। তারপরই তিনি ঘোষণা করলেন নির্বাচনী বন্ডের কথা। ভারতীয় নির্বাচনী ব্যবস্থায় যতটুকু স্বচ্ছতা ছিল, মৃত্যু হল তারও। তার আগে পর্যন্ত নিয়ম ছিল ২০ হাজার টাকার উপরে সমস্ত লেন-দেন রাজনৈতিক দলগুলিকে বাধ্যতামূক ভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। অরুণ জেঠলির নতুন ঘোষণার পর নিয়ম হোল, এমনকী দু’হাজার কোটি টাকার লেন-দেনও কোনও দলকে আর নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে না। তারই নাম নির্বাচনী বন্ড। কেন জানাতে হবে না? অরুণ জেঠলি, অর্থাৎ বিজেপির যুক্তি ছিল, দাতারা নাকি চান না তাঁদের নাম জানাজানি হোক। কেন তারা চান না? প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি প্রশ্ন তুলেছেন, তারা কী এই জন্য নিজেদের নাম গোপন রাখতে চান যে লোকে যাতে জানতে না পারে শাসকদলের নির্বাচনী ফান্ডে কোটি কোটি চাঁদা দিয়ে বিনিময়ে তারা কী পেলেন তা যাতে গোপন থাকে? কোনও ব্যাঙ্ক ঋণ, কোনও সরকারি বরাত, কোনও লাইসেন্স ইত্যাদি কী কী তারা পাচ্ছেন শাসকদলের ফান্ডে অর্থ ঢেলে তা যাতে গোপন থাকে? কেউ কী সেই ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন? এই সব প্রশ্নই কিন্তু তুলেছেন এস ওয়াই কুরেশি। কারণ বিজেপি সরকার যতই বলুক দাতারা তাদের নাম গোপন রাখতে চান, আসলে নাম সম্পূর্ণ গোপন থাকে না। যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে টাকা জমা পড়ছে সেই ব্যাঙ্ক জানতে পারে দাতা কারা, কোন দাতা কোন রাজনৈতিক দলকে কত টাকা দিলেন, আর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক মারফত তা সরকারও চাইলেই জানতে পারে। এবারে যে দাতা যত অর্থ দিলেন, তার বিনিময়ে তিনি কিছু পেলেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু ব্যবস্থা এমন করা হয়েছে, তেমন কিছু যদি ঘটেও, তা গোপন থাকবে। সাধারণ মানুষ, দেশের নাগরিকরা তা জানতে পারবে না। ফলে এক চূড়ান্ত অস্বচ্ছতা তৈরি করা হল লোকচক্ষুর আড়ালে। রাইট টু ইনফরমেশন আইনেও জানানো হবে না এই সব তথ্য। কেন এই গোপনীয়তা? কার স্বার্থে এই গোপনীয়তা? এই প্রশ্নই তুলেছেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
আগে নিয়ম ছিল, যে সংস্থা লাভ করেছে শুধু সেই সংস্থাই কোনও রাজনেতিক দলের ফান্ডে টাকা দিতে পারবে। কতটা? সর্বোচ্চ পরিমাণ হল লাভের সাড়ে সাত শতাংশ। নরেন্দ্র মোদী সরকার সেই নিয়ম বদলে দিয়েছে। এখন নিয়ম হয়েছে লাভের ১০০ শতাংশও পলিটিক্যাল ফান্ডে দান করা যাবে? শুধু তাই নয়, লোকসানে চলছে, এমন সংস্থাও রাজনৈতিক দলের ফান্ডে টাকা দিতে পারবে। কেন এমন অদ্ভুত নিয়ম? অনেকেই মনে করছেন, লোকসানে চলা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার থেকেও এই কৌশলে টাকা দলীয় ফান্ডে আনা সম্ভব হবে, তাই এই নিয়ম পরিবর্তন। এর জন্য ২০১৩ সালের কোম্পানিজ অ্যাক্টের ১৮২ নম্বর ধারা বদলে দেওয়া হয়েছে। অথচ এই নিয়ে দেশের বিরোধী নেতাদের কোনও উচ্চবাচ্চ নেই। এখানেই শেষ নয়। স্বচ্ছতার নামে মোদী সরকার আইনে আরও যে পরিবর্তন আনল, সেটা হল, ‘প্রফিট অ্যান্ড লস’ অ্যাকাউন্টস-এ দেখানো হবে না এই ব্যয়। অর্থাৎ ডোনেশনেরে পরিমাণ, উৎস শুধু দেশের নাগরিকদের থেকে গোপন রাখা নয়, শেয়ার হোল্ডারদের থেকেও গোপন রাখা হচ্ছে তাদের টাকা কোন দলের ফান্ডে গেল, সেই তথ্য। ফলে প্রশ্ন উঠছে বহু। যদিও জবাব দেওয়ার কেউ নেই।
আমাদের দেশে নির্বাচনী ব্যবস্থায়, ১৯৫২ থেকে শুরু করে গত প্রায় সাত দশক ধরে একের পর এক যে ভোট হয়ে এসেছে, তাকে কার্যত অভিবাদন জানিয়ে ২০০৯ সালের ২ জুন নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক ভি মিশেল লিখেছিলেন— ‘এ এক বিরাট কর্ম যজ্ঞ, বৈচিত্রময় গণতন্ত্রের প্রতি যেন এক কাব্যিক নিবেদন। যেখানে প্রচীন এক সভ্যতা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে তাদের রায় দেবে ভোটদানের মাধ্যমে। বলবে কোন পথে তারা এগোতে চায়।
সাংবাদিক মিশেল আরও লিখছেন, ‘ভারত হল সেই জাতি যাদের মধ্যে থেকে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং শিখ, পৃথিবীর চারটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মের জন্ম হয়েছে। ভারত হল সেই দেশ, যেখানে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার বাস। ভারত হল সেই দেশ, যেখানে খৃষ্টধর্মের অধিষ্টান ২০০০ বছর ধরে। ভারত হল সেই দেশ, যেখানে রয়েছে সুপ্রাচীন সব সিনাগগ, যীশুর জন্মের ৭০ বছর আগে, যখন রোমানরা জেরুসালেমে ইহুদিদের ‘সেকেন্ড টেম্পল’ ধ্বংস করেছিল, প্রায় সেই সময় থেকে ভারতে রয়েছেন ইহুদিরা। যে দেশে দালাই লামা বাস করেন। যে দেশের আশ্রয়ে রয়েছে নির্বাসিত ‘তিব্বত সরকার’। যেখানে পারস্য থেকে এসে বহু যুগ ধরে বাস করছেন জরাথ্রুস্ট্রিয়ান পার্সিরা। যেখানে আর্মেনিয়ান, সিরিয়ানরা থাকতে থাকতে ভারতীয় হয়ে গিয়েছেন।
২০০৯ সালের ভোট নিয়ে লিখতে গিয়ে সাংবাদিক মিশেল এরপর লিখছেন, ‘এটা সেই দেশ যেখানে হিন্দুরা সংখ্যাগুরু কিন্তু সে দেশে তিন জন মুসলিম প্রেসিডেন্ট হয়েছেন গত ৭০ বছরে। শিখরা, জনসংখ্যার বিচারে নগন্য হয়েও, সে দেশে একজন শিখ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের সব থেকে প্রাচীন দলের প্রধান একজন ক্যাথলিক খ্রিস্টান মহিলা’। এমনই উদারতা আর বৈচিত্রে পূর্ণ এই ভারত নামের দেশ।
১৯৫২ সালে ভারতে যখন প্রথম নির্বাচন হচ্ছে, আমাদের শিক্ষিতের হার ছিল ১০০ জনে মাত্র ১৬ জন। ২১ বছর বয়সী সব পুরুষ এবং মহিলাদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়েছিল সংবিধানের জন্ম লগ্ন থেকেই। মনে রাখতে হবে আমেরিকায় কিন্তু মহিলারা পুরুষদের সঙ্গে ভোটাধিকার পাননি। প্রায় দেড়শো বছর তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল। তাও অনেক আন্দোলনের পরেই আমেরিকায় মহিলারা ভোটাধিকার পেয়েছিলেন। আর বৃটেন, বিশ্বে গণতন্ত্রের পীঠস্থান বলা হত যে দেশকে, সেখানে পুরুষদের ভোটাধিকার চালু হওয়ার ১১০ বছর পরে, ১৯২০ সালে মহিলাদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়েছিল। ভারতে তা হয়নি। এখানে আমাদের সংবিধানে প্রথম দিন থেকেই মহিলাদের সমানাধিকার। এই সব কারণেই, ভারতের গণতন্ত্র প্রথম থেকেই সারা বিশ্বের সম্মান আদায় করে নিয়েছিল।
কিন্তু আজ, প্রায় সাত দশক পরে, বিশ্ববাসীর চোখে সে সম্মান যে আর ততটা নেই, তা বলাই বাহুল্য। পৃথিবীতে ভারতকে এখন, কখনও বলা হচ্ছে আংশিক মুক্ত, পার্টলি ফ্রি কান্ট্রি, কখনও বলা হচ্ছে ‘ইলেকটোরাল অটোক্র্যাসি’ নির্বাচিত স্বৈরতান্ত্রিক দেশ। এই নতুন পরিচয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব অবশ্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একার। তাঁর নেতৃত্বে গত ৭ বছরে ভারত এই জায়গায় পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কী ভাষায় কথা বলছেন লক্ষ্য করুন। আমাদের দেশে যে সংবিধান, সেখানে বলা হয়েছে মাল্টি পার্টি ডেমক্র্যাসি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা। ভারতকে বলা হয়েছে ইউনিয়ন অফ স্টেটস। বহু রাজ্য, বহু রাজনৈতিক দল প্রতিযোগিতা করবে। সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন যেদিকে থাকবে সেই দলের বা সেই জোটের সরকারই হবে রাজ্যে রাজ্যে সংবিধান সম্মত সরকার। একই ভাবে সরকার তৈরি হবে কেন্দ্রেও। সেই সংবিধান সম্মত রাজ্য সরকার কখনওই কেন্দ্রের অধীন নয়। তার মর্যাদা সংবিধানে নির্দিষ্ট করে বলা আছে। কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক হবে সেটাও সাংবিধানিক ধারা উপধারায় বাঁধা। কেন্দ্রে যে রাজনৈতিক দলের সরকারই থাকুক, সেই সরকারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলবে সংবিধান মেনেই। এর মধ্যে কোনও রকম অস্পষ্টতা নেই।
কিন্তু নরেন্দ্র মোদী মানুষকে কী বলছেন? বলছেন ডবল ইঞ্জিন সরকার হলে নাকি রাজ্যবাসী বাড়তি সুবিধা পাবেন। এটা একটা সম্পূর্ণ সংবিধান বিরোধী মন্তব্য। সংবিধানের নামে শপথ নেওয়া কোনও ব্যক্তি এমন কথা বলতেই পারেন না। কথাটা বেআইনিও। যদি কেউ বলেন, কেন্দ্রে আর রাজ্যে একই দলের সরকার হলে বাড়তি সুবিধা, আর কেন্দ্রে আর রাজ্যে ভিন্ন দলের সরকার হলে অসুবিধে তৈরি হবে, তিনি সংবিধান বিরোধী মন্তব্য করছেন। নির্বাচন কমিশনের উচিত ভেবে দেখা উচিত ছিল, এই ধরনের সংবিধান বিরোধী মন্তব্যের উপর তারা কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করবেন কি না। তারা তা করেনি। প্রধানমন্ত্রী আসানসোলে গিয়ে দাঙ্গার প্রসঙ্গ টানলেন তাঁর ভাষণে। এ জিনিস কোনও প্রধানমন্ত্রীর মুখে ভাবা যায় না। নির্বাচন কমিশন চুপ।
প্রধানমন্ত্রীর কথা নিয়ে বলার মতো বিষয় আরও আছে। সুপ্রিম কোর্ট সাম্প্রতিক রায়ে বলেছে ‘প্রিভেসি’ বা ‘ব্যক্তিগত পরিসর’ হল একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার। একজন মুখ্যমন্ত্রীর ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে। সেই ‘অডিও ক্লিপ’ সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রকাশ করছেন বিজেপির নেতারা। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় সেই অডিও ক্লিপ নিয়ে আলোচনা করছেন। এ নজিরবিহীন ঘটনা। প্রধানমন্ত্রীর তো উচিত ছিল জানতে চাওয়া, এই অডিও ক্লিপ কী ভাবে প্রকাশ্যে এল? কারা আড়ি পাতল দেশের এক জন মুখ্যমন্ত্রীর ফোনে? তা না করে তিনি যা করছেন, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, তিনি এই কাজকে সমর্থন করছেন। সেটা কিন্তু ভয়ঙ্কর ব্যাপার। ব্যক্তিগত পরিসরে এই যে রাষ্ট্রের বেআইনি প্রবেশ, এটা কি দেশের একজন মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রেই হচ্ছে? না কি সব বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রেই ঘটছে? না কি অপছন্দের নাগরিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও হচ্ছে? দেশের এক জন মুখ্যমন্ত্রীর সাংবিধানিক অধিকার, মৌলিক আধিকার যদি সুরক্ষিত না থাকে, এবং এমন ঘটছে দেখেও দেশের প্রধানমন্ত্রী যদি, সেই অডিও টেপকে জনসভায় ব্যবহার করে ভাষণ দেন, তাহলে দেশের আম নাগরিক তাদের ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষায় কার মুখের দিকে তাকাবে? সেই প্রধানমন্ত্রীর দিকে, যিনি ইতিমধ্যেই জনসমক্ষে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে তাঁর কাছে এই সব সাংবিধানিক অধিকারের কোনও মূল্য নেই?
গুরত্বপূর্ণ লেখা।