হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের ৩ বারের বিধায়ক তিনি। এলাকাবাসীর কাছে তিনি কাজের মানুষ বলেই পরিচিত। গণ-উপনয়ন থেকে শুরু করে বেহাল রাস্তা সারাইয়ের উদ্যোগে পথশ্রী অভিযান— সব সময়েই মানুষের উন্নয়নমুখী কাজে তিনি ব্যস্ত।
স্থানীয় মানুষ বকপোতায় নতুন সেতু নির্মাণের দাবি তুলেছিলেন। এলাকাবাসীর দাবি অনুযায়ী বিধায়ক সমীর কুমার পাঁজার উদ্যোগে বহু জটিলতা কাটিয়ে সেই স্বপ্নের সেতুটির বাস্তবের মুখ দেখেছে।
প্রতি বছরই দামোদরের জলে প্লাবিত হয় হাওড়া গ্রামীণ জেলার উদয়নারায়নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। ডিভিসির ছাড়া জলে নিম্ন দামোদরের বাঁধ উপছে বা ভেঙে প্লাবিত হয় টোকাপুর, হরালি, কানুপাট, মনসুখ, শিবানীপুর-সহ একাধিক এলাকা। দামোদরের জল ঢুকে নষ্ট হয় কয়েক হাজার একর জমির ফসল। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, প্রতিবারেই বাঁধের ভাঙা অংশ জোড়াতালি দিয়ে বালির বস্তা ও বোল্ডার দিয়ে মেরামতির কাজ করা হয়। ফলত পরেরবার আবার সেই জায়গায় বাঁধ ভেঙে জল ঢোকে।
উদয়নারায়নপুরের বিধায়ক প্রতিবছর বাঁধ ভাঙার প্রসঙ্গে পূর্বতন সেচ দফতরের আধিকারিক থেকে মন্ত্রীদের খামখেয়ালীপনা ও ব্যক্তিগত অসৎ উদ্দেশ্যকে দায়ী করেছেন।
তবে তিনি জানিয়েছেন, গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বিশ্ব ব্যাংকের টাকায় মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা দামোদরের বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্যান্ডমিক পরিস্থিতির কারণে কাজ কিছুটা ধীর গতিতে চলছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে হাওড়া, হুগলী ও বর্ধমানের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে।
তিনি বিশ্বাস করেন জনপ্রতিনিধির কাজে মানুষের দাবীকেই প্রাধান্য দিতে হয়। তাদের সুবিধা অসুবিধা বুঝেই এলাকার উন্নয়নের কাজ করতে হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করার কারণেই মানুষ বিধায়ককে মনে রাখে। উদয়নারায়ণপুর এলাকায় মানুষের দাবীকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্যই তিনি পর পর তিনবার এই এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।