বারাসাত-মধ্যমগ্রাম পুর এলাকায় বর্ষায় জমা জল যন্ত্রণা থেকে বাসিন্দাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই কাজে বাণীকণ্ঠ খাল সংস্কারের পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চাষীদের থেকে জমি কিনে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ খাল কাটার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ওই এলাকায় যান মধ্যমগ্রামের প্রাক্তন পুর প্রশাসক নিমাই ঘোষ।

পেজফোরনিউজকে তিনি জানান ‘মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের ঐকান্তিক উদ্যোগে অঞ্চলের চাষীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে প্রকল্প রূপায়ণে জমি দিতে রাজি করানো গিয়েছে। খালের প্রায় দেড় কিলোমিটার কাটা হয়েগিয়েছে। এই খাল দিয়ে বর্ষার জল বিদ্যাধরী খালে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে’।

কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করার পর নিমাই ঘোষ জানান, — ‘বর্ষায় বারাসাত পৌর অঞ্চল বেশ কিছু কাল জলমগ্ন থাকত। কেএমডি-এর পক্ষ থেকে বাণীকণ্ঠ খালের সৌন্দর্যায়ন হয়। কিন্তু আশেপাশের জল খালের পৌঁছনোর কোনও উপায় ছিল না। জমা জলে চাষের ক্ষতি হত, ফসল নষ্ট হত, এলাকার মানুষের নানা সমস্যা দেখা দিত। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের মন্ত্রী রথীণ ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছিলেন। তিনি এলাকার চাষী, পঞ্চায়েত, পৌর এলাকার সবাইকে নিয়ে মিটিং করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেন। তাঁর ভাবনা রূপায়ন করতে কাজটা শুরু করা হয়েছে। আমরা ঠিক দাম দিয়ে জমি কিনে সেই জমির ওপর দিয়ে খাল কাটছি। এটার শেষ মাথা গিয়ে পৌঁছবে বিদ্যাধরী নদীতে। কাজ খুব দ্রুতলয়ে চলছে। শ্রমিকেরা দৈনিক একশ দেড়শ ফুট পর্যন্ত খাল কাটছে। মাননীয় মন্ত্রী সেচ দপ্তরকে বলেছেন আরও বেশি মেসিন লাগিয়ে দ্রুত কাজটা সম্পন্ন করতে’। তিনি কাজটা দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার আশ্বাস দেন।