ন্যায়বিচার প্রদান, সংবিধান রক্ষা, মানুষের অধিকারের জন্য নিরলস, সাহসী সংগ্রাম তো বটেই, দেশে সকলকে এককাট্টা করে অনুপ্রেরণা দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প নেই। তাই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু তৃণমূলের নন, বাংলা তথা দেশ তথা বিশ্বের গর্ব। শনিবার ৭ মার্চ বেহালায় ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচির সূচনা করে এ কথা বলেন তৃণমূলের মহাসচিব, স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কর্মী সম্মেলনে এই কর্মসূচি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে পার্থবাবু বলেন, বিধায়ককে সামনে রেখে সকলকে এই কর্মসূচি পালন করতে হবে। যেখানে বিধায়ক নেই, সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্তরা কর্মসূচি পালন করবেন। পার্থবাবু আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে মমতাকে দেখছি। তাঁর আন্দোলন, মানুষের ভালোর জন্য তাঁর ভাবনা, বিভেদকামী শক্তির বিরুদ্ধে তাঁর নির্ভীক আন্দোলনের সাক্ষী আমি। তাই মমতা আমাদের গর্ব। অনেকে বলছেন, শুধু মমতাই কি বাংলার গর্ব? আমরা বলছি, অন্য মণীষী, বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যেমন বাংলার ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতিকে তুলে ধরে বাংলার গর্ব, তাঁদের মতোই মমতাও বাংলার গর্ব। এটা মানুষ জানেন, তাঁদের আরও বোঝাতে হবে। আমাকে অনেকে বলেছে, স্থানীয় নেতাদের উপর রাগ থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর কারও রাগ নেই। তাঁকে সকলে ভালোবাসেন। নির্বাচনে কিছু জায়গায় হার হয়েছে এটা ঠিক। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সেখানে দল ভালো ফল করবে। নাগরিকত্ব নিয়ে আন্দোলন করে মানুষের অধিকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিষ্ঠা করেছেন। এখন বাইরে থেকে লোক ভাড়া করে এনে নাগরিকত্ব নিয়ে বলার দরকার নেই। বাইরে থেকে ভাড়া করে সৈন্য এনে, এখানে যারা ফসিল, মিউজিয়ামে থাকার কথা তারা একজোট হয়ে মমতাকে আক্রমণ করতে চাইছে। মমতাকে আক্রমণ করা মানে বাংলাকে আক্রমণ, দ্বিখণ্ডিত করার চেষ্টা। এটা আমরা রুখবই। তিনি আরও বলেন, যারা কাজ করে তাদেরই ভুল হয়। আমাদের কাজে ভুল থাকলে তা শুধরে নিতে হবে। মা-মাটি-মানুষ সরকারের কাজের জোরদার প্রচার করতে হবে কর্মীদের। পুরানো কর্মীদের যোগ্য সম্মান দিয়ে দলে নবাগতরা সকলে মিলে কাজ করতে হবে।