লকডাউন তখনও শুরু হয়নি, সে সময় থেকেই করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ও সচেতনতা বাড়াতে সাধারণ মানুষকে মাস্ক বিলি করেছেন। আর লকডাউন শুরুর প্রথম দিন থেকে প্রতিদিন বড়জোড়া ব্লকের প্রতিটি ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে চলেছেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রাজীব ঘোষাল এবং তাঁর সৈনিকরা। শুধু খাদ্যসামগ্রী বিলি করা নয়, একই সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কীভাবে চলতে হবে সেই বার্তা প্রতিটি গ্রামে নিজে ঘুরে প্রচার করছেন। এবার তিনি ছুটে গেলেন সোজা অনাথ আশ্রমে। বাচ্চাদের সাথে সময় কাটালেন। আশ্রম কর্তৃপক্ষের হাতে বাচ্চাদের জন্য খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন। এই কঠিন সময়ে কেমন আছে তারা, তাদের মনের অবস্থাই বা কিরকম রয়েছে তা বাচ্চাদের সাথে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করলেন। ঘরবন্দি পরিস্থিতিতে শিশু মনের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, সে কথা ভেবেই রাজীবের সেখানে যাওয়া। একদম বাচ্ছার মতো করেই করোনা ও তার প্রভাব বুঝিয়ে বলেন তাদের। অবাক চোখে সব কথা মন দিয়ে শুনলো তারা। এর পর নিজের হাতে বাচ্চাদের খাবার পরিবেশন করেন রাজীব ঘোষাল।
তিনি জানালেন, জাতধর্মবর্ণ শ্রেণী নির্বিশেষে সবার ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছি। এই কঠিন পরিস্থিতিতে যাতে আমরা সবাই এক সাথে দুবেলা দুমুঠো খেয়ে থাকতে পারি সেই জন্য এই উদ্যোগ। এই কঠিন পরিস্থিতিতে বাচ্চাদের সাথে সময় কাটিয়ে অনেক হাল্কা লাগছে। চাপমুক্ত লাগছে। এদের বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বপ্নটা বাড়ে হয়তো কিন্তু সে ভাবনায় কোথাও আকাশ কুসুম কল্পনা থাকে না। ওদের স্বপ্নই ভালোভাবে খেয়ে পরে বেঁচে থাকা।
ভিডিওটি দেখতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন—