কখনও তিনি নিজে ছুটে যান বেবিফুড হাতে কখনো নিজে সময় করে উঠতে পারেন না, পাঠান তাঁর দলের দায়িত্বশীল কর্মীকে। শুধু জনপ্রতিনিধি হলেই হবে না। মানুষকে কিভাবে ভালোবাসতে হয় শিখতে হবে তাঁর কাছে। মানুষের সুবিধা অসুবিধায় কিভাবে পাশে দাঁড়াতে হয় সমীর পাঁজা এটা রপ্ত করে ফেলেছেন। ফলে তাঁর কাছে কোনো কাজটাই কঠিন নয়।

বাপন বেরা ভবানীপুর বিধি চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তাঁর বাড়ি। পেশায় কাঠমিস্ত্রী বাপন কাজ করে কলকাতার রাসবিহারী অঞ্চলে। কিছুতেই বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না। আর্থিক অনটনে জর্জরিত পরিবারে ৭ মাসের শিশু সন্তানের বেবিফুড কেনার পয়সা নেই স্ত্রী রিয়া বেরার কাছে। কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না রিয়া। বাচ্চার মুখে একটু দুধ তুলে দেবে তার উপায় নেই।

এদিকে লকডাউন, আমফানে বিধ্বস্ত গোটা অঞ্চল। বাধ্য হয়ে ফোন করেন বিধায়ক সমীর কুমার পাঁজাকে। হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারের কো অর্ডিনেটর সমীর কুমার পাঁজার কাছে খবর আসার পরেই অঞ্চলের তৃণমূল যুব যোদ্ধা ও অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অসীম চক্রবর্তী, কর্মাধ্যক্ষ সুখেন্দু চন্দ্রদের মাধ্যমে পর্যাপ্ত বেবিফুড-সহ বিস্কুট ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন রিয়ার বাড়িতে।

বেবিফুড ছাড়াও আনুসাঙ্গিক খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়ে অসময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্বভাবতই খুশি ছোট্ট রুশার মা রিয়া বেরা। রিয়া বেরা জানিয়েছেন, অসময়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ আমাদের ঘরের বিধায়ক সমীর পাঁজা সাহেবের কাছে।