যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা শনি ও রবিবার অন্তত ২ ঘণ্টা দলকে সময় দিন। রবিবার ১৫ মার্চ বেহালা পশ্চিম বিধানসভায় আয়োজিত স্বীকৃতি সম্মেলনে এই কথা বলেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা এলাকার বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের তৃতীয় ধাপে এই স্বীকৃতি সম্মেলনে দলের পুরনো কর্মীদের সংবর্ধিত করেন পার্থবাবু। তিনি বলেন, অনেক পুরনো কর্মী নানা কারণে বসে গিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই কিছু ভুল হয়েছিল। এই বিষয়টিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, যে সিস্টেমের কারণে ভুল হয়েছিল সেটাই আর থাকছে না। আজ কেউ জনপ্রতিনিধি, কার তিনি নাও থাকতে পারেন, কিন্তু দল থাকবে। সেটা মাথায় রেখে এগিয়ে আসুন। দেশের সংবিধান, ঐক্য, সার্বভৌমত্ব আজ বিপন্ন ধর্মান্ধ এক দলের জন্য। দেশকে রক্ষার এই লড়াই কঠিন লড়াই, এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উপর কারও রাগ নেই। নীচুতলায় কিছু লোকের জন্য মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, এটা ঠিক। কিন্তু সেই সমস্যা যাতে না থাকে সেইজন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যেসব কাজ করেছে তা আরও বেশি করে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে জানাতে হবে। ওই এলাকাতেও কী কাজ হয়েছে তা জানাতে হবে। দল প্রতিষ্ঠার সময় থেকে আপনাদের সকলের পরিশ্রমের ফলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকারকে সরানো সম্ভব হয়েছে। তাই সব ভুলে আবার নতুন উদ্যমে দলের কাজ করুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রাম, ত্যাগ, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, নো আইডেন্টিটি নো ভোট-সহ আন্দোলন, মানুষের পাশে থেকে কাজ করা, এ সব কারণেই তিনি শুধু তৃণমূলের গর্ব নন, রাজ্য তথা দেশ তথা বিশ্বের গর্ব। মণীষীরাও যেমন আমাদের গর্ব, তেমনই সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বিকল্প।



