এখন হাতের মুঠোয় গোটা বিশ্ব। বিনোদনের এখন হাজারো মাধ্যম। বিশ্বায়নের যুগে গ্রাম-শহর যেন মিলেমিশে একাকার। কিন্ত একটা সময় ছিল যখন গ্রাম বাংলায় বিনোদনের মাধ্যম ছিল যাত্রাপালা, লোকগান, পালাগান, বাউল সংগীত প্রভৃতি। নৌকা বিলাস, কালিয়া দমন, সুবল মিলন এই সব পালাগান এক সময় ঝড় তুলেছিল রাঢ় বাংলায়। এখন তো কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে লোক সংস্কৃতির এই অমূল্য উপাদানগুলো। লোক শিল্পীরা আজ খুবই কষ্টের সাথে দিন কাটাচ্ছেন।
তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁদের জন্য লোকপ্রসার প্রকল্পে ভাতা চালু করেছেন। পরিচয়পত্র প্রদান করেছেন। তাঁদের হারিয়ে যেতে বসা শিল্পমাধ্যমকে ফিরিয়ে আনতে অনেক উদ্যোগ নিচ্ছেন। এতে শিল্পীরাও খুশি। বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে এই সব লোকশিল্পীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি।
বাঁকুড়া জেলা লোকপ্রসার শিল্পী সংগঠনের সভাপতি তথা লোক শিল্পী পিন্টু শূর জানালেন, যুব সংগঠন খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছে জানতে পেরে আমরা রাজীব বাবুর অফিসে যোগাযোগ করি। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের আশ্বাস দেন ঠিক সময়ে খাবার পৌঁছে যাবে আপনাদের কাছে। আমাদের আয়না গ্রামের ৫০ জন শিল্পী পরিবার চাল, ডাল, আলু পেয়েছে।
রাজীব ঘোষাল বলেন, জননেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমাদের যুব ব্রিগেড সর্বস্তরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। যুব টিএসসির সৈনিকরা খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন প্রতিদিন। আবার বলছি কেউ যদি অভুক্ত থাকেন তাহলে 7797200200 এই ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন। কোনোরকম কুন্ঠাবোধ করবেন না। আমরা আছি আপনাদের পাশে।