কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিক প্রয়াসকে সফল করতে উদয়নারায়ণপুরের বিভিন্ন জায়গায় অসহায়, দুঃস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তৎপর উদয়নারায়ণপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সমীর পাঁজা। প্রায় ১৫দিন যাবৎ প্রতিটি দিনই নিয়ম করে উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন গ্রামে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছেন। এদিন অন্য একটি ঘটনা চোখে পড়লো, বিধায়ক প্রতিটি জায়গায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণের আগে থেকেই বলে চলেছেন—কেউ যদি খাদ্য সংকটের মধ্যে বা অসুবিধার সম্মুখীন হন আমাকে ফোন করবেন। কথা রাখলেন বিধায়ক। প্রসঙ্গত, খাদ্য সংকটের মধ্যে থাকা অসহায় উদয়নারায়ণপুরের বসন্তপুর অঞ্চলের টকালপাড়ার বাসিন্দা দুই বোন বছর ৮৮-র স্বপ্না চক্রবর্তী ও রেণুকা মুখার্জি বাস করেন।

দুই বোনের পরিবারে আয়ের উৎস বলতে একখানি ভগ্ন মুদিখানার দোকান, বয়সের ভারে লকডাউন পরিস্থিতিতে আর সেভাবে চলে না, ৫৫ বছরের রেণুকা চক্রবর্তীও দুই চোখ সম্পূর্ণ অন্ধ। বন্ধ হয়ে গিয়েছে দোকান। শেষ ভরসা হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার সকালে বিধায়ক সমীরবাবুর কাছে সরাসরি ফোনের মাধ্যমে তাঁদের অবস্থার কথা জানালে, বিধায়ক তাঁদের আশ্বাস দেন তিনি ১ ঘন্টার মধ্যে সমস্ত কিছু ব্যবস্থা করে দেবেন। পাশাপাশি সমীর বাবু বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে আপনাদের দুই বোনের যাবতীয় সমস্যা হলে সরাসরি আমাকে ফোনে জানাবেন, এরপরই দ্রুত তৎপরতার সাথে স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হাসান সামিউল্লা-সহ নেতৃত্বস্থানীয় কর্মীর মাধ্যমে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন বিধায়ক সমীর পাঁজা। পাশাপাশি নেতৃত্বের মাধ্যমে বিধায়ক সমীরবাবুর বার্তা দেন, রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে উদয়নারায়ণপুরের একটি মানুষও যাতে এই কঠিন পরিস্থিতিতে অনাহারে না থাকে, তার দিকে সকলকে নজর রাখতে হবে।