কথায় আছে বিপদে বন্ধু চেনা যায়। আর সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন মেদিনীপুর বিধানসভার গ্রামীণ এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। গত লোকসভা ভোটে বিশ্বাস ও ভরসা করে যে বিজেপি কর্মীরা নিজের দলকে জিতিয়েছেন সেই কর্মীরাই আজ বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুলছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁদের আরো বক্তব্য, বিজেপির বড়ো, মেজো, সেজো নেতাদের আর টিকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। লকডাউনের সময় যখন বিজেপির স্বঘোষিত নেতারা করোনার ভয়ে যখন বাড়িতে বসে তৃণমূলের নামে কুৎসা করতে ব্যস্ত তখন গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরাই। দল না দেখে সবার পাশে টিএমসি কর্মীরা যেভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন তা দেখেই আপ্লুত বিজেপি কর্মীরা। আর তাই নিজের ভুল বুঝতে পেরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তাঁরা।
মেদিনীপুর বিধানসভার অন্তর্গত চাঁদার অঞ্চলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী এর হাত ধরে বিজেপি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন মনোরঞ্জন মাহাত-সহ বেশ কিছু বিজেপি কর্মী। এর পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেদিনীপুর বিধানসভার চাঁদরা ২ নং অঞ্চলে প্রায় ২০০০ মতো গরিব মানুষকে খাবার পৌঁছে দেন।
ভিডিও দেখুন—