মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি অঞ্চল থেকে গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রতিদিনই নিয়ম করে সুরক্ষারেখা মেনে অসহায়, দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছিলেন বিধায়ক সমীর পাঁজা। এদিনই একদম শেষ দিনে হরালী উদয়নারায়ণপুর অঞ্চলের প্রায় ১৫০০ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করার আগে বিধায়ক বয়স্ক থেকে নবপ্রজন্ম, প্রত্যেককে থার্মাল গান দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করেন, তারপর খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণের প্রথমেই বিধায়ক সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যাঁরা আজ আসেননি খাদ্যসামগ্রী আনতে, তাঁদের প্রত্যেকের কাছে আবেদন একসাথে এতো মানুষকে আমরা জমায়েত করবো না বলেই সকলকে আনা হয়নি। নিরাশ হবেন না, যাঁরা প্রকৃত খাদ্য সংকটের মধ্যে আছেন, সকলে বাড়িতে থাকুন আমরা খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেবো প্রত্যেকটি পরিবারে। এদিন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেষে বিধায়ক সমীরবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এই কঠিন পরিস্থিতিতে যেভাবে বাংলার প্রতিটি মানুষকে বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন… তাঁর পাশে থাকুন। সরকারি নির্দেশ মেনে অবশ্যই আগামী কয়েকটি দিন নিজেকে গৃহবন্দি রাখুন।

প্রয়োজনে প্রশাসনের সাহায্য নিন, সমস্যা হলে আমাকে ফোনে বলুন। অসহায়ের সহায় আমাদের দিদি, আগামী মে মাস থেকে রেশনে বিনামূল্যে প্রতিটি মানুষকে মাথাপিছু ৫ কিলো করে চাল দেওয়া হবে ঘোষণা করেছেন। আমরাও উদয়নারায়ণপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারের পক্ষ থেকে তৃতীয় পর্যায়ে খাদ্য সংকটের মধ্যে থাকা প্রতিটি পরিবারের পাশে থাকবো সাধ্যমত।

মনে রাখবেন, হাওড়া জেলা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত… আমাদের শপথ নিতে হবে লকডাউন পরিস্থিতিতে অযথা বাইরে আড্ডা দেবো না, একজায়গায় জমায়েত করবো না, সরকারি নির্দেশ মেনে নিজেদের কে সতর্ক রাখবো, সাবধানে থাকবো এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা মোকাবিলায় বাংলার প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিজের জীবনের পরোয়া না করে দিনরাত্রি যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন, বাংলাকে করোনামুক্ত করতে… তার পাশে থাকবো আমরা।
