বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার সতর্ক করলেও তাতে কান দেয়নি ইউরোপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে না হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো একজন বিজ্ঞ মানুষ রয়েছেন যিনি বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখানো রাষ্ট্রপ্রধান। ইউরোপের সব দেশে তো তা নয়—তবু কোবিদ সংক্রমণ রোখার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন যেমন চূড়ান্ত ব্যার্থ তেমনই ব্যার্থ ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এই দেশ গুলির মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে ফ্রান্স। বিজ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলায়, পৃথিবীর সামনের সারির দেশগুলির মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম। তবু চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও করোনা স্বাস্থ্য বিধি না মানার ফলে দ্বিতীয় কোবিদ ঝড়ে বিপর্যস্ত প্যারিস। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায়, ফের লকডাউন ঘোষণা করেছে মাকরঁ প্রশাসন। আর লগডাউনে হাঁপিয়ে উঠতে হবে এই ভাবনা থেকে প্যারিস বাসী এখন গ্রাম মুখী। প্যারিসের জনসাধারনের মন্ত্র এখন গ্রামে চলো। প্যারিসের ঘরবাড়ি ছেড়ে জনতার গ্রামে ছোটার জেরে রাজধানীর সব রাজপথ প্রায় অবরুদ্ধ। এমনই পরিস্থিতি যে ৬০০ কিমি এলাকা জুড়ে রাস্তায় রাস্তায় তীব্র যানজট। যা সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ বাহিনীকে। প্যারিসবাসী মনে করছেন, কতদিন লকডাউনে অবরুদ্ধ হয়ে থাকতে হবে তার কোনও ঠিক নেই। তার চেয়ে বরং গ্রামের খোলা আকাশ, উন্মুক্ত প্রান্তরে সবুজ ঘাস, দিনের সূর্য ও রাতের চাঁদের কিরণ মেখে দিনগুলো কাটানোই ভালো। সেই কারনেই শহর ছেড়ে প্যারিসবাসী এখন গ্রামে চলো মন্ত্রে বিশ্বাসী।