দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছিলেন উদয়নারায়ণপুরের কানুপাটের পশ্চিম পাড়ার ৩২ বছরের প্রদীপ বেরা। বাবা বিশ্বনাথ বেরা ও মা শিপ্রা বেরা কে নিয়ে পরিবারে কোনওরকমে দিনযাপন করতেন। দুই দিদিও বিবাহিত। আর্থিক ভাবে সহায়তা কিছুটা পেতেন বিডিও অফিসে কর্মরত প্রদীপের কাকা সুকুমার বেরার থেকে। গত সোমবার প্রদীপ বেরা সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ মৃত্যু হলে সৎকার করার প্রয়োজনীয় লোকজন ছিলো না। অবশেষে প্রদীপ বেরার কাকা সুকুমার বেরা বিধায়ক সমীর পাঁজার শরণাপন্ন হন। সমীরবাবুর দ্রুত তৎপরতায় তড়িঘড়ি কানুপাট মনশুকা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের কনভেনর রফিক আলি খান, বসির খান, গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সুরজিৎ কাঁড়ার, অনুপম মন্ডল দের পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান। আজ বেলা ১১টা নাগাদ মৃত প্রদীপ বেরার সৎকার করা হয়েছে।

মৃতের কাকা সুকুমার বাবু জানান, এই কঠিন সময়ে লোকজন এর অভাবে সৎকার না হওয়ার জন্যে যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম, বিধায়ক সমীর পাঁজা পাশে এসে না দাঁড়ালে কী যে হোতো ভাবতেই পারছি না। সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার তৃণমূল নেতা রফিক আলি খান কেও। এ ব্যাপারে স্থানীয় বিধায়ক সমীরবাবু জানান, যে কোনো মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। এখন কথা বলার সময় নয়, কঠিন সময়ে মানুষের পাশে থাকতে হবে এটাই আমাদের দৃড় সংকল্প। মৃত প্রদীপের পরিবারের পাশে আছি সর্বত্রভাবে।
