লকডাউন পরিস্থিতিতে সকলেরেই অবস্থা খুব সঙ্কটজনক। বিশেষ করে দৈনন্দিন কাজ পাওয়ার ওপর যাদের সংসার নির্বাহ করতে হয়। এখন কাজ বন্ধ। গভীর সঙ্কটে তাঁরা। বিধায়ক সমীর পাঁজা প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও সাধ্য মতো খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। কখনও গড়ভবানীপুর সোনাতলা অঞ্চলের প্রায় ২৫০০ পরিবারকে খাদ্য সংকটের মধ্যে থাকা মানুষদের সুরক্ষা রেখা মেনে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন।

কখনও খিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যবস্থাপনায় করোনা মোকাবিলায় লকডাউন পরিস্থিতিতে খাদ্য সংকটের মধ্যে থাকা ১৪০০ মানুষদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হলো সামাজিক সুরক্ষা রেখা মেনে। পাশাপাশি খিলা অঞ্চলে বীরভূম জেলা থেকে আগত একটি পরিবার বিশেষভাবে সক্ষম শিশুকে নিয়ে লকডাউন পরিস্থিতিতে আটকে পড়ে তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়ি।

খাদ্য সংকটে পড়ে নানাবিধ সমস্যার কথা জানান খিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অশোক সাউকে তিনি পাশে থাকার আশ্বাস দেন, আসতে বলেন খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময়। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করার সময় বিধায়ক সমীর পাঁজার নজরে আসার পরেই তিনি বলেন, আমি জানি এই কঠিন পরিস্থিতিতে আপনার সমস্যার কথা। আপনার ও আপনার আত্মীয়ের পরিবারের পাশে আমরা আছি সবসময়।

আমার মোবাইল নম্বর দিয়ে গেলাম… সমস্যায় পড়লে নিশ্চিত জানাবেন। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেষে প্রধান অশোক সাউকে নির্দেশ দেন এলাকার সকল পরিবারের মতোন আটকে পড়া পরিবারের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে, প্রতিবন্ধী শিশুটির জন্য বেবিফুড-এর ব্যবস্থা করতে। উপস্থিত ছিলেন, অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সমীর পারাল-সহ সকলে।


