জলের প্রধান উৎস হল নদী। নদী থেকে জল তোলার পর পৌরসংস্থা জলশোধনাগার বা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট-এ পরিশুদ্ধ করে সেই জল সাময়িকভাবে জলসরবরাহ কেন্দ্রে মজুত রেখে এলাকাবাসীদের মধ্যে বন্টন করে। টিউবওয়েল। মূলতঃ ভূগর্ভস্থ নল সংযোগের দ্বারা গৃহস্থালিতে এবং শিল্পে ব্যবহারের জন্য মহানগরীতে জল সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ করা জল মেলে নলকূপ বা টিউবওয়েলের মাধ্যমে। টিউবওয়েল ভূগর্ভস্থ জলাধার হতে জল উত্তোলন করে। অন্যদিকে পানীয় কিংবা চাষাবাদে সেচের জলের জন্য বহুকাল ধরেই ব্যবহার হয়ে আসছে সাবমারসিবল পাম্প। কেননা এ ধরনের পাম্প অল্প সময়ের মধ্যে অনেক বেশি জল উত্তলন করে। এছাড়া বিদ্যুত খরচও কম হয়। এই ধরনের পাম্প বা মটর সাধারণত মাটির বিভিন্ন স্তরের নীচে বসানো হয় এবং সেখান থেকে পাইপের মাধ্যমে জল উঠে আসে।

সেই সাবমারসিবল ও টিউবওয়েল পরিদর্শনে এসে বেজায় ক্ষুব্ধ হলেন হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ তথা রাজ্যের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শান্তনু ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার হুগলীর পুরশুড়ায় জেলাপরিষদের পূর্তের কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখার্জি ও জেলা পরিষদের দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার কে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে এসে ঠিক মতো কাজ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শান্তনু বাবু বলেন, জলের ব্যাপারে কোনো রেয়াত করা হবে না। আরামবাগ মহকুমা বন্যা কবলিত এলাকা। এখানে ছাত্র-ছাত্রীদের যাতে কোনও অসুবিধে না হয়; তার জন্য ভালো কল ও বেসিন বেশি দাম দিয়ে হলেও লাগাতে হবে।

এদিন তিনি পুড়শুড়া বিদ্যাসাগর ভবনে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পও পরিদর্শনে যান। সেখানে সাধারণ মানুষ ঠিকঠাকভাবে ভ্যাকসিন পাচ্ছেন কিনা, ভ্যাক্সিন নিতে আসা গ্রামের মানুষের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা সেসব খুঁটিয়ে দেখতেই অঞ্চল পরিদর্শন করতে আসেন। সেখানে তিনি ভ্যাকসিনেশনে কাজ আরো দ্রুতগতিতে করার কথাও বলেন। এদিন সেখানে পুড়শুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোমিন মিদ্দা-সহ খোকন মল্লিক ও অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।