লোকসভা ভোটের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য থেকে জেলা স্তরের নেতারা কথাবার্তা বলার সময় খুব সংযত থাকছেন। কোনওরকম ফাউল করছেন না। নেতারা প্রতিদিনই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক বক্তব্য রাখছেন কিন্তু বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলছেন। বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২০ নেতাজির জন্মদিনে তমলুকের এক সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘দেশের কুড়ি কোটি বেকার যুবক-যুবতী শিক্ষিত হয়েও কর্মসংস্থানের সুযোগ পান না। বিশ্বাস করি, নেতাজি দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে এই বৈষম্যের হাত থেকে আমাদের দেশ রক্ষা পেত এবং ভারতবর্ষ পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহৎ শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করত। শুভেন্দুবাবু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস চালু করেছিলেন। তমলুক শহরের নাম তাম্রলিপ্ত নগর আমরাই করেছি।’
উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে সিপিআইএমের একসময়কাল দাপুটে নেতা মজিদ মাস্টার সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে ফিরে আসায় তৃণমূল কংগ্রেসের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, উনি এসেছেন, নিজের বাড়িতে থাকছেন ভালো কথা। শান্তিতে থাকুন। তবে ওঁর বিরুদ্ধে যেসব ফৌজদারি মামলা চলছে, সেগুলি থেকে মুক্তি পাওয়ার দায়িত্ব তাঁকেই নিতেই হবে। শুক্রবার ২৪ জানুয়ারি বিজেপি অফিসে একজন নেতার সঙ্গে কথা হচ্ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই নেতা বললেন, অনুব্রত মণ্ডল থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের সব নেতারাই লোকসভা ভোটের পর কথাবার্তায় খুবই সংযত থাকছেন। বরং বিজেপিরই দু-একজন নেতা অনাবশ্যক কুকথা বলে ফাউল করছেন। আজকের দিনে নেতা-মন্ত্রী কি বলছেন তা পরিষ্কার দেখা যায়। মিডিয়া ভুল রিপোর্ট করেছে বলার আর দিন নেই।