তৃণমূল কংগ্রেস দলের তরফে বলার জন্য মুখপাত্রদের বিভিন্ন চ্যানেলে পাঠানো হয়। যেসব চ্যানেলে পাঠানো হয় না সেইসব চ্যানেল এখান ওখান থেকে লোক ধরে এনে তৃণমূল সমর্থক হিসেবে বসিয়ে দেয়। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বক্তব্য দল সমর্থন করে না। নিরপেক্ষ নয় বলে রিপাবলিক চ্যানেলে তৃণমূল কংগ্রেস কাউকে পাঠায় না। আর সেই চ্যানেলে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক হিসেবে বলতে গিয়ে ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক কথা বলে এবার কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন এক যুবক।
রিপাবলিক টিভিতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্ক চলছিল। তখন ওই যুবক বলে বসেন, বাংলায় কালোবাজারি চালাচ্ছেন মারোয়াড়িরা! স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল পড়ে যায়। আসর গরম করতে নেমে পড়েন বিজেপি নেতারা। বণিকসভার প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

তৃণমূলের জানার কথা নয় কে কোথায় কী বলছে। তবে নজরে আসতেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস বিবৃতি দিয়ে জানায়, রিপাবলিক টিভি যেভাবে কারও বক্তব্যকে তৃণমূলের বক্তব্য হিসেবে চালাতে চাইছে তা হতাশাজনক। এ ধরনের বক্তব্য দল একেবারেই সমর্থন করে না, কড়া প্রতিবাদ করা হচ্ছে। বাংলা মারোয়াড়িদের কাছে দ্বিতীয় ঘর। তৃণমূল বাংলার সেই সংস্কৃতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর যেখানে সব জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের সমানাধিকার রয়েছে।

কলকাতা পুলিশের হাতে ওই যুবকের গ্রেফতারিকে স্বাগত জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, যে যুবক তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকের ছদ্মবেশে রিপাবলিক টিভিতে বসে একটি সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক কথা বলে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা করছিলেন তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। হেট স্পিচ বাংলায় বরদাস্ত করা হয় না, তাই তা এ রাজ্যে বলার আগে মনে রাখা উচিত। রাজ্য সরকার এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলে।