লকডাউন শুরু হওয়ার সময় থেকে পার্থপ্রতিম সাধারণ মানুষের পাশে। একটার পর একটা কর্মসূচি। সবটাই সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র করে। শুরু করেছিলেন ত্রাণ বিতরণ দিয়ে এরপর রান্নাকরা খাবার পরিবেশন কমিউনিটি কিচেন, এখন কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে। হাসতা হাসতে বলেছিলেন আমরা এখন ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দীর সঙ্গে লড়াই করছি। সেটা কেমন? প্রথম করোনা, দ্বিতীয় আমফান, আমফান আমাদের এখানে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারে নি, তবে ঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন তৃতীয় নতুন উপসর্গ পরিযায়ী শ্রমিক।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে পার্থপ্রতিম পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে গিয়ে তাঁদের রান্নাকরা খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। ৫ জুন কোচবিহার ১ নং ব্লকের দেওয়ানহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের দেওয়ানহাট মহাবিদ্যালয়ের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ২০০ জন আবাসিকদের মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সহয়তায় খাবর পৌঁছে দিয়েছেন। ৮ জুন কোচবিহার ১নং ব্লকের জিরানপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোঁসাইগঞ্জ এস.এস.কে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের আবাসিকদের কাছে গেছিলেন।

৯ জুন তুফানগঞ্জ ১নং ব্লকের বলরামপুর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বলরামপুর হাই স্কুলের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, ১০ জুন কোচবিহার উত্তর বিধানসভার পাতলাখাওয়া হাই স্কুল, শুকধনের কুঠি হাই স্কুল, ক্ষ্যাতেরতেবাড়ি স্কুলের কমিউনিটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, ১১ জুন কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ঢাংঢিংগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাচুয়া হাই স্কুল, নাগেশ্বরী প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ পাঁচটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, ১২ কোচবিহার ২ ব্লকের ছাগলবেড় নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, ১৩ জুন কোচবিহার উত্তর বিধানসভার গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭টি কমিউনিটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার।

প্রত্যেকটা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে তিনি নিজে উপস্থিত থেকেছেন সঙ্গে নিয়েছেন প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির কেউ কিংবা ব্লকের নেতৃত্ব। প্রত্যেকদিনের মেনু অত্যন্ত সাধারণ ভাত, ডাল, সবজি, মাছের কিংবা মুরগীর মাংসের ঝোল। আজ যেমন ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মন্টুদাস, উপপ্রধান সুব্রত চোকদার, পঞ্চায়েত সদস্য অনিল রায়, পল্লব দাস, জুলফিকার আলী, দুধেশ্বর রায়, রবি দাস-সহ অনান্যরা।



