বছর দেড়েক পরে অশোকনগরে এল পার্থ। মায়ের বাৎসরিকে শেষবার এসেছিল। মা চলে গেছে আড়াই বছর হল। দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস নেই ওর। কাকু কাকিমা বিশ্রাম নিচ্ছেন। খুড়তুতো ভাই সমীরণ কোথাও বেরিয়েছে। এই ফাঁকে বাড়িটার ভেতরে বাইরে ঘুরে ঘুরে দেখছে ও। দেখছে না আসলে ধুলো পরে যাওয়া স্মৃতিগুলোকে ঝেড়ে মুছে তকতকে করছে। অজস্র স্মৃতি জড়িয়ে এই বাড়িটার সাথে। শুধু জন্মটাই যা হয়নি এখানে। ভাল লাগছে কাকু এই বয়েসেও খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রেখেছে বাড়িটাকে। ও চেয়েছিল সুবর্ণরেখা আর শিবালিকাও সাথে আসুক। শিবালিকার যে বাপের সাথে আসার ইচ্ছে ছিল না তা নয়। বাধ সেধেছে সুবর্ণরেখা। কারণ মেয়ের পড়াশুনা। মেয়েটা এবার আইসিএসই ফাইন্যাল দেবে। পার্থ জোর খাটায়নি। ফলে ওদের মুম্বাইতে রেখে আসতে হল। এখনকার কিছু মায়েদের ছেলে মেয়েদের পড়া নিয়ে আদিখেত্য দেখে ওর হাসি পায়। মনে মনে বলে, “বাংলা মাধ্যম অশোকনগর বয়েজ স্কুলে ক্লাস ওয়ান থেকে উচ্চমাধ্যমিক। তারপরে শিবপুর বি.ই কলেজ হয়ে আজ জনসন রবিনসনের সিনিয়র একজিকিউটিভ। আমার মা বুকের কাছে নিয়ে কত রকমের গল্প বলেছে আর বুকের ছায়ায় আগলে রেখেছে। কিন্তু কোনদিন ‘পড়’, ‘পড়’ করেনি”।
মেয়েটা মায়ের শাসনেই বেশি থাকে। খুব স্বাভাবিক। মালটি-ন্যাশনাল ফার্মের সিনিয়র একজিকিউটিভ হিসেবে পার্থকে অনেকটা সময় হিল্লি দিল্লি করতে হয়। তবে বাপ মেয়ে দুজনের মধ্যে একটা দারুণ হিডেন আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে।
একটা সিগারেট ধরিয়ে দোতলার পেছনের বারান্দায় এসে দাঁড়াল। পুজো আসতে আরও মাস খানেক বাকি। পেছন দিকটাতে কিছু জমি আছে। বেশ কিছু বড় বড় গাছ। কাঁঠাল, আম, জামরুল এমন আরও কিছু। কিছু ফুল গাছও রয়েছে। একটা লেবু গাছ নজরে পড়ল। বেশ কিছু গাছ চিনতে পারল না। এগুলোর বেশির ভাগই কাকুর লাগানো। সামান্য দুএকটা হয়ত বাবার লাগানো। কারণ বাবা তো চলে গেছে সেই কবে। ও যখন শিবপুরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। বিকেলের রোদ নরম হয়ে আসছে। গাছগুলো যেন ওর পূর্বপুরুষ। স্নেহের দৃষ্টিতে ওকে দেখছে আর নীরবে ওর আসার উদযাপন করছে। মুম্বাইয়ের বহুতলের মাস্তানি আর নগর সভ্যতায় এই ছায়াঘেরা মায়া কোথায়?
অশোকনগরে এই পৈত্রিক বাড়িটাতে কাকু তাঁর পরিবার নিয়ে থাকেন। কাকুরা একতলায় থাকে। দোতলাটা ফাঁকা পড়ে আছে। পার্থরা এলে এখানে ওঠে। তবে কাকু ঘরগুলো নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখে। কাকুর অবস্থা কোনদিনই খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না। ওই মোটামুটি চলে যায় গোছের। একটা মুদি দোকান আছে। বয়েস হলেও কাকু এখনো বেশ শক্ত সমর্থ। দোকানে বসেন মাঝে মাঝে। তবে খুড়তুতো ভাই সমীরণই দোকান সামলায়। ভালই চলছে এখন। বাড়িটা আসলে বাবার টাকায় করা। বাবার নামেই দলিল, মিউটেশন সব কিছু। কাকার সেই অর্থে কোন কন্ট্রিবিউশন ছিল না। পার্থর বাবা মার্চেন্ট নেভি শিপে রেডিও অফিসার ছিলেন। বছর পনেরো ষোল পরিবার ছাড়া নাবিকের জীবন কাটিয়েছিলেন। ভাল অর্থ জমে যেতে চাকুরি ছেড়ে বাকি জীবনটা পরিবারের সাথে অশোকনগরের বাড়িতে কাটিয়েছেন। স্নেহশীল দাদা হিসেবে ভাইয়ের কথা ভেবে বাড়িটাকে দোতলা করেছেন। ভাইয়ের বিয়ে দিয়েছেন। হাড়ি নিয়ে ঠাই ঠাই যাতে নাহয় তার জন্য প্রথম থেকেই আলাদা ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বাবার এই বিচক্ষণতা কাজে লেগেছিল। দাদার প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাবশত কাকু, কাকিমা বাবার অবর্তমানে ওকে আর ওর মাকে আগলে রেখেছিল। ওদের ভরসাতেই মাকে রেখে পার্থ ঘর ছেড়েছিল। মা মুম্বাইতে ওর কেনা এই ফ্ল্যাটে বার কয়েক এসেছিল। কিন্তু কিছুতেই স্থায়িভাবে থাকতে রাজি হয়নি। মাকে যতবার বলেছে মায়ের সেই এক কথা, “এখানে তোর বাবার স্মৃতি, তোর ছেলেবেলার স্মৃতি। এসব ফেলে কী করে যাই? আমি বুঝি তোর খুব চিন্তা হয় আমাকে নিয়ে। ভাবিস না। টেনশন করবি না একদম। তোর কাকু কাকিমা ভাই ওরা সবাই খুব যত্ন নেয়”। যত্ন নিয়েছে এটা সত্যি। হয়ত পার্থ নিজেও এত করতে পারত না। মায়ের অবস্থা যখন খুব খারাপ হল খবর পেয়ে উড়ে এসেছিল। সুবর্ণরেখা, শিবালিকাও এসেছিল। তারপরে তো নারসিং হোমেই। বুক খালি করে একটা দীর্ঘশ্বাস হাওয়ায় মিশে যায়। দুপুর ছেড়ে আসা বিকেলের গায় বিষণ্ণতার ছোপ। ধীর পায়ে ঘরে এল। বেশ কিছু কাজ সারতে হবে। পরশু ফ্লাইট। মায়ের আলমারিটা খুলতে হবে। চাবি সাথে করে নিয়ে এসেছে। সুবর্ণরেখা বার বার বলে দিয়েছে। সেবার বাৎসরিক কাজ করতে এসে একেবারে সময় ছিল না। পরের দিন বিকেলের ফ্লাইটেই ফিরে গিয়েছিল ওরা। আলমারিটা খুলে অপ্রয়োজনীয় জিনিষ কিছু থাকলে সেগুলো বাতিল করতে হবে। মায়ের গয়নাগুলো নিয়ে যাবে। পার্থ খুঁটিনাটি সাংসারিক ব্যাপার নিয়ে মাথা ঘামায় না। গয়নাগুলোর প্রতি সুবর্ণরেখার একটা মেয়েলি কৌতূহল আছে। সরাসরি না বললেও ঠারে ঠোরে বুঝিয়েছে।
***
একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে পার্থর। মুম্বাইতে ও যে ঝড়ো জীবনের সাথে অভ্যস্ত এখানে তিনদিনের জন্য তা থমকে গেছে। ও যেন হঠাৎ করে টাইম মেশিনে বসে এগিয়ে যাবার পরিবর্তে কয়েক যুগ পিছিয়ে গেছে। কত মুহূর্ত, কত স্মৃতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ঘরময়। সারা বাড়ি জুড়ে। সেসব সাদাকালো স্মৃতিগুলোকে ছুঁয়ে দেখার জন্য তিনটে দিন যথেষ্ট নয়। আলমারিটা খুলতে একটা গুমো গন্ধ আর ন্যাপথলিনের মিশ্রিত গন্ধ ওকে স্বাগত জানাল। সেই সাথে একটা শূন্যতা গ্রাস করে ওকে। মনে পড়ে শীতের আগে এবং শীত চলে গেলে গরম জামাকাপড়গুলো রোদ্দুরে দেওয়া মায়ের নিত্যকার অভ্যাস ছিল। ওপরের দুটো তাকে মা-বাবার পোশাক, পার্থর স্কুলের ইউনিফর্ম, ছোটবেলার কিছু ভাল জামা রয়েছে। এমনই বুঝি হয় মায়েদের স্নেহছায়া। এরপরে আলমারিটা একটা ধাতব শিট দিয়ে দুভাগ করা। একভাগে লকার আর অন্যভাগে দুটো অ্যালবাম, এক গোছা চিঠির বান্ডিল আরও নানারকমের জিনিষ। লকার খুলে গয়নাগুলো বের করে আলগোছে পরম মমতায় স্পর্শ করল। যেন মাকে আদর করে ছুঁয়ে দিল। মনে মনে ঠিক করল সুবর্ণরেখাকে গয়নাগুলো দেবে ঠিকই কিন্তু ভাঙ্গাতে বারণ করে দেবে। ওগুলো ওর মায়ের গয়না হিসেবে গচ্ছিত থাকবে। ও পরতে পারে কিন্তু গলানো যাবে না। লকার থেকে রসিদগুলোও বের করে সব একসাথে ওর স্যুটকেসে ভরে রাখে।
মনটা একটু চা চা করছে। কাকিমা বোধহয় ওঠেনি এখনও। আর একটা সিগারেট ধরিয়ে চিঠির বান্ডিলটা নিয়ে খাটে বসল। শাড়ির ছেড়া পাড় দিয়ে বাঁধা বেশ মোটা বান্ডিল। সে আমলে তো আর সেলফোন ছিল না। চিঠিই ছিল আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবদের খবরাখবর নেবার একমাত্র মাধ্যম। ইমারজেন্সি কোন খবরের জন্য টেলিগ্রাম। পার্থর মনে পড়ে বিজয়া দশমীর পরে মা ওকে বেশ কিছু চিঠি দিয়ে পোস্ট করে আসতে বলত। তার মধ্যে কিছু ছিল পোস্ট কার্ডে। আর বাকিগুলো আকাশি নীল ইনল্যান্ড লেটারে। ইনল্যান্ড লেটারগুলো আঠা দিয়ে আটকানো থাকত। আবার উল্টোটাও হত। দশমীর পরে কত চিঠি আসত। শুভেচ্ছা, স্নেহ, ভালবাসায় জারিত সেসব চিঠি।
চিঠির বান্ডিলটা খুলতে সেগুলো যেন মুক্তি পাওয়া পাখির মত রৈরৈ করে বিছানায় ছড়িয়ে পড়ল। মহাফেজখানার বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছে ধূসর পাণ্ডুলিপিরা। বান্ডিলটা বাঁধা অবস্থায় প্রথমে নজরে পড়েনি। আর একটা ছোট বান্ডিল আলাদা করে বাঁধা। সেটা একটা শাড়ির টুকরো দিয়ে বাঁধা। সবেতেই মায়ের ছোঁয়া। নিজেকে কেমন জানি একাকি, অনাথ মনে হল। সুবর্ণরেখা আর শিবালিকার জন্য মনটা হু হু করে ওঠে। মা, বাবাকে হারিয়ে এখন ওরাই তো সর্বক্ষণের আপনজন। ছোট বান্ডিলটা খোলার আগে এলোপাতারি দু চারটে চিঠিতে চোখ বোলায়। মামা দিদা মাসিদের চিঠি। ওই চিঠিগুলো আলাদা করে বাঁধা কেন? একটা কৌতূহল মাথা চাড়া দিচ্ছে। কী এমন বিশেষ চিঠি যে ওগুলো আলাদা করে বাঁধা? মায়ের ব্যক্তিগত চিঠি? ওর শিক্ষা এবং রুচি ওকে দ্বিধায় ফেলে। মা, বাবার নিজেদের মধ্যে লেখা চিঠি? বাবা তো বিয়ের পরেও জাহাজে ছিল। ছয় মাস জলে। আবার কয়েক মাস স্থলে। নিজের বাড়িতে। দুজনের একান্ত ব্যক্তিগত এসব চিঠি কি পড়া বাঞ্ছনীয়? ভেতর থেকে আর একটা পার্থ ওকে বোঝায়। “আরে ইয়ার, অ্যাতো হেজিটেশন কিসের? দুজনের কেউই আর বেঁচে নেই। একমাত্র ছেলে হিসেবে মা বাবার সব কিছুরই হকদার হলি তুই। তাছাড়া কে দেখতে যাচ্ছে?”।
প্রথম চিঠিটা একটা ইনল্যান্ড লেটারে। বাবার লেখা। “প্রিয়তমাসু, চারদিকে শুধু জল আর জল। জাহাজটা যেন একটা তিমি মাছ। জল কেটে এগিয়ে চলেছে আপন খেয়ালে। সারাক্ষণ তোমার মুখ মনে পড়ে। একটা একটা করে দিন গুনি আর নতুন করে আশা জাগে। তোমার সাথে মিলিত হবার… নিজের খেয়াল রেখো। এই সমুদ্রে যত জল আছে তার থেকেও বেশি ভালবাসা জানালাম তোমাকে”। পার্থ মুগ্ধ হয়ে যায়। বাবা এতো রোম্যান্টিক ছিল?
আর একটা চিঠিতে বাবা মাকে লিখেছে, “বলতে পারো আগের জন্মের কোন পুন্যির ফল তোমাকে পাওয়া? আবার আগের জন্মে কিছু পাপও করেছিলাম। তাই এই বিরহ সহ্য করতে হচ্ছে…”। মা কি এই চিঠির উত্তর দিয়েছিল? পার্থ চিঠিগুলোকে তারিখ অনুসারে সাজিয়ে নেয়। মনের ভেতরে জেগে ওঠা প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেল। একটা বন্ধ খামের ভেতরে সাদা কাগজে মেয়েলি ছন্দে লেখা মায়ের চিঠি। “তুমি শুধু নিজের কথা বলছ। আমার মনের অবস্থা ভেবেছ? মনে হয় আমি যদি পাখি হতাম। সব ফেলে ডানা মেলে উড়ে যেতাম তোমার কাছে। কোন পাপ করোনি গো। বিরহের ফল মিঠা হয়। বুঝেছ মশাই?…”। হাউ সুইট! চোখে জল এসে যায় পার্থর। অনুভব করে একটা ভেজা আবেগ কান্না হয়ে বেরতে না পেরে গলার কাছে আটকে আছে। আচ্ছা, বাবার মত এতো দীর্ঘ সময় না হলেও ওকেও তো প্রায়ই এদিক সেদিক যেতে হয়। সুবর্ণরেখা কি তখন মিস করে ওকে? মা-বাবার মত এতো গভীর ভালবাসা আছে ওদের মধ্যে?
“ভাল হয়েছে তুমি কাছে নেই। তাই খুব সহজে, স্বছন্দে জীবনের সবচেয়ে বড় সুখবরটা দিতে পারছি। তুমি বাবা হতে চলেছ। চিন্তা করো না। আমি খুব সাবধানে থাকব। মা দাদাকে পাঠিয়েছিল। আমি বলেছি, সময় হলে জানাব। আমাকে নিয়ে যাবে…”। মায়ের চিঠি।
“অনেক হল। এবার বিশ্রাম। তোমার ভালবাসার ছায়ায় বাকি জীবন কাটাতে চাই। আমার অনেক দিনের শখ ছিল নিজের একটা বাড়ি হবে। সামনে সুন্দর বাগান থাকবে। পেছনে গাছ গাছালি। সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এবার গিয়ে দোতলাটা তুলে ভাইকে বিয়ে দেব। আমাদের ছেলে হলে সে এই বাড়িতে সংসার করবে। মেয়ে হলেও ক্ষতি নেই। তাকেও তো বাপ মায়ের কাছে আসতে হবে”। বাবার শেষ চিঠি। চাকুরি ছেড়ে আসার আগে লেখা।
অজান্তে পার্থ দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
***
প্লেনের জানলা দিয়ে দেখে বাইরে নীল আকাশ আর নিচে ধূসর বিশালতা। সময় কোন বাঁকে কার জন্য কী চমক রেখে দেয় কেউ বলতে পারে না। বাড়িটাকে ভেঙ্গে ফ্ল্যাট করা যায় কিনা সে ভাবনা নিয়ে এসেছিল। কাকুদের বঞ্চিত করত না। ওঁদের জন্য অবশ্যই ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা থাকত। সুবর্ণরেখা বরাবরই খুব প্র্যাকটিক্যাল। পুরনো বাড়ি ভেঙ্গে ফ্ল্যাট করার পরামর্শটা ওরই মস্তিষ্কপ্রসূত। এবার আসার সময় স্বামীকে মনেও করিয়েছে। পার্থও অরাজি ছিল না। কিন্তু ওর মন বদলে গেছে। সিদ্ধান্ত বদল করেছে পার্থ। সব কিছু মস্তিষ্ক দিয়ে ভাববে কেন? কিছু সিদ্ধান্ত হৃদয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে নিতে হয়। আসার সময় কাকুকে বলে এসেছে, “আমার স্কুলের বন্ধু অলোক উকিল। ওকে বলেছি ও কাগজপত্র তৈরি করে আমাকে খবর দেবে। নিচের তলাটা তোমার নামে আর ওপরের তলাটা আমার নামে রেজিস্ট্রি করে দেব। এবার সমীরণের বিয়ে দাও”। ও জানে যান্ত্রিক জীবনের এই ব্যাস্ততা চিরকাল থাকবে না। থেমে যাবে এই উড়ান। সময় একদিন ওকে মাটির সোঁদা গন্ধের কাছে নিয়ে আসবে। নিয়ে আসবে শেকড়ের কাছে। ও তারই একটা পাকা বন্দোবস্ত করে গেল।
নস্টালজিক। সত্যিই শিকডের কাছাকাছি থাকা খুব দরকার। ভীষণ সুন্দর গোছানো একটা জীবনের গল্প।
ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। খুব খুশি হয়েছি@ লিপিকা সরকার
লেখাটি দুই জীবনধারাকে কি সুন্দর মিলিয়ে দিল! তরতরে লেখা। একটানে পড়ে গেলাম।