রক্তদান জীবন বাঁচায়। যাদের রক্তের প্রয়োজন আছে তারা যাতে সময়মতো রক্ত পান তা নিশ্চিত করতেই রক্তদান শিবিরের আয়োজন। স্বেচ্ছায় রক্তদান মানুষের জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে মনুষ্যত্বের একটি বড় দিক। যে কোনো সুস্থ ব্যক্তি ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত রক্তদান করতে পারেন। বছরে চার বার রক্তদান করলে সুস্থ থাকা যায়। রক্তদান করলে রক্তদানকারীরাও অনেক রকম ভাবে সুস্থ থাকতে পারেন। রক্তদান করলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, পাশাপাশি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন, কোলস্টরেলের মাত্রা কম হয়, তাতে মেদবহুলতা কমে।

মঙ্গলবার সন্তোষপুর বিশালক্ষী যুব সংঘের পরিচালনায় এক রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়। এদিনের এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন তারকেশ্বরের বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায়, আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি উত্তম কুন্ডু, তারকেশ্বর গ্রামীণ হসপিটালের বিএমওএইচ তাপস কুমার দাস, তারকেশ্বর টাউন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুপ পন্ডিত, সহ-সভাপতি রাহুল মুখার্জী, তারকেশ্বর ব্লক যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি শেখ সারাফাত, তারকেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মদক্ষ সুমনা ঘোষ, তারকেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক জয়ন্ত চক্রবর্তী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও এলাকার বিশিষ্ট মানুষজন।

এদিনের এই রক্তদান শিবিরের আহ্বায়ক ছিলেন ক্লাব সভাপতি তথা তারকেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি প্রদীপ সিংহরায়, রক্তদানের পাশাপাশি এদিন ক্লাবের নতুন ভবনের দ্বার উদঘাটন হয় বিধায়কের হাত ধরে, বিধায়ক রামেন্দু সিংহরায় জানান আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বুকে রক্তসংকট দূর করার জন্য যে রক্তদান শিবিরের ডাক দিয়েছিলেন, সেই ডাকে সাড়া দিয়ে তারকেশ্বর বিধানসভা জুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে রক্তদান শিবির চলেছে। তারই একটি এদিনের সন্তোষপুর বিশালক্ষী যুব সংঘের রক্তদান শিবির। এ দিন এলাকার ৫০ জন মানুষ কোভিড বিধি মেনে এই শিবিরে স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন।