তিন বছর আগেই শ্রেষ্ঠ সমবায় ব্যাংক হিসেবে সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড রাজ্য সরকারের কাছ থেকে পেয়েছে সমবায় রত্ন পুরস্কার৷ বাংলায় সমবায় ব্যাঙ্কের সরতাজ সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ২০২১-২২ এ এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। ব্যাঙ্কের জন্মদাতা দেবাশিস ভট্টাচার্য পেজফোরনিউজকে জানিয়েছেন ব্যাঙ্কের ৪০ হাজার শেয়ারহোল্ডার সদস্যরা এই আর্থিক বছরে ৯.২৫ শতাংশ হারে ডিভিডেন্ড পাবেন। গত আর্থিক বর্ষেও লভ্যাংশ প্রায় আড়াই কোটি টাকা। প্রত্যেক শেয়ার হোল্ডারকে ৯ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ২৫ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে প্রতিটি সদস্যকে ব্যাঙ্কের নিজস্ব খরচায় ১ লক্ষ টাকার দুর্ঘটনা জনিত বীমা করে দেওয়া হয়েছিল।

প্রসঙ্গত আজ গোটা বিশ্বজুড়ে চরম অর্থনৈতিক মন্দা, দেশে জিডিপি-র হার ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। তার জের এসে পড়ছে সমগ্র অর্থনীতি থেকে শুরু করে সমাজ ব্যবস্থা ও ব্যবসা বানিজ্যের ওপর। সেখানে পারিপার্শিক সুস্থিরতা বজায় রেখে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটাই যেখানে একটা বড় ব্যাপার সেখানে একটি সমবায় ব্যাংকের পক্ষে অগ্রগতি বজায় রাখাটা একটা উদাহরণ। অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব যে সমতার ওপর পড়েনি সে কথা বলা ভুল। তবে তাঁরা নিজেদের সক্ষমতা দিয়েই টালমাটাল পরিস্থিতিকে সামাল দিয়েছেন এবং মানুষের সঙ্গে থেকেছেন।
সমতা কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড-এর কর্ণধার দেবাশিস ভট্টাচার্য বলছিলেন, ‘এ কথা জোর গলায় বলতে পারি যে, যত যা-ই হোক না কেন, এ রাজ্যর টাকা বিদেশে যেতে দেব না৷’ সেদিন সমতা ১৭ হাজার সদস্য আর ৪৭ হাজার গ্রাহক করে ফেলেছে৷ তখন তিনি সমবায় ব্যাংকের উপযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন জেলায় কর্মশালাও করছেন৷ অনেক তরুণ-তরুণী উদ্বুদ্ধ হন দেবাশিসবাবুর শিক্ষণ শিবিরে৷

মাত্র ৩৮ লক্ষ টাকা নিয়ে ২৬ বছর আগে যাত্রা শুরু করেছিলেন৷ আর ২০১৮-য় তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫০ কোটি টাকায়৷ ২৬ বছর আগে ছিলেন মাত্র ৪ জন৷ এখন ৬০ জনের দল৷ পলতা ছাড়াও দুর্গানগর, রাজপুরে তৈরি হয়েছে নতুন দুটি শাখা৷ শাখাপ্রশাখা আরও বিস্তারে রিজার্ভ ব্যাংকের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন৷