সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিটি ব্লকেই তৈরি হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। সেই মত ধনিয়াখালীর এফসিআই গোডাউনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের জন্য। যদিও গোডাউনের মেঝেতেই ম্যাট, চাদর, বালিশ দিয়ে তৈরি হবে করোনায় আক্রান্ত সন্দেহদের শয্যা। ইতি মধ্যেই ৬০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে করোনা স্বাস্থ্য বিধি মেনে। পিডব্লিউডি পক্ষ থেকে ইলেকট্রিক সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ধনিয়াখালি পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ২০টি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে যার দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছে সোমশপুর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েত। সোমশপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি সয়ম্ভর গোষ্ঠী খাবারের দায়িত্ব নিয়েছে করোনা চিকিৎসারতদের। করোনা আক্রান্তদের সেবায় যারা নিয়জিত থাকবে তাদের ইতিমধ্যেই ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে ধনিয়াখালী পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে। যদিও ধনিয়াখালী ব্লকে এখনো পর্যন্ত কোনো করোনা পজেটিভ পাওয়া না গেলেও করোনা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে ধনিয়াখালী ব্লক প্রশাসন।

ধনিয়াখালী পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সৌমেন ঘোষ জানান লকডাউন শুরুর থেকেই ধনিয়াখালি ব্লকের দুই থানার ওসি, সিভিক ভোলয়েন্টিয়ার এবং গাউন্ড লেভেলে কাজ করা আশা কর্মীরা সরকারি গাইড লাইন মেনে কাজ করায় ধনিয়াখালী ব্লকে করোনা থাবা বসতে পারেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকার বাজার এবং অফিস গুলি প্রতিনিয়ত স্যনিটাইজ করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধনিয়াখালী ব্লকের বর্ডার এড়িয়ে শীল করে দেওয়া হয়েছে সোমবার থেকে। ধনিয়াখালী ব্লকে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলিতে চলছে পুলিশি নজরদারি। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই প্রবেশ বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। যদিও বিশেষ প্রয়োজনে কাউকে ছাড়া হলে করা হচ্ছে থার্মাল স্কিনিং।