আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর রজত জয়ন্তী বর্ষে পা রাখবে সে। তার ঠিক দেড় মাস আগে আরও একটি নতুন শাখার উদ্বোধন হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গড়িয়া-লস্করপুরে। এর আগে গত ৮ আগস্ট উত্তর ২৪ পরগনার দুর্গানগরে যাত্রা শুরু করেছে তৃতীয় শাখাটি। সংস্থার সিইও দেবাশিস ভট্টাচার্য জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে কলকাতা-বেহালা-সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তাদের আরও শাখা চালু হবে। তার মানে সংস্থাটি এগিয়ে চলেছে দুর্বার গতিতে।

গোটা বিশ্বজুড়ে আজ চরম অর্থনৈতিক মন্দা। আমাদের দেশে জিডিপি-র হার ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। যার জের এসে পড়ছে সমগ্র অর্থনীতি থেকে শুরু করে সমাজ ব্যবস্থা ও ব্যবসা বানিজ্যের ওপর। পারিপার্শিক সুস্থিরতা বজায় রেখে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটাই যেখানে একটা বড় ব্যাপার সেখানে একটি সমবায় ব্যাঙ্ক তাদের চতুর্থ শাখার কাজ শুরু করলো। শনিবার রাজ্যের মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেড-এর গড়িয়া-লস্করপুর শাখার উদ্বোধন হল।

প্রসঙ্গত ২৪ বছর আগে মাত্র ৩ লক্ষ টাকা হাতে নিয়ে সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড সল্টলেকের করুণাময়ীতে একটি ভাড়া বাড়িতে যাত্রা শুরু করেছিল। আজ সেখানে ৫ হাজার স্ক্যোয়ার ফুটের নিজস্ব ভবন। আজ তাদের ওয়ারকিং ক্যাপিটল ২৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে। তখন তাদের কোনও গ্রাহক ছিল না। সদস্য ছিল ৩ হাজার। বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা ৪০ হাজার ও সদস্য সংখ্যা ১৮ হাজার। সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডের দ্বিতীয় শাখাটি রয়েছে পলতায়।

অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব যে সমতার ওপর পড়েনি সে কথা বলা ভুল। তবে তাঁরা নিজেদের সক্ষমতা দিয়েই টালমাটাল পরিস্থিতিকে সামাল দিয়েছেন এবং মানুষের সঙ্গে থেকেছেন। সে কারণেই সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেড সমবায় জগতে বহু পুরস্কার লাভ করেছে। করোনা ও লকডাউনের ভয়ঙ্কর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়ে তারা বলছেন, তারাই ব্যাঙ্ক জগতে সব থেকে বেশি সুদ দিতে পারবে এবং সবচাইতে বেশি ডিভিডেন্ট দিতে পারবে যদি সরকারি ফান্ড তারা পায়।