তিনি এলাকার খুবই জনপ্রিয় বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রীও বটে। এলাকার প্রতি অলিগলি হাতের তালুর মতো চেনা। নিবিড় জনসংযোগে তাঁর জুড়ি নেই। বিরোধী দলের নেতা, কর্মী-সমর্থকদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা সুবিদিত। তিনি ডোমজুড়ের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

একটানা লকডাউন চলায় গরিব, প্রান্তিক মানুষগুলি সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ। অসহায় সেই সব পরিবারগুলির হাতে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এই বিধানসভা কেন্দ্রের ৪০ হাজার পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন নিয়মিত। প্রতিদিন তিনি নিজে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে চাল, ডাল, আলু, আটা- এই খাদ্য সামগ্রী গরিব, প্রান্তিক পরিবারগুলোর হাতে তুলে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর করোনা সতর্ক বার্তা পুনরায় সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। কিভাবে দূরুত্ব বজায় রেখে নিজেদের সুরক্ষিত রাখবেন তাও দেখিয়ে দিচ্ছেন। নিজেও সঠিক দূরত্ব বজায় রেখেই ত্রাণ সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন তাঁদের হাতে। এদিন তিনি বালি স্টেশন লাগোয়া নিশ্চিন্দা, পাকুড়িয়া এলাকায় গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।
লকডাউন লাগু হওয়ার অনেকদিন আগেই তিনি নিজের কেন্দ্রের বাজার এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছেন। নিজে মাস্ক বিলি করেছেন নিয়মিত। অনেক আগে থেকে তাঁর এই সতর্কতামূলক প্রচার সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ত্রাণ বিলি শেষে তিনি বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে করোনা মোকাবিলায় একের পর এক পদক্ষেপ করছেন তা দেশের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। নিজে বাজারে গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজ করেছেন। কি ভাবে দূরত্ব বজায় রেখে জিনিসপত্র কিনতে হবে তা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, যা আমাদের সবার কাছে শিক্ষণীয়। আমি তাঁর দেখানো পথে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করছি মাত্র।