রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে বসন্তোৎসবে তা সামাজিক ব্যাধি।এর দায় উপাচার্যের একার নয়। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সব্যসাচী বসুরায়চৌধুরীকে সে কথা বলে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছি। তিনি রাজি হয়েছেন। শনিবার ৭ মার্চ এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের লেখাকে অশ্লীলভাবে বিকৃত করেছে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ নয়। এরা সংস্কৃতি, কৃষ্টিকে কোথায় নামাচ্ছে? কার লেখাকে অসম্মান করছে! এ এক সামাজিক ব্যাধি। সোশ্যাল মিডিয়ার দাপটের যুগে এই ছেলে-মেয়েদের সমাজ, সংস্কৃতি, কৃষ্টি সম্পর্কে আরও শিক্ষা দিতে হবে, সতর্ক রাখতে হবে। মালদহের স্কুলেও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। সরকার অপসংস্কৃতির ধারক-বাহক নয়। এমন ঘটনা নজরে এলে উপযুক্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হয়। পার্থবাবু বলেন, নিয়ন্ত্রণহীনতা যেখানে রয়েছে সেই কাজ করা উচিত নয়। বহিরাগতদের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণে না আনা গেলে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন যে কাম্য নয় সেকথা বুঝিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। শুক্রবার রাতে রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য পদত্যাগ করেন ঘটনার দায় নিয়ে। যদিও শিক্ষামন্ত্রী তা পাননি বলেই জানান। এরপর উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেন।